বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরার কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ও পাল্টা দাবির বিশ্লেষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ও পাল্টা দাবির বিশ্লেষণ

গাজী ফারহাদ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কৃষি বিভাগের বৃক্ষরোপণ ও কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কয়েক দিন ধরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি বরাদ্দের তুলনায় কৃষকদের কম পরিমাণ জৈব সার এবং নি¤œমানের বাঁশের খুঁটি বিতরণ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সদ্য যোগদান করা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র।

এঘটনায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং থেকে পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ শুভ্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। পৃথকভাবে খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আঞ্চলিক কার্যালয় প্রধান রফিকুল ইসলাম।
কী নিয়ে অভিযোগ?

গত ২৯ জুন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় রোপা আমন ধানের বীজ ও সার, বিভিন্ন সবজির বীজ, নারিকেলের চারা, বাঁশের খুঁটি ও জৈব সার কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এর কয়েক দিন পর গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি নির্দেশনায় প্রতিজন কৃষকের জন্য ১৫০ কেজি গোবর সার বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৪০ কেজি সার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি খুঁটির সরকারি মূল্য ৫০ টাকা ধরা হলেও কৃষকদের নি¤œমানের বাঁশ সরবরাহ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কৃষকদের কাছ থেকে ১৫০ কেজি সার গ্রহণের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে এবং এতে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ ওঠে।

কী বলছে কৃষি বিভাগ?
অভিযোগের পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর।

তিনি জানান, তিনি ১৬ জুন ২০২৬ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যোগদানের পর সরকারি বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়ম মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

তার ভাষ্য, কৃষি উপকরণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের প্রতিটি ধাপ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। এমন ক্রয়ের ব্যাপারে বরাদ্দের ১০ শতাংশ ঠিকাদার পাবেন, এছাড়া ভ্যাটও রয়েছে। তবে সে সব ব্যয় আড়াল করে প্রতিবেদনে অনুমান নির্ভর ব্যয় উপস্থাপন করা হয়েছে।

১৫০ কেজি গোবর না-কি ৪০ কেজি কম্পোস্ট?
অভিযোগের অন্যতম বিষয় ছিল জৈব সার বিতরণ। কৃষি বিভাগের দাবি, প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থমূল্যের সমপরিমাণ কৃষি উপকরণই বিতরণ করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে খোলা গোবর সার সহজলভ্য না থাকায় সমমূল্যের ৪০ কেজির এসিআই কোম্পানির জৈব সার (ট্রাইকো কম্পোস্ট) সরবরাহ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের দাবি অনুযায়ী, এটি আর্থিক মূল্যের দিক থেকে সরকারি বরাদ্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অন্যদিকে অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সরকারি নথিতে যদি নির্দিষ্টভাবে ১৫০ কেজি গোবরের কথা উল্লেখ থাকে, তাহলে তা পরিবর্তনের অনুমোদন ছিল কিনা। তবে কৃষি অফিস বলছে, গোবর না পাওয়া যাওয়ায় সেই পরিমাণ অর্ধ ব্যয় করে অন্য সার দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা কৃষি প্রণোদনা কমিটির রেজুল্যেশনে তা অনুমোদিত হয়েছে।

বাঁশের খুঁটি নিয়ে বিতর্ক
প্রতিবেদনে নি¤œমানের বাঁশ সরবরাহের অভিযোগ তোলা হলেও কৃষি বিভাগের দাবি, দরপত্র ও ক্রয় প্রক্রিয়া এককভাবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পন্ন করেননি। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ক্রয় কমিটিতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ একাধিক সদস্য ছিলেন। ফলে কোনো ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

সদ্য যোগদান করা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
কৃষি বিভাগের একটি অংশের দাবি, বর্তমান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাত্র কয়েক দিনের জন্য দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন পূর্ববর্তী কর্মকর্তা মনির হোসেন। স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনেও দাবি করা হয়েছে, নতুন কর্মকর্তাকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

