Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আগামীকাল  ১ লাখ ৭৮ হাজার  শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আওতায় জেলার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। রোববার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগামী ১০ মে পর্যন্ত মোট ১১ কর্মদিবস ব্যাপী এই ক্যাম্পেইন চলবে। জেলার ৭৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার সাতটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় টিকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে- শ্যামনগরে: ৩৫,১২৮ জন, সাতক্ষীরা সদরে: ৩১,১৮৭ জন, তালায়: ২৭,০৮৩ জন, কালিগঞ্জে: ২৫,৭০৮ জন, কলারোয়ায়: ২২,৭১৪ জন, আশাশুনিতে: ১৯,৫৭২ জন, দেবহাটায়: ১১,৪৬২ জন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভায় : ৫,৯৬১ জনক ।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের প্রথম ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে (বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র) এবং শেষ ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা. রাশেদ উদ্দিন মৃধা জানান, যে সকল শিশু আগে হামের টিকা পেয়েছে কিংবা সম্প্রতি হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে থাকলে তাদেরও এই টিকা নিতে হবে। তবে পূর্ববর্তী টিকা প্রদানের পর অন্তত ২৮ দিন পার হলেই কেবল একটি শিশু পুনরায় এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হাম ও রুবেলার ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান ও জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট শেখ আব্দুল বাকীসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে দুটি বন্দুক ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে দুটি বন্দুক ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৪

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকা হতে ২টি একনলা পুরাতন দেশীয় বন্দুক ও ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর থানার এলাকা হতে ৪০৯ বোতল উইনসেরেক্স কাশির সিরাপসহ ২জন এবং কলারোয়া থানার এলাকা হতে ৫০পিস ইয়াবাসহ ১জনকে আটক করা হয়। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার রবিবার (১৯ এপ্রিল) মর্ণিং রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

মর্ণিং রিপোর্টের তথ্যানুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানায় ৪জন, কলারোয়া থানায় ১জন, শ্যামনগর থানায় ৫জন এবং আশাশুনি থানায় ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

৩০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, নির্মূল রোগও ফিরে আসার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
৩০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, নির্মূল রোগও ফিরে আসার শঙ্কা

দেশে অন্তত ৩০ লাখ শিশু বর্তমানে ১১টি মারাত্মক সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। মূল কারণ—নিয়মিত টিকা না পাওয়া বা দেরিতে টিকা পাওয়া। এর মধ্যে পোলিও ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ একসময় পুরোপুরি নির্মূল হয়েছিল। হাম, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও রাতকানা রোগ নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে ছিল। এছাড়া যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-বি এবং নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া টিকার কারণে নিয়ন্ত্রণে ছিল।
সম্প্রতি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত দেড় বছর ধরে দেশের শিশু টিকাদান কর্মসূচি ভঙ্গুর অবস্থায় চলেছে। ফলে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই সংকটের তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:

১. টিকা কেনায় সংকট
২. সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা
৩. স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলনের কারণে মাঠ পর্যায়ে টিকাদান ব্যাহত

হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় টিকার ঘাটতি নিয়ে এখন ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ঠিকমতো টিকা দিতে না পারার কারণেই হাম ফিরে আসছে। তিনি বলেন, “টিকা সরবরাহ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, গত চার-পাঁচ বছরে টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা প্রতি বছর জন্ম নেওয়া শিশুর সমান বা তারও বেশি হয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩৪ লাখ শিশু জন্ম নেয়। সে হিসেবে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা অন্তত ৩০ লাখে পৌঁছেছে।

জনস্বাস্থ্য ও টিকা বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম এ বারী বলেন, “আগে প্রতি বছর দুই থেকে তিন লাখ শিশু টিকার আওতার বাইরে থাকত। গত বছর এ সংখ্যা অনেক বেড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছরে অন্তত একটি বড় ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এ ঘাটতি পূরণ করার কথা, কিন্তু তা হয়নি। ফলে অরক্ষিত শিশুর সংখ্যা ৩০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, টিকা না পাওয়া বা দেরিতে পাওয়ার কারণে আগে নির্মূল হওয়া পোলিও ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার আবার ফিরে আসতে পারে। নির্মূলের পথে থাকা ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও রাতকানা রোগও বাড়তে পারে। এছাড়া যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-বি ও নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার মতো রোগও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিন বছরে ২৫ লাখের বেশি শিশু টিকা পায়নি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ড্যাশবোর্ডের তথ্য অনুসারে:

