মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

শেখ সিদ্দিকুর রহমান
ইসলামী বিশ্বের মানচিত্রে শিয়া-সুন্নি মতভেদ কোনো নতুন বিষয় নয়। কয়েক শতাব্দী ধরে এই দুই ধারার মধ্যে তাত্ত্বিক ও আদর্শিক লড়াই চলছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এবং বিশেষ করে ইরান বনাম ইসরায়েল-আমেরিকা দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত মানসিক ও আদর্শিক বৈপরীত্য তৈরি করেছে। যে শিয়া মতবাদকে কট্টর সুন্নি আলেমগণ অনেক সময় ‘কাফের’ বা ‘ইসলামের গন্ডি বহির্ভূত’ বলে ফতোয়া দেন, সেই ইরানের পক্ষে আজ রাজপথে স্লোগান উঠছে। এই ধর্মীয় অনুভূতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যবচ্ছেদ করা এখন সময়ের দাবি।
আদর্শিক দেয়াল ও শিয়া-সুন্নি বিতর্ক : বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের সিংহভাগ সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী। কওমি ও সালাফি ঘরানার আলেমদের বড় একটি অংশ শিয়াদের আকিদাগত বিশ্বাসের কারণে তাদের ইসলামের মূল ধারা থেকে বিচ্যুত মনে করেন। বিশেষ করে সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি শিয়াদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সুন্নিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিদ্যমান। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় জলসাগুলোতে শিয়াদের ‘অমুসলিম’ হিসেবে অভিহিত করার নজিরও কম নয়। যদি আদর্শই শেষ কথা হয়, তবে একজন সুন্নি মুসলমানের কাছে শিয়া প্রধান ইরান কখনোই ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু অদ্ভুতভাবে যখন বৈশ্বিক রাজনীতির প্রসঙ্গ আসে, তখন এই ‘কাফের’ ফতোয়া যেন আলমারিতে বন্দি হয়ে যায়।
ইসরায়েল ভীতি বনাম ইরান প্রীতি: ইরানের প্রতি এই আকস্মিক সহমর্মিতার মূলে শিয়াদের প্রতি ভালোবাসা কাজ করছে না; বরং কাজ করছে ইসরায়েল ও আমেরিকার প্রতি চরম ঘৃণা। বাংলাদেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ফিলিস্তিন ইস্যুটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। দীর্ঘকাল ধরে আরবরা যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছে, তখন ইরানের সরব উপস্থিতি তাদের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। এখানে ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ নীতিটি প্রকট। সুন্নিরা দেখছে, কথিত ‘কাফের’ ইরানই আজ গাজা ও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, অথচ অনেক সুন্নি আরব রাষ্ট্র নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই দৃশ্যপটই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ইরানের প্রতি একটি কৃত্রিম কিন্তু শক্তিশালী ধর্মীয় আবেগ তৈরি করেছে।
আরব বিশ্বের অনীহা ও রাজনৈতিক মেরুকরণ: আমরা অনেকেই লক্ষ্য করি না যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব বা বাহরাইনের মতো সুন্নি রাষ্ট্রগুলো ইরানকে চরম সন্দেহের চোখে দেখে। এর কারণ কেবল ধর্মীয় নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক। ইরান তার ‘বিপ্লব’ রপ্তানি করতে চায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া আধিপত্য বিস্তার করতে চায়-এমন একটি ভয় আরব রাজতন্ত্রগুলোর মধ্যে প্রবল। বিশেষ করে হুতি বিদ্রোহী, হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের মিলিশিয়াদের মাধ্যমে ইরান যেভাবে প্রভাব বাড়াচ্ছে, তাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরব নিজেদের অস্তিত্বের সংকট দেখছে। ফলে তারা অনেক সময় ইরানের চেয়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করাকেই নিরাপদ মনে করছে। অথচ বাংলাদেশে বসে আমরা কেবল ধর্মীয় চশমা দিয়ে বিচার করছি, যেখানে আরবরা বিচার করছে জাতীয় নিরাপত্তা ও ক্ষমতার ভারসাম্য দিয়ে।
জাতীয় স্বার্থ ও আমাদের হুরমুজ সংকট: সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের এই আবেগ অনেক সময় জাতীয় স্বার্থকেও ছাপিয়ে যায়। হুরমুজ প্রণালী দিয়ে আমাদের পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে যখন ইরান বাধা দেয় বা অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন বাংলাদেশে তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায় না। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন জাগে-আমাদের কাছে দেশের মর্যাদা বড়, না কি একটি নির্দিষ্ট দেশের ধর্মীয় পরিচিতি বড়? হুরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশি জাহাজের হয়রানি আমাদের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু ইরানের প্রতি অন্ধ আবেগের কারণে এই বিষয়গুলো জনসমক্ষে আলোচনাতেই আসে না।
ধর্মীয় অনুভূতি অবশ্যই ব্যক্তিগত ও পবিত্র। কিন্তু সেই অনুভূতি যখন ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণে ব্যবহৃত হয়, তখন সেখানে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। শিয়ারা যদি সুন্নিদের দৃষ্টিতে কাফেরই হয়, তবে তাদের কর্মকান্ডকে কেন ‘ইসলামী বিজয়’ হিসেবে দেখা হবে? আবার যদি তারা ভাই হয়, তবে আরব রাষ্ট্রগুলোর সাথে তাদের কেন এই রক্তক্ষয়ী বিরোধ? বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বুঝতে হবে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেবল ফতোয়া দিয়ে চলে না। এখানে প্রতিটি দেশ নিজের স্বার্থ দেখে। আমাদের আবেগ যেন এমন না হয় যা দেশের স্বার্থকে ছোট করে আর বিদেশের সংকীর্ণ স্বার্থকে মহান করে তোলে। আবেগ ও বিবেকের সঠিক সমন্বয়ই কেবল আমাদের এই দ্বিচারিতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট

