রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

সদরের লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে স্থায়ী জলাবদ্ধায় শতশত পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে এবং অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা, তালতলা, কৈখালী, গোপিনাথপুর, বিনেরপোতা, খেজুরডাঙ্গা, রাজনগর, মথুরাপুর, দেবনগর, নলকুড়া সহ লাবসা ইউনিয়নের শতশত পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে তালতলা ঈদগাহ মোড় থেকে কৈখালী মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা, মাগুরা আইসক্রিম ফেক্টরী থেকে দাসপাড়ার ইটের সোলিং রাস্তা, মাগুরা কর্মকর পাড়ার পাকা রাস্তা পানির নিচে। রাস্তায় পানি জমার কারনে স্কুল পড়ুয়া শিশুদের স্কুলে যেতে ব্যাপক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া মাগুরা গ্রামের পুকুর ও জলাসয় পানিতে ডুবে মাছ ভেসে গেছে। অত্র এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা ও কৃষি জমি পানিতে ডুবে গেছে।

এদিকে, লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা-গোপিনাথপুর ও বিনেরপোতা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের দুই ধারে মৎস্য ঘের করার কারনে মহাসড়কে ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া বিনেরপোতা বিসিক শিল্পনগরীর মোড় থেকে বাইপাশ সড়কের লাবসা মোড় পর্যন্ত দুই ধারে অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে বাইপাস সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে যাচ্ছে এবং ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

মাগুরা-কৈখালী শৈলকুর বিলে কাটিয়া আমতলার মৃত খন্দকার হায়দার আলীর ছেলে ছানি খন্দকার, তালতলা গ্রামের মৃত. ইজ্জত আলীর ছেলে ইয়ার আলী, লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের আলী হোসেন মেম্বর, আলী হোসেন মেম্বরের ছেলে জুয়েল ও জুলু, মাগুরা গ্রামের মৃত. মোহর আলীর ছেলে রাজু, মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কামরুজ্জামান, তালতলার তৈয়ব আলী, জিয়াদ আলী, থানাঘাটার কামাল হোসেন, কৈখালীর ইকবাল হোসেন, রতফা, ইমান আলী, মহরম আলী, খেজুরডাঙ্গার সাজু সহ মাত্র ১৫/১৬ টি ঘেরের কারনে বৃষ্টির পানি আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসার আগেই এই সমস্ত মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা স্কেবেটর ব্যবহার করে ঘেরের বেড়ি বাঁধ উঁচু করেন। যার কারনে একটু বৃষ্টি হলেই গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। এক সময় শৈলকুর বিলের গেটের খাল দিয়ে মাগুরা ও কৈখালী গ্রামের পানি বেতনা নদী দিয়ে সরে যেতো। লাবসা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে যাওয়া কুলুটিয়ার খাল, গোপিনাথপুর খাল দিয়ে গ্রামের পানি বেতনা নদীর মাধ্যমে অপসারন হতো। কিন্তু গত ৭/৮ বছর কিছু অসাধু মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা অপরিকল্পিত ভাবে ঘের করার কারনে মাগুরা, তালতলা, কৈখালী, গোপিনাথপুর, বিনেরপোতা, খেজুরডাঙ্গা, দেবনগর, মথুরাপুর, রাজনগর, এগারানি সহ লাবসা ইউনিয়নের প্রায় সব কয়টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ স্থায়ী জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে দুঃর্বিসহ জীবন-জাপন করছে।

মাগুরা গ্রামের মৃত. আব্দুল ওহাব আলীর ছেলে মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান বলেন, শৈলকুর বিলের ১৫/১৬ টি ঘেরের বিড়িবাঁধ কেটে দিলে মাগুরা ও কৈখালী গ্রামের প্রায় ৪হাজার মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে।

মাগুরা গ্রামের সমাজ সেবক আবিদার রহমান জানান, শৈলকুর বিলে সর্ব প্রথম কাটিয়া আমতলা এলাকার ঠিকাদার মরহুম খন্দকার আলী হায়দার মৎস্য ঘের তৈরি করেন। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে তার বড় ছেলে ছানি খন্দকার ওই ঘের পরিচালনা করছেন। তার পর থেকে শৈলকুর বিলে তালতলা গ্রামের মৃত. ইজ্জত আলীর ছেলে ইয়ার আলী, লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের আলী হোসেন মেম্বর, আলী হোসেন মম্বেরের ছেলে জুয়েল ও জুলু, মাগুরা গ্রামের মৃত. মোহর আলীর ছেলে রাজু, মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কামরুজ্জামান, তালতলার তৈয়ব আলী, জিয়াদ আলী, থানাঘাটার কামাল হোসেন, কৈখালীর ইকবাল হোসেন, রতফা, ইমান আলী, মহরম আলী, খেজুরডাঙ্গার সাজু অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য ঘের করেছে। অপরিকল্পিত ভাবে ঘের করার কারনে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। আমি এলাকাবাসীর দুভোর্গ নিরশনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

মাগুরা গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক সালমা খাতুন জানান, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না করে অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য ঘের করার কারনে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ৪ থেকে ৫ মাস আমাদের ঘরের মধ্যে পানি জমে স্থায়ী জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতার কারনে পানি বাহিত ঘা-পাচড়া, চুলকানিসহ পানিবাহিত রোগ হচ্ছে। এছাড়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, বিষাক্ত পোকা-মাকড় ও সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এক কথায় পানি বন্ধি অবস্থায় শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নারীদের সব সময় ঘর-বাড়িতে থাকতে হয়। এঅবস্থায় নারী ও শিশুরা বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় একজন নারী। তাই নারী, শিশু ও জনগণের চরম দুর্ভোগ জলাবদ্ধা থেকে বাঁচাতে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত বলেন, শৈলকুর বিলের পানি সরানো জন্য আমি স্থানীয় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান কে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিচ্ছি, উনি মৎস্য ঘের মালিক ও গ্রামবাসীদের নিয়ে আলোচনা করে জলাবদ্ধতার পানি সরানোর ব্যবস্থা করবেন। যদি চেয়ারম্যান ব্যর্থ হয় আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পানি অপসারণ করবো।

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।