মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

শাপলার ডাটা থেকে ঢ্যাপের ভাত : নিম্নবিত্তের স্মৃতিকাতরতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
শাপলার ডাটা থেকে ঢ্যাপের ভাত : নিম্নবিত্তের স্মৃতিকাতরতা

আখলাকুর রহমান

আমাদের সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ বিল, ঘের আর গ্রামীণ খালের দিকে তাকালে আজ বুকটা এক তীব্র হাহাকারে মোচড় দিয়ে ওঠে। যে জলমহালগুলো একসময় শরতের ভোরে হাজারো সাদা শাপলার শুভ্র চাদরে ঢেকে থাকত, যেখানে চোখ মেললেই মনে হতো আকাশের নক্ষত্রগুলো বুঝি মাটির বুকে নেমে এসেছে, আজ সেখানে শুধুই বাণিজ্যিক মৎস্য ঘেরের নিস্প্রাণ কড়া পাহারা আর কৃত্রিম রাসায়নিকের গন্ধ। আমাদের শৈশবের সেই চিরচেনা শুভ্রতার প্রতীক, জাতীয় ফুল সাদা শাপলা আজ সাতক্ষীরার বুক থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইছামতী’ বা ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের সেই প্রান্তিক চরিত্রগুলোর কথা মনে পড়ে, যারা প্রকৃতির এই অকৃপণ দানকে ভালোবেসে বুক পেতে নিত। ঠিক তেমনি আমাদের গ্রামের ডানপিটে ছেলেরাও সাতক্ষীরার মেঘলা দিনে বিলের জলে ডুব দিয়ে শাপলা তুলতে গিয়ে মায়ের কড়া বকুনি খেত। কিন্তু সেই বকুনিকে এক কান দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে, বুকসমান জল পেরিয়ে, কাঁপুনি ধরা শরীরে যখন একগুচ্ছ ভেজা শাপলা হাতে তারা মেঠোপথ ধরে বাড়ির পানে ছুটত, তখন তাদের চোখেমুখে থাকত এক স্বর্গীয় বিজয়ের আনন্দ। এই শাপলা তো কেবল ফুল ছিল না, ওটা ছিল আমাদের গ্রামীণ সাতক্ষীরার রূপের আসল অলংকার, আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে জড়িয়ে থাকা এক অবিচ্ছেদ্য অস্তিত্ব।

আজ সেই চিরন্তন স্বপ্নিল দৃশ্যগুলো আমরা আর দেখি না, যার প্রধান কারণ হলো অপরিকল্পিত ও অতি-বাণিজ্যিক মৎস্য ঘেরের আগ্রাসন। ঘেরের মালিকরা নিজেদের ক্ষণস্থায়ী মুনাফার স্বার্থে পুকুর ও ঘেরের জলজ উদ্ভিদ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে ফেলে, যার ফলে শাপলার কন্দ বা মূল মাটির নিচে অঙ্কুরিত হওয়ার সুযোগই পায় না। অথচ একটি পুকুর বা ঘেরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং তার চিরন্তন সৌন্দর্য ধরে রাখতে শাপলা ফুলের কোনো বিকল্প ছিল না। শুধু কি চোখের আরাম? আমাদের রসনাবিলাসেও এই ফুলটির ডাটা এক অনন্য জায়গা দখল করে ছিল। বর্ষার দিনে বিল থেকে তুলে আনা তাজা শাপলার ডাটা আঁশ ছাড়িয়ে, ছোট ছোট কুচি চিংড়ি মাছ দিয়ে যখন মা মাটির চুলোয় রান্না করতেন, তখন সেই তরকারির যে অমৃত স্বাদ হতো, তার সাথে আজকের কোনো দামি রেস্তোরাঁর খাবারের তুলনা চলে না। কত শত দিন যে ঘ্যানঘ্যান করে মায়ের কাছে এই শাপলা-চিংড়ির আবদার করেছি এবং তৃপ্তি ভরে খেয়েছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

শাপলা ফুলের এই মহাকাব্যে সবচেয়ে মধুর আর বেদনার অংশটি জুড়ে আছে তার ফল, যাকে আমাদের সাতক্ষীরার আঞ্চলিক ভাষায় আমরা ‘ঢ্যাপ’ বলে ডাকি। এই ঢ্যাপের ভেতরে থাকা ছোট ছোট কালো বীজগুলোকে রোদে শুকিয়ে, খড়খড়ে করে ভেজে যখন মুড়ির মতো ফোটানো হতো, তখন তাকে বলা হতো ‘ঢ্যাপের খৈ’। সেই খৈয়ের সুবাস আর নলেন গুড়ের মোয়া ছিল গ্রামীণ শৈশবের পরম বিলাসিতা। তবে এই ঢ্যাপের আরেকটি নির্মম পিঠও ছিল, যা আমাদের গ্রামীণ সমাজের চিরন্তন অভাব আর লড়াইয়ের অমোঘ সাক্ষী। এই সাতক্ষীরারই বহু নিম্নবিত্ত পরিবারে যখন চালের হাঁড়ি শূন্য থাকত, ঘরের কোণে এক ছটাক চালও জুটত না, তখন এই ঢ্যাপের বীজকে চালের মতো করে ফুটিয়ে ভাতের বিকল্প হিসেবে রান্না করা হতো। কত শত পরিবার যে এই ঢ্যাপের ভাত খেয়ে দিনের পর দিন, বেলার পর বেলা পার করে দিয়েছে, তার নীরব সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে আমাদের বিলের কালো মাটি।