Ads small one

নিজ বাসার সামনে হামলার শিকার অভিনেতা, ফাটিয়ে দিলো মাথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
নিজ বাসার সামনে হামলার শিকার অভিনেতা, ফাটিয়ে দিলো মাথা

যশোর নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হয়েছেন অভিনেতা সমু চৌধুরী। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে শহরের বেজপাড়া নলডাঙ্গা রোডে নতুন বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সমু চৌধুরী জানান, দুপুরে বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল গ্যারেজে মেকানিক জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে গ্যারেজের মালিক হৃদয় ও মেকানিক জাহাঙ্গীর ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেন।

এ ঘটনায় জড়িত না দাবি করে মোটর গ্যারেজ মালিক হৃদয় দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। তবে মা-বোন তুলে গালিগালাজ করায় হামলা করেছে বলে মোবাইল ফোনে জাহাঙ্গীর তাকে জানিয়েছে।

এদিকে ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয়রা। অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের আটকে অভিযান চলছে। তদন্ত সাপেক্ষ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নগরঘাটায় মসজিদের পানির মোটর চুরির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় মসজিদের পানির মোটর চুরির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের হাড়কাটা বিলের মাঝখানে অবস্থিত একটি মসজিদের পানির মোটর চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন ২ যুবক। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নগরঘাটা গাবতলা এলাকার মৃত রুস্তম আলী সরদারের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (২৪) এবং মো. আলাউদ্দীন সরদারের ছেলে মো. আরিজুল ইসলাম (২৬)। তাঁরা দুজনই সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা গাবতলা এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর হাড়কাটা বিলের মাঝখানে অবস্থিত মসজিদের পানি তোলার মোটর চুরির চেষ্টা করেন ওই দুই যুবক। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করেন। পরে বিষয়টি পাটকেলঘাটা থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল হোসেন তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় অনলাইন জুয়া ও মাদক সেবনের অর্থ জোগাড় করতে চুরির ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মসজিদের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শেখ আজহার হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তার দ্রুত সুস্থতা ও পূর্ণাঙ্গ রোগমুক্তি কামনা করে জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় পার্টি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, শেখ আজহার হোসেনের অসুস্থতার খবরে তারা উদ্বিগ্ন। তারা তার দ্রুত সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তার রোগমুক্তি কামনায় সাতক্ষীরার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন তারা। বিবৃতিদাতারা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক এসএম নজরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সরদার, সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম (পিটুল), সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন খান বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ আশরাফ আলী এবং পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক।

এ ছাড়া বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক ফিরোজ ও সদস্যসচিব কমল বিশ্বাস, জেলা যুব সংহতির সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি ও সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আবু ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্র সমাজের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, সদর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান বদু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুব সংহতির সভাপতি নাহিদ সুলতান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন বনি এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিক বিল্লাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি