সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

সদরের লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে স্থায়ী জলাবদ্ধায় শতশত পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে এবং অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা, তালতলা, কৈখালী, গোপিনাথপুর, বিনেরপোতা, খেজুরডাঙ্গা, রাজনগর, মথুরাপুর, দেবনগর, নলকুড়া সহ লাবসা ইউনিয়নের শতশত পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে তালতলা ঈদগাহ মোড় থেকে কৈখালী মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা, মাগুরা আইসক্রিম ফেক্টরী থেকে দাসপাড়ার ইটের সোলিং রাস্তা, মাগুরা কর্মকর পাড়ার পাকা রাস্তা পানির নিচে। রাস্তায় পানি জমার কারনে স্কুল পড়ুয়া শিশুদের স্কুলে যেতে ব্যাপক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া মাগুরা গ্রামের পুকুর ও জলাসয় পানিতে ডুবে মাছ ভেসে গেছে। অত্র এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা ও কৃষি জমি পানিতে ডুবে গেছে।

এদিকে, লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা-গোপিনাথপুর ও বিনেরপোতা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের দুই ধারে মৎস্য ঘের করার কারনে মহাসড়কে ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া বিনেরপোতা বিসিক শিল্পনগরীর মোড় থেকে বাইপাশ সড়কের লাবসা মোড় পর্যন্ত দুই ধারে অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের করার কারনে বাইপাস সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে যাচ্ছে এবং ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

মাগুরা-কৈখালী শৈলকুর বিলে কাটিয়া আমতলার মৃত খন্দকার হায়দার আলীর ছেলে ছানি খন্দকার, তালতলা গ্রামের মৃত. ইজ্জত আলীর ছেলে ইয়ার আলী, লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের আলী হোসেন মেম্বর, আলী হোসেন মেম্বরের ছেলে জুয়েল ও জুলু, মাগুরা গ্রামের মৃত. মোহর আলীর ছেলে রাজু, মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কামরুজ্জামান, তালতলার তৈয়ব আলী, জিয়াদ আলী, থানাঘাটার কামাল হোসেন, কৈখালীর ইকবাল হোসেন, রতফা, ইমান আলী, মহরম আলী, খেজুরডাঙ্গার সাজু সহ মাত্র ১৫/১৬ টি ঘেরের কারনে বৃষ্টির পানি আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসার আগেই এই সমস্ত মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা স্কেবেটর ব্যবহার করে ঘেরের বেড়ি বাঁধ উঁচু করেন। যার কারনে একটু বৃষ্টি হলেই গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। এক সময় শৈলকুর বিলের গেটের খাল দিয়ে মাগুরা ও কৈখালী গ্রামের পানি বেতনা নদী দিয়ে সরে যেতো। লাবসা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে যাওয়া কুলুটিয়ার খাল, গোপিনাথপুর খাল দিয়ে গ্রামের পানি বেতনা নদীর মাধ্যমে অপসারন হতো। কিন্তু গত ৭/৮ বছর কিছু অসাধু মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা অপরিকল্পিত ভাবে ঘের করার কারনে মাগুরা, তালতলা, কৈখালী, গোপিনাথপুর, বিনেরপোতা, খেজুরডাঙ্গা, দেবনগর, মথুরাপুর, রাজনগর, এগারানি সহ লাবসা ইউনিয়নের প্রায় সব কয়টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ স্থায়ী জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে দুঃর্বিসহ জীবন-জাপন করছে।

মাগুরা গ্রামের মৃত. আব্দুল ওহাব আলীর ছেলে মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান বলেন, শৈলকুর বিলের ১৫/১৬ টি ঘেরের বিড়িবাঁধ কেটে দিলে মাগুরা ও কৈখালী গ্রামের প্রায় ৪হাজার মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে।

মাগুরা গ্রামের সমাজ সেবক আবিদার রহমান জানান, শৈলকুর বিলে সর্ব প্রথম কাটিয়া আমতলা এলাকার ঠিকাদার মরহুম খন্দকার আলী হায়দার মৎস্য ঘের তৈরি করেন। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকে তার বড় ছেলে ছানি খন্দকার ওই ঘের পরিচালনা করছেন। তার পর থেকে শৈলকুর বিলে তালতলা গ্রামের মৃত. ইজ্জত আলীর ছেলে ইয়ার আলী, লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের আলী হোসেন মেম্বর, আলী হোসেন মম্বেরের ছেলে জুয়েল ও জুলু, মাগুরা গ্রামের মৃত. মোহর আলীর ছেলে রাজু, মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে কামরুজ্জামান, তালতলার তৈয়ব আলী, জিয়াদ আলী, থানাঘাটার কামাল হোসেন, কৈখালীর ইকবাল হোসেন, রতফা, ইমান আলী, মহরম আলী, খেজুরডাঙ্গার সাজু অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য ঘের করেছে। অপরিকল্পিত ভাবে ঘের করার কারনে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। আমি এলাকাবাসীর দুভোর্গ নিরশনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

