সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ আমের দামে ধস ও আম চাষীদের ভাগ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ আমের দামে ধস ও আম চাষীদের ভাগ্য

oppo_0

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি ফল চাষ, যার বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে আম। তবে চলতি মৌসুমে শার্শার ঐতিহ্যবাহী বেলতলা আম বাজারের যে চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাজারে আমের ফলন ভালো হলেও দামের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন ধস নেমেছে। হিমসাগর, ল্যাংড়া বা গোবিন্দভোগের মতো প্রিমিয়াম জাতের আম বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা মণ দরে।

 

যেখানে সার, কীটনাশক, পরিবহন ও শ্রমিকের চড়া মজুরির কারণে উৎপাদন খরচই এর চেয়ে অনেক বেশি, সেখানে এই পানির দরে আম বিক্রি করতে হওয়া চাষীদের পিঠে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়ার শামিল। প্রশ্ন উঠেছে, অনুকূল আবহাওয়ায় বাম্পার ফলন কি তবে এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াল?
কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু শার্শা উপজেলাতেই ১ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হচ্ছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার চাষী এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অথচ মৌসুমের এই ভরা সময়ে বাজারে বাইরের পাইকারদের দেখা নেই।

 

কৃষকদের অভিযোগ, বাজার ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও দূরদর্শিতার অভাবই এই সংকটের মূল কারণ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা যেখানে ঈদের আগে প্রতি মণ আম ১৬০০ থেকে ৩৬০০ টাকায় বিক্রির দাবি করছেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ বিপরীত। কর্মকর্তাদের এই চশমা-পরা আশাবাদ ও মাঠের বাস্তবতার মধ্যকার দূরত্ব প্রমাণ করে যে, বিপাকগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কার্যকর কোনো উদ্যোগ প্রশাসনের নেই।

বাজার বিশ্লেষক ও কৃষি-সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন, মৌসুমের শুরুতে কিছু অতিমুনাফালোভী ব্যবসায়ীর অপরিপক্ক ও কেমিক্যালযুক্ত আম বাজারজাতকরণের ফলে সাধারণ ভোক্তারা আম কেনায় আগ্রহ হারিয়েছেন, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ সৎ চাষীদের। তবে এর চেয়েও বড় সত্য হলো হিমাগারের অভাব এবং সঠিক বিপণন ও পরিবহন চেইনের দুর্বলতা। আম একটি পচনশীল ফল। একে বেশিদিন ধরে রাখা যায় না বিধায় চাষীরা আড়তদারদের সিন্ডিকেট ও কম দামের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে গ্রামীণ অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। লোকসানের মুখোমুখি হয়ে চাষীরা আম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন, এমনকি অনেকে আমগাছ কেটে ফেলার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন—এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আমরা মনে করি, অবিলম্বে বেলতলাসহ স্থানীয় আম বাজারগুলোর অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে। বহিরাগত পাইকারদের আগমন নির্বিঘœ করতে নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি, সরকারি উদ্যোগে প্রান্তিক চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ন্যায্যমূল্যে আম ক্রয়ের ব্যবস্থা করা এবং দীর্ঘমেয়াদে এ অঞ্চলে ফল সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপন করা দরকার। কৃষকের ঘাম ও শ্রমের মূল্য এভাবে বাজারে ধূলিসাৎ হতে দেওয়া যায় না; কারণ কৃষক বাঁচলেই বাঁচবে দেশের অর্থনীতি।

 

Ads small one

শুরু থেকে থাকছেন না ইয়ামাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
শুরু থেকে থাকছেন না ইয়ামাল

স্পেনের নতুন তারকা লামিনে ইয়ামাল— যাকে পরবর্তী বড় তারকা হিসেবে ভাবা হচ্ছে। এরই মধ্যে নিজের পারফরম্যান্সও দেখাতে শুরু করেছেন তিনি। যদিও আজ (সোমবার) বিশ্বকাপে শুরু থেকে ইয়ামালের অভিষেক হচ্ছে না। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্পেন। চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠলেও এই ম্যাচে শুরুর একাদশে থাকছেন না তারকা ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করেছেন তাদের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

গত ২২ এপ্রিল বার্সেলোনার হয়ে খেলার সময় চোট পান এই ইয়ামাল। এরপর থেকেই ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লড়াই চালাচ্ছিলেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার। চোটের কারণে গত সপ্তাহে মেক্সিকোর বিপক্ষে স্পেনের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচেও মাঠে নামতে পারেননি ইয়ামাল।

আজ শুরুর একাদশে ইয়ামাল না থাকলেও ম্যাচে নামানো হবে বলে জানিয়েছেন স্পেনের কোচ। রবিবার (১৪ জুন) আটলান্টায় এক সংবাদ সম্মেলনে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো খবর হলো লামিন এখন ভালো অবস্থায় আছে। আমরা তাকে ঠিক যেভাবে দেখতে চেয়েছিলাম, সেভাবেই ফিরে পেয়েছি। তবে সে পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো অবস্থায় না থাকলেও, ম্যাচের কিছু অংশে অবশ্যই খেলতে পারবে। ডাক্তাররাও সবুজ সংকেত দিয়েছেন।’

২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার হয়ে ৪৫ ম্যাচ খেলে ২৪ গোল ও ১৭ অ্যাসিস্ট করেছেন ইয়ামাল। স্পেনের জার্সিতে ২৫ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন এই তারকা।

হাম ও উপসর্গে ঝরলো আরও ৪ প্রাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
হাম ও উপসর্গে ঝরলো আরও ৪ প্রাণ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে তিন জন উপসর্গ নিয়ে আর একজন হামের আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৯৭২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত মোট ৮৬ হাজার ৯২৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১০ হাজার ৩৮৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭১ হাজার ৪৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৭৮ জন।

 

কলারোয়ায় স্কাউটস এর নির্বাহী কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় স্কাউটস এর নির্বাহী কমিটির সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় স্কুল পর্যায়ে স্কাউটস কর্মকা-ে গতিশীলতা ফেরাতে নির্বাহী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ স্কাউটস কলারোয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে নির্বাহী কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্কাউটস এর উপজেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও স্কাউটস এর কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাস, স্কাউটস এর উপজেলা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ আমান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হরিসাধন ঘোষ, প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল, প্রধান শিক্ষক আব্দুল আলিম, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী, প্রধান শিক্ষক শেখ নুরুল্লাহ, প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেব, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আলমগীর হোসেন, সহকারী শিক্ষক আনারুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক আরিফুজ্জামান কাকন, সহকারী শিক্ষক স্বপন কুমার চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক কামরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক আরশাদ আলী, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক সহকারী শিক্ষক মর্জিনা খাতুন প্রমুখ।

 

সভায় কলারোয়ার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট দলকে সুসংগঠিত ও অধিকতর কার্যকরী করার লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়।

 

এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একাধিক প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্প পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ স্কাউটস কলারোয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মনিরুজ্জামান।