রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরার পরানদহে ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার পরানদহে ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

পত্রদূত রিপোর্ট: ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হিন্দুদের বসত ভিটা ও ফসলীয় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরার সাতক্ষীরা সদরের পরানদহ হরিতলায় এ ঘটনা ঘটে। জবরদখলের চেষ্টাকালে বাধা দিলে সংখালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়।

সদর উপজেলার পরানদহা হরিতলা এলাকার মাখন লাল সরদার জানান, তাদের পূর্বপুরুষ কেদার সরদারের চার ছেলে ছিল। এদের মধ্যে রাজেন্দ্র সরকার ১৯৬৫ সালে স্বপরিবারে ভারতে চলে যান। তার ফেলে রেখে যাওয়া জমি ১৯৬৫ সালের ৮ এপ্রিল ভারতীয় নাগরিক ছুকু বিশ^াসের স্ত্রী সুশীলা বিবি ও ফকির বিশ^াস একটি অনিবন্ধিত বিনিময় দলিলমূলে পরানদহ ও জগন্নাথপুর মৌজায় তিন একর ৭৪ শতক জমি দাবি করে আসছিলেন।

 

ওই জমির মধ্যে মোকলেম গাজী সাড়ে তিন বিঘা জমি সুশীলা বিবির কাছ থেকে খরিদ করেন। একই ব্যক্তির কাছ থেকে রহমান ও মজিদ সাড়ে ১৬ শতক জমি কেনেন। বিনিময় দলিলের বৈধতা না থাকলেও ঝামেলা এড়াতে ও বসবাসের সুবিধার্থে রাজেন্দ্র সরকারের ভাই অঘোর সরকার, তার ছেলে অধীর সরদার, সুধীর সরদার, ঘনশ্যাম সরদার বিনিময় দলিল মূলে দাবিদার সুশীলা বিবি ও শুকুর আলীর স্ত্রী সামছুন্নাহার বেগমের কাছ থেকে ১৯৬৮, ১৯৭০, ১৯৭৯ ও ১৯৮০ সালে চারটি দলিল মূলে সাড়ে ৬৫ শতক জমি কিনে ভোগ দখল করতে থাকেন।

 

ফকির বিশ^াস ও তার ছেলে আবু বক্কর এ দেশে না থকেলেও তার দুই মেয়ে ওয়ারেশ সূত্রে পিতার সব সম্পত্তির মালিক হিসেবে দাবি করতে থাকে তাদের ছেলে শুকুর আলী ও হযরত আলী। বিনিময় দলিল বৈধ না হওযায় এসএ রেকর্ড ও বিআরএস রেকর্ডে ওই জমি অঘোর সরদার, সুরেন্দ্রনাথ সরদার, অধীর সরদার, সুধীর সরদার, কার্তিক সরদার ও কৃষ্ণপদ সরদার, ভদ্রমোহন, কৃষ্ণপদ ও নিরাপদ সরদারসহ কয়েকজনের নামে হয়। বর্তমানে ওই জমিতে পাট, পটল, কঢ়ুরমুখি ও ওলসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি তাদের লাগিয়েছেন তারা।

মাখন লাল সরদার আরো জানান, ভারতে বসবাসকারি রাজেন্দ্র সরদারের কাছ থেকে (বিনিময় দলিলের জমি) ১৯৬৭ সালে ৩৯ শতক জমি সোলে ও ডিক্রি মুলে কিনেছেন মর্মে দাবি করেন জগন্নাথপুর গ্রামের সোনা কাজীর ছেলে খোকন কাজী। এ ছাড়াও কিছু জমি বন্দক হিসেবে দাবি করেন পরানদহের তমিজউদ্দিন মিস্ত্রীসহ কয়েকজন। ফলে সহকারি কমিশনারের (ভূমি) আদালতে বিনিময় দলিল সম্পূর্ণ বাতিল বলে গণ্য হয়।

 