দুর্ভাগ্যবশত, আজকের নতুন প্রজন্ম এই ঢ্যাপের স্বাদ তো দূরের কথা, এর নামটুকুও চেনে না। সাতক্ষীরার মানুষ আজ তাদের সেই অতি চেনা, অতি আবেগের সুদিনগুলোকে বড্ড বেশি মিস করে। একটি ফুল কীভাবে একটা গোটা প্রজন্মের শৈশব, তাদের আনন্দ, তাদের ক্ষুধা আর তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের ইতিহাসকে নিজের বুকে ধারণ করে রাখতে পারে, শাপলা ফুল তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এবং আমাদের সচেতন সমাজের কাছে আজ বিনীত অনুরোধ, কেবল বাণিজ্যের অন্ধ মোহে অন্ধ না হয়ে, আমাদের সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী জলাশয় ও পুকুরগুলোর প্রাকৃতিক রূপ ফিরিয়ে দিন। ঘেরের এক কোণে হলেও শাপলা ফুটতে দিন, যেন আমাদের আগামী প্রজন্ম আবার খনার বচনের মতো প্রকৃতির সান্নিধ্যে বড় হতে পারে। এই স্থানীয় পত্রিকার পাতার মাধ্যমে সাতক্ষীরার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এই সুপ্ত বিবেক জাগিয়ে তোলা আজ বড় বেশি প্রয়োজন, যাতে আমাদের ঘরের শাপলা আবার আমাদের বিলের চাদর হয়ে ফিরে আসে।

লেখা: আখলাকুর রহমান, উদ্যোক্তা ও স্বপ্নদ্রষ্টা : আসিফা

 

 

Ads small one

ফ্রান্সের বিপক্ষে আজ সুইডেনের কঠিন পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে আজ সুইডেনের কঠিন পরীক্ষা

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার রাত ৩টায় শেষ ৩২-এ সুইডেনের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ফরাসিদের বিপক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় গ্রাহাম পটারের দল।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে ফ্রান্স। সেনেগাল, নরওয়ে ও ইরাককে হারানোর পথে ১০ গোল করেছে তারা। ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে তাদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে।

ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলে চারটি করে গোল করেছেন। এছাড়া দেজিরে দুয়ে ও ব্র্যাডলি বারকোলাও গোলের দেখা পেয়েছেন। ফলে আক্রমণভাগে ফ্রান্স কতটা ভয়ংকর, তারই প্রমাণ মিলেছে গ্রুপ পর্বে।

অপরদিকে, নিজেদের গ্রুপে নেদারল্যান্ডস ও জাপানের পেছনে থেকে তৃতীয় হয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে সুইডেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিলেও পরের ম্যাচে একই ব্যবধানে নেদারল্যান্ডসের কাছে হারে তারা। শেষ ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে এবার তাদের সামনে অপেক্ষা করছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি।

শক্তিশালী ফরাসি দলের বিপক্ষে গোলের দায়িত্ব থাকবে সুইডেনের তারকা ফরোয়ার্ড ভিক্টর জিয়োকেরেস ও আলেক্সান্ডার ইসাকের কাঁধে। তাদের সঙ্গে আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন অ্যান্থনি এলাঙ্গাও।

সুইডেনের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার ইসাক হিয়েন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন। ফলে ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণ সামলাতে রক্ষণভাগকে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। পাশাপাশি ভাগ্যও তাদের পক্ষে থাকতে হবে!

 

নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এসব বিষয়ে তিনি কখনোই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এবার মালদ্বীপে তার অবকাশযাপনের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিকমাধ্যম।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মালদ্বীপে এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কেয়া পায়েল। কখনও তাদের গল্প করতে, আবার কখনও একটি রেস্তোরাঁয় ওই তরুণকে নিজের হাতে খাবার খাওয়াতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা—কে এই তরুণ এবং তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক কী?

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের দাবি, ওই তরুণের নাম প্রাচুর্য। তাদের পরিচয় দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, এর আগেও তাদের যুক্তরাজ্যে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

 

এমনকি ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কেয়া পায়েল ও প্রাচুর্য দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন এবং বিষয়টি দুই পরিবারও জানে। ভবিষ্যতে বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনোপক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।

এদিকে মালদ্বীপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর হয়তো এবার নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারেন এই অভিনেত্রী। তবে এখন পর্যন্ত কেয়া পায়েল বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৪ মে এই মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি যে কোনোদিন রায়ের জন‍্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

সেদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা। অপরদিকে ইনুর পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মোট ৯ দিন নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে আসামিপক্ষ। শুনানিতে আসামির পক্ষে বিভিন্ন আইনি দিক তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইনু সংসদ সদস্য ছিলেন না বলেও দাবি করা হয়।

মুনসুরুল হক বলেন, “কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় ইনুর কোনও সম্পৃক্ততা নেই। মামলার সাক্ষীরাও স্বীকার করেছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুষ্টিয়ায় উপস্থিত ছিলেন না।”

প্রসঙ্গত, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। তাদের গুলিতে শহীদ হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। পরে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ এনে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) জমা দেয় প্রসিকিউশন।

ইনুর বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর অভিযোগে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং উভয় চার্জে ১০ বছর করে দণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে খালাস দেন আদালত।

তবে আলাদা আলাদা দণ্ড হলেও ট্রাইব্যুনাল বলেন, তাকে ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।