বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আওতায় জেলার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। রোববার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ১০ মে পর্যন্ত মোট ১১ কর্মদিবস ব্যাপী এই ক্যাম্পেইন চলবে। জেলার ৭৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার সাতটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় টিকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে- শ্যামনগরে: ৩৫,১২৮ জন, সাতক্ষীরা সদরে: ৩১,১৮৭ জন, তালায়: ২৭,০৮৩ জন, কালিগঞ্জে: ২৫,৭০৮ জন, কলারোয়ায়: ২২,৭১৪ জন, আশাশুনিতে: ১৯,৫৭২ জন, দেবহাটায়: ১১,৪৬২ জন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভায় : ৫,৯৬১ জনক ।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের প্রথম ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে (বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র) এবং শেষ ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা. রাশেদ উদ্দিন মৃধা জানান, যে সকল শিশু আগে হামের টিকা পেয়েছে কিংবা সম্প্রতি হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে থাকলে তাদেরও এই টিকা নিতে হবে। তবে পূর্ববর্তী টিকা প্রদানের পর অন্তত ২৮ দিন পার হলেই কেবল একটি শিশু পুনরায় এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হাম ও রুবেলার ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান ও জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট শেখ আব্দুল বাকীসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

Ads small one

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের প্রত্যাশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের প্রত্যাশা

অনলাইন ডেস্ক: মোংলা বন্দর, সুন্দরবন, নৌঘাঁটি এবং প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সফরের পর বন্দর সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল, এলএনজি টার্মিনালসহ দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গতি আসবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

 

বৃহস্পতিবার সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা পর্যালোচনে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। হেলিকপ্টার ও জলযানে খুলনা, সুন্দরবন এবং উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে যান। সেখানে নৌবাহিনী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় পৌঁছান। তিনি বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। পরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে যান। সফর শেষে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা ত্যাগ করেন।

 

পরিদর্শনের পথে সড়কের দুই পাশে অপেক্ষমাণ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়ে স্থানীয় অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মোংলা ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আশা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ড্রেজিং ও অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণসহ আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এ অঞ্চলে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

 

স্থানীয়দের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, অবকাঠামো এবং মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

সফরকালে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিপ আহমেদ মোস্তফা, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম এবং নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সকালে সুন্দরবন পরিদর্শনের পর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। সেখান থেকে নৌপথে বানৌজা মোংলায় যান। পুরো সফরজুড়ে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন রেখে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

বাগেরহাটের স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ফলে এ অঞ্চলে বিনিয়োগের গতি বাড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরিতেও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

যদিও স্থানীয়দের প্রত্যাশা অনেক, তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর অনুমোদন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর অগ্রগতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আশাশুনিতে জামায়াতের দায়িত্বশীল ও প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জামায়াতের দায়িত্বশীল ও প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন দায়িত্বশীল ও স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর দুপুরে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা আমির ও আশাশুনি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা সহ-সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাড. আব্দুস সোবহান মুকুল ও মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দরদি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দরদি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দরদি’-এর ২০২৬-২৭ মেয়াদের ১২৯ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় দেবহাটা প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনটির কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা ও সরকারের যুগ্মসচিব আবুল হাসান।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি নাসিম হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান, দৈনিক দৃষ্টিপাতের নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্লা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বলসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

নবগঠিত কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়ন পাল সভাপতি এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুদ শাহরিয়ার রাকিব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।