এরপরও অনিবন্ধিত বিনিময় দলিলমূলে ফকির বিশ^াসের নাতি শুকুর আলী বিশ^াস তাদের রেকডীয় ৩৫ শতক জমি দাবি করে আসছিল ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর। গত বছর তাদের কাটা ধান শুকুর আলীর লোকজন জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে মারপিটের ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় বসাবসি হয়। আদালতের আদেশ ছাড়া শুকুর আলী ও তাদের লোকজনদের ওই জমিতে যাওয়া যাবে না বলে আপোষনামায় উল্লেখ করা হয়।

 

এরপর গোলাম হোসেনের ছেলে আবুল হোসেনে বিশ^াস, আব্দুস সালাম বিশ^াস, শুকুর আলী মোল্লা, হযরত আলীসহ ১০জন বাদি হয়ে গত ২৫ জানুয়ারি তাকে (মাখন) সুধীর সরকার, লক্ষণ সরকারসহ ১৯জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার সদর সিভিল সহকারি জজ আদালতে ৪৯/২৬ নং মামলা দায়ের করেন। আগামি ৬ ডিসেম্বর বিবাদীপক্ষের জবাব দেওয়ার জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

মাখন লাল সরদার আরো জানান, তাদের দখলীয় ও রেকডীয় ৩৩৯ ও ৩৪০ দাগের ৩৫ শতক জমি শুকুর আলী ও তার ছেলে সায়েম ও নাতি প্রান্ত দখল নেওয়ার চেষ্টা করলে এ নিয়ে থানা, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয়ভাবে বসাবসি হয়। রেকর্ডের বাইরে যেয়ে জমি কেউ মালিকানা দাবি করলে তা সঠিক হবে না মর্মে শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানসহ থানা থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপরও ৩৫ শতক জমির পরিবর্তে তারা আট লাখ টাকা দাবি করে আসছিল। বাধ্য হয়ে তারা রবিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্্েরট আদালতে শুকুর আলীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ১৪৫ ধারায় একটি পিটিশন মামলা করেন। এ খবর জানতে পেরেই শুকুর আলী, সামাদ, সায়েম ও প্রান্তের নেতৃত্বে সোমবার সকাল ৭টার দিকে ৫০/৬০ জন লাঠিয়াল বাহিনী একজন আমিন নিয়ে এসে জমির নিশানা করতে আসে। তারা বাধা দিলে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজন চলে আসায় লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্যরা চলে যায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সার্ভেয়র শিয়ালডাঙা গ্রামের মিজানুর রহমান জানান, ওই জমি দাবি করে শুকুর আলীর লোকজন আদালতে মামলা করেছে তা তিনি জানতেন না। শুকুর আলীর ছেলে রবিবার রাতে তাকে মাপার জন্য বলে। তিনি তড়িঘড়ি করে মাপ দিয়েই চলে যাচ্ছেন।

জগন্নাথপুর গ্রামের শুকুর আলী বলেন, ফকির বিশ^াসের ওয়ারেশ হিসেবে তিনি ৩৫ শতক জমি পাবেন মাখন লাল সরদার ও তাদের শরীকদের কাছে। বিনিময় দলিল বৈধতা পায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি তারা ওই জমি নিয়ে দেওয়ানী মামলা করেছেন। এরপরও বিভিন্ন পর্যায়ে বসবসি করে জমি বা টাকা না পাওয়ায় সোমবার সকালে আমিন দিয়ে মেপে জমি দখলে নিতে এসেছেন।

ডশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম জানান, এসএ ও বর্তমান রেকর্ড অনুযায়ি ওই জমি অঘোর সরদার ও তার ভাই ও তাদের ওয়ারেশদের। শুকুর আলীর পক্ষে কাগজপত্রের কোন বৈধতা নেই। দেওয়ানী মামলা করার পর সোমবার যেভাবে লোকজন নিয়ে হিন্দুদের জমি দখল করার চেষ্টা করা হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে কর্তব্যরত অফিসার উপপরিদর্শক পিংকি রানী বিশ^াস জানান, মাখন লাল সরদারের দায়ের করা পিটিশন মামলার কপি কার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে সেটা জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া জবরদখলের চেষ্টা নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে হবে।

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।