মাগুরা গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক সালমা খাতুন জানান, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না করে অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য ঘের করার কারনে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ৪ থেকে ৫ মাস আমাদের ঘরের মধ্যে পানি জমে স্থায়ী জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতার কারনে পানি বাহিত ঘা-পাচড়া, চুলকানিসহ পানিবাহিত রোগ হচ্ছে। এছাড়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, বিষাক্ত পোকা-মাকড় ও সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এক কথায় পানি বন্ধি অবস্থায় শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নারীদের সব সময় ঘর-বাড়িতে থাকতে হয়। এঅবস্থায় নারী ও শিশুরা বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় একজন নারী। তাই নারী, শিশু ও জনগণের চরম দুর্ভোগ জলাবদ্ধা থেকে বাঁচাতে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত বলেন, শৈলকুর বিলের পানি সরানো জন্য আমি স্থানীয় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান কে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিচ্ছি, উনি মৎস্য ঘের মালিক ও গ্রামবাসীদের নিয়ে আলোচনা করে জলাবদ্ধতার পানি সরানোর ব্যবস্থা করবেন। যদি চেয়ারম্যান ব্যর্থ হয় আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পানি অপসারণ করবো।

Ads small one

দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সমাজের দুস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা ও জীবিকায় সাহায্যার্থে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।
রোববার (২৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় তালা উপজেলার মির্জাপুর বাজারে কাদের বক্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে নগদ টাকা ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. আলাউদ্দিন মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “ধনী মানুষের সম্পদের ভেতরে আল্লাহ তাআলা গরিবের হক রেখে দিয়েছেন। আজকের সমাজে যদি জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু থাকত, তাহলে কোনো গরিব খুঁজে পাওয়া যেত না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ১০ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষকে ১টি করে ছাগল এবং ১ জনকে চায়ের দোকান দেওয়ার জন্য নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ছাগলপ্রাপ্তরা হলেন বারাত গ্রামের মো. আব্দুল মজিদ ও মোসাঃ সাজেদা বেগম, কুমিরার ফাতেমা বেগম, মদনপুরের আছিয়া বেগম, ভাগবা গ্রামের শিরিনা বেগম, সেনপুরের মফিজুর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ, নোয়াকাটির নিসার আলী এবং জামাল উদ্দিন। এছাড়া চায়ের দোকান করার জন্য হাজরাপাড়ার কামরুল ইসলামকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, ভিডিএফের জেলা সভাপতি ডা. আফতাব উদ্দীন, তালা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহ, সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নাজমুল হক খান, কুমিরা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার বকুল, সেক্রেটারি মাওলানা তরিকুল ইসলাম, মাস্টার মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ছাত্রনেতা জুবায়ের, সমাজসেবক আল মামুন, ডা. আবু হোসেন ও মতিউর রহমান।

 

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির বর্তমান ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রত্যাখান করে একযোগে পদত্যাগ করেছেন ৮ জন শীর্ষ নেতা। পদত্যাগকারীরা হলেন কার্যকরী সভাপতি শেখ সাঈদ আহমেদ রঞ্জু, সহ-সভাপতি মো. জিয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুজ্জামান বাবলু, এবং কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে আব্দুল মোমেন খান চৌধুরী (সান্টু), মো. আবু হাসান, মো. নুরুজ্জামান জামু, শেখ শাহাজাহান আলী ও মো. দেলোয়ার হোসেন সুজন।
রবিবার (২৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পদত্যাগপত্রটি সমিতির সাধারণ সম্পাদক বরবোর ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
পদত্যাগকারী নেতাদের অভিযোগ, গত ২৯ নভেম্বর সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের সুবিধাজনক ব্যক্তিদের নিয়ে ৯ সদস্যের একটি পৃথক কমিটি গঠন করে খুলনা শ্রম অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন করিয়ে আনেন। বিষয়টি নিয়ে বারবার আপত্তি জানানো হলেও কোনো সমাধান করা হয়নি। এছাড়া অনুমোদিত কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তার নিজস্ব কোনো ট্রাক নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব অসাংগঠনিক কর্মকা-ের প্রতিবাদেই তারা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরে কুশপুত্তলিকা দাহ

পত্রদূত রিপোর্ট: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে আন্দোলন অব্যাহত আছে। সংসদ সদস্য পদ থেকে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো শ্যামনগরে রোববার বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বাবলাতলা মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। এ সময় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঠিকাদার মো. শামসুদ্দোহা। বক্তব্য দেন রবিউল ইসলাম, আবদুস সালাম, মফিজুল ইসলাম, মো. রাসেল প্রমুখ।
মফিজুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের নৈতিক প্রত্যাশা ও সংসদ সদস্যের পদমর্যাদার কথা বিবেচনায় নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত। একই সঙ্গে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।
অন্য বক্তরা বলেন, শ্যামনগরের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, গাজী নজরুল ইসলামকে ইতিমধ্যে শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি দ্রুত সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে শ্যামনগর অচল কর্মসূচির পাশাপাশি জেলার সব উপজেলায় একযোগে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
গত সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। তবে পরদিন গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে নানা বিতর্ক ও নির্বাচনী এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলার মধ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জরুরি সভায় বসে গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না।