– ২০২৫ সালে টিকাদানের হার মাত্র ৫৯.৬০ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৬২৯ শিশু। ফলে প্রায় ১৬ লাখ ৬৮ হাজার শিশু টিকা পায়নি।
– ২০২৪ সালে টিকাদানের হার ৮৬.৭ শতাংশ, বঞ্চিত শিশু ৫ লাখ ৪৮ হাজার।
– ২০২৩ সালে টিকাদানের হার ৯৩.৬ শতাংশ, বঞ্চিত শিশু ২ লাখ ৬৮ হাজার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষ্যমাত্রা প্রকৃত শিশুর সংখ্যার চেয়ে কম ধরা হয় বলে শতভাগের বেশি দেখানো হয়। বাস্তবে টিকার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি বছর আরও প্রায় ৬ লাখ শিশু টিকা নিয়েও অরক্ষিত থাকে।

ইপিআইয়ের সদ্য ওএসডি হওয়া উপপরিচালক ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, ড্যাশবোর্ডের তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি কারণ স্বাস্থ্য সহকারীদের বেতন বকেয়া থাকায় তথ্য আপডেট ব্যাহত হয়েছে। পরবর্তীতে ওই তথ্য ড্যাশবোর্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালে সার্বিক টিকাদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি ছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা এ দাবিকে অসংগত বলে মনে করেন।

হামের প্রাদুর্ভাব ও জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, “বর্তমানে দেশে হামের বড় প্রাদুর্ভাব চলছে। হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত এবং শত শত শিশু মারা গেছে। প্রকৃত সংখ্যা সরকারি তথ্যের চেয়েও বেশি হতে পারে, কারণ অনেকে হাসপাতালে আসে না।”

তিনি বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা জরুরি। টিকা না পাওয়া শিশুরা শুধু নিজেরাই ঝুঁকিতে থাকে না, বরং অন্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ায়। একজন আক্রান্ত শিশুর থেকে ১৭-১৮ জনের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারে।

টিকা কর্মসূচি ব্যাহতের কারণ
– অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অপারেশন প্ল্যান (ওপি) হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
– নতুন প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ ছাড় ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব।
– বাজেট ও ক্রয় পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তন।
– স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলন ও বেতন বকেয়া।
– টিকা সরবরাহ ও মাঠ পর্যায়ে জনবলের অভাব।

ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইনও বন্ধ
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিশুদের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন বন্ধ রয়েছে। বছরে দুবার এ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত দুই বছরে মাত্র দুবার হয়েছে। ফলে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বেড়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মঞ্জুর আল মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, “ভিটামিন-এ শিশুদের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ কর্মসূচি ব্যাহত হলে দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টিহীনতা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।”

সংকটের মধ্যেও টিকার অপচয়

২০২৫-২৬ সালের প্রথম তিন মাসের তথ্য অনুসারে, বিভিন্ন টিকায় ৫ থেকে ২৮ শতাংশ ঘাটতি ছিল। একই সঙ্গে ভায়াল খুলে অপচয়ের হার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বর্তমান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে দেশের অনেক এলাকায় টিকা আছে কিন্তু কর্মী নেই, আবার কোথাও কর্মী আছে কিন্তু টিকা নেই। ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৭ জেলায় স্বাস্থ্য সহকারীদের প্রায় ৪৫ শতাংশ পদ খালি। টিকাকেন্দ্র রয়েছে প্রায় দেড় লাখ, কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবে কর্মসূচি পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি পুনরুদ্ধার, ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন চালু এবং টিকাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন চালানো না হলে দেশে পোলিও, ধনুষ্টংকারসহ বিভিন্ন নির্মূলকৃত রোগ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, জিলকদ শুরু ২০ এপ্রিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, জিলকদ শুরু ২০ এপ্রিল

বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও ১৪৪৭ হিজরি সনের জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে পবিত্র শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রোববার (১৯ এপ্রিল) শাওয়াল মাসের সমাপ্তি ঘটবে। সে হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে জিলকদ মাস গণনা শুরু হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।

সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সব তথ্য বিশ্লেষণ করে চাঁদ দেখা না যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এই ঘোষণা দেয়।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক মো. শাহীন হোসেন, প্রধান তথ্য অফিসার ইয়াকুব আলী, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. খোরশেদ আলম খান, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওয়ারেছ আনসারী, চরমোনাই আহছানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী ও জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার উপাধ্যক্ষ আবদুল গাফফারসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।