বর্তমান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, তিনি যোগদানের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তার দাবি, তিনি কোনো অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং বিষয়টি তদন্তেই স্পষ্ট হবে।

প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি প্রকল্পে কোনো উপকরণ পরিবর্তন করা হলে তার লিখিত অনুমোদন, কারিগরি যুক্তি এবং আর্থিক সমন্বয়ের নথি থাকতে হবে। আবার অনিয়মের অভিযোগও কেবল সংবাদ বা সামাজিক আলোচনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় না। নিরপেক্ষ তদন্তই প্রকৃত সত্য নির্ধারণ করতে পারে।

গাজী ফারহাদ: সাংবাদিক

 

Ads small one

মাধক বিক্রেতাসহ সকল অপরাধীকে আইনের সোপর্দ করুন: ওসি শামীম আহমদ খান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
মাধক বিক্রেতাসহ সকল অপরাধীকে আইনের সোপর্দ করুন: ওসি শামীম আহমদ খান

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাপ্তাহিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) সকালে আশাশুনি থানা চত্বরে আয়োজিত প্যারেডে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

প্যারেডে উপস্থিত গ্রাম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ হচ্ছে পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী বাহিনী। গ্রামের প্রতিটি এলাকায় তাদের উপস্থিতি থাকায় যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার সুযোগ থাকে। তাই প্রত্যেক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, জুয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রম কিংবা যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ডের তথ্য গোপন না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে থানাকে জানাতে হবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন।

গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে। যারা দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দেবেন এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করবেন, তাদের সর্বোচ্চ নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হবে। এসময় নবাগত ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দাস, সেকেন্ড অফিসার এসআই রশিদুজ্জামান সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

শ্যামমগরের নওয়াঁবেকি ফেরিঘাট থেকে ট্রাক ও চালকসহ ৭০ বস্তা ঝিনুক আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
শ্যামমগরের নওয়াঁবেকি ফেরিঘাট থেকে ট্রাক ও চালকসহ ৭০ বস্তা ঝিনুক আটক

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): বন বিভাগের অভিযানে শ্যামনগর উপজেলার নওয়াঁবেকি ফেরিঘাট এলাকা থেকে ৭০ বস্তা অবৈধ ঝিনুকবোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ট্রাকের চালককে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন বিভাগের সদস্যরা নওয়াঁবেকি ফেরিঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৭০ বস্তা অবৈধ ঝিনুক উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঝিনুক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ এবং চালককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার মৌজে শেখের ছেলে রিপন শেখ (৩০)।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ইরফান উদ্দিন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে পরিবহন করা ৭০ বস্তা ঝিনুক উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ঝিনুক ও জব্দকৃত ট্রাক বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বন আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের করে আসামি কে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে বনজ ও জলজ সম্পদ আহরণ, পরিবহন ও পাচারের বিরুদ্ধে বন বিভাগের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

স্থানীয়রা বন বিভাগের এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় অবৈধ ঝিনুক আহরণ ও পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

শ্যামনগরে কিশোরীদের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে কিশোরীদের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর সার্ভিস এন্ড ভিশনফর এডিফাই (সেভ) এর উদ্যোগে এবং বান্ধব ডেনমার্ক ও সিআইএসইউ এর সহযোগিতায় ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশিল কিশোরদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের আওতায় শ্যামনগরে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুলাই সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠানে সেভ এর নির্বাহী পরিচাল আয়শা সিদ্দিকার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।

 

আয়শা সিদ্দিকা স্বাগত বক্তব্যে কর্মশালার লক্ষ্য উদ্দেশ্য এবং প্রকল্পের মূল লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা রিপটার্স ইউনিটের সভাপতি গাজী আল ইমরান, গোবিন্দপুর কলেজের প্রিন্সিপল গাজী শফিকুর রহমান, ভুরুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, কাঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, বুড়িগোয়ালিনি ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

 

এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ও সেভ এর সদস্যসদস্যাগণ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক ব্যাস্থাপনায় ছিলেন প্রোজেক্ট ম্যানেজার ফারুক আহম্মেদ।