বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আওতায় জেলার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। রোববার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ১০ মে পর্যন্ত মোট ১১ কর্মদিবস ব্যাপী এই ক্যাম্পেইন চলবে। জেলার ৭৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার সাতটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় টিকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে- শ্যামনগরে: ৩৫,১২৮ জন, সাতক্ষীরা সদরে: ৩১,১৮৭ জন, তালায়: ২৭,০৮৩ জন, কালিগঞ্জে: ২৫,৭০৮ জন, কলারোয়ায়: ২২,৭১৪ জন, আশাশুনিতে: ১৯,৫৭২ জন, দেবহাটায়: ১১,৪৬২ জন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভায় : ৫,৯৬১ জনক ।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের প্রথম ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে (বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র) এবং শেষ ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা. রাশেদ উদ্দিন মৃধা জানান, যে সকল শিশু আগে হামের টিকা পেয়েছে কিংবা সম্প্রতি হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে থাকলে তাদেরও এই টিকা নিতে হবে। তবে পূর্ববর্তী টিকা প্রদানের পর অন্তত ২৮ দিন পার হলেই কেবল একটি শিশু পুনরায় এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হাম ও রুবেলার ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান ও জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট শেখ আব্দুল বাকীসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।