বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ আগামরা রোগে শুকিয়ে যাচ্ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ আগামরা রোগে শুকিয়ে যাচ্ছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান বৃক্ষপ্রজাতি সুন্দরী গাছে আগামরা রোগের প্রকোপ বাড়ছে। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, মিঠাপানির প্রবাহ কমে যাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা পরিবেশগত চাপে সুন্দরী গাছের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী গাছের আগামরা রোগ একটি দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশগত সমস্যা। এ রোগের কারণে গাছের পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়, ডালপালা শুকিয়ে যায় এবং ওপরের অংশ থেকে ধীরে ধীরে পুরো গাছটি মারা যায়। ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক এক বহুমাত্রিক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরবনের প্রায় ৩৯ শতাংশ সুন্দরী গাছ এ রোগে আক্রান্ত, যার সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৯৫ লাখ।

২০২৪-২৫ সালে সুন্দরবনের সামগ্রিক প্রতিবেশব্যবস্থা নিয়ে পরিচালিত ‘ইকোলজিক্যাল মনিটরিং অব সুন্দরবন’ শীর্ষক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) ও আরণ্যক ফাউন্ডেশন যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার বন ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ১০ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনেও এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ বৃক্ষপ্রজাতির মধ্যে সুন্দরী অন্যতম। বনের বৃক্ষবিন্যাস, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ গাছের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরী গাছ আগামরা বা টপ-ডাইং রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে বর্তমানে সুন্দরী গাছের সংখ্যা প্রায় ৩৩ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ১২ কোটি ৯৫ লাখ গাছ এ রোগে আক্রান্ত।

গবেষক ও পরিবেশবিজ্ঞানীদের মতে, সুন্দরী গাছের এ সংকটের পেছনে একক কোনো কারণ নেই; বরং কয়েকটি পরিবেশগত পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাব রয়েছে। ফারাক্কা বাঁধসহ উজানে বিভিন্ন কারণে নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কমে যাওয়ায় সুন্দরবনে মিঠাপানির সংকট দেখা দিয়েছে। মিঠাপানির অভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বনের মাটি ও পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে।

প্রতিকূল পরিবেশের কারণে গাছের ভেতরে উপকারী ও ক্ষতিকর ছত্রাকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দুর্বল গাছে সহজেই রোগজীবাণুর আক্রমণ ঘটে। সাম্প্রতিক সময়ে একশ্রেণির অস্বাভাবিক পরজীবী লতা সুন্দরী গাছের মূল কাণ্ড পর্যন্ত জড়িয়ে ধরে রস শোষণ করছে, যা গাছকে দ্রুত দুর্বল করে দিচ্ছে। বনের তলদেশে অতিরিক্ত পলি জমে শ্বাসমূল ঢেকে যাওয়ার ফলে গাছের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত হচ্ছে।

এ রোগের কারণে সুন্দরবনের সামগ্রিক কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের সক্ষমতা ১৫ শতাংশ কমে গেছে। ৩৬ বছরের ব্যবধানে প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরী গাছের চারা গজানোর ঘনত্ব হেক্টরপ্রতি প্রায় ৭১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরী গাছ মূলত মিঠা ও ঈষৎ লবণাক্ত পানিতে ভালোভাবে বাঁচতে পারে। কিন্তু উজান থেকে মিঠাপানির প্রবাহ কমে আসায় সুন্দরবনের সামগ্রিক লবণাক্ততা বাড়ছে। বিশেষ করে বনের সাতক্ষীরা ও খুলনা অংশে এ পরিস্থিতি বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, সুন্দরবন ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এ বনের ভূমিকা অপরিসীম। বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী শুধু জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নয়, স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত। সুন্দরবনে পরজীবী উদ্ভিদের উপদ্রবের বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁরা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এ সমস্যা প্রতিকারে এবং সুন্দরী গাছ রক্ষায় পরজীবী উদ্ভিদ নিয়ে দ্রুত গবেষণা শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সুন্দরী গাছ কমে যাওয়ার শূন্যস্থানে লবণসহিষ্ণু গেওয়া, বাইন ও কেওড়া গাছের বিস্তার বাড়ছে, যা বনের প্রাকৃতিক বিন্যাস বদলে দিচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ও সাম্প্রতিক আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, গত চার দশকে সুন্দরবনে সামগ্রিকভাবে রোগাক্রান্ত গাছের হার ৬ শতাংশ কমেছে। নতুন কিছু এলাকায় সুন্দরী গাছের সংখ্যা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় কার্বন ধারণক্ষমতাও আংশিক পুনরুদ্ধার হচ্ছে। সুন্দরবনের এ প্রাকৃতিক সুরক্ষাকবচ রক্ষায় লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ ও মিঠাপানির প্রবাহ নিশ্চিত করার তাগিদ দিচ্ছেন বন বিভাগ ও পরিবেশবিদেরা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় নির্মিত হলো জনসচেতনতামূলক চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নির্মিত হলো জনসচেতনতামূলক চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’

পত্রদূত ডেস্ক: ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এর কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে সাতক্ষীরায় নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’। ঘাসফড়িং ফিল্মসের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মো. আসিফুল আলম (আসিফ)।

সম্প্রতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পুরাতন সাতক্ষীরাসহ শহরের কয়েকটি স্থানে চলচ্চিত্রটির চিত্রায়ণ সম্পন্ন হয়েছে। এতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহ, উপকারভোগী নির্বাচন এবং কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় ও সহযোগিতা করেছেন জিয়াউল হক (জিয়া), খালেদুর রহমান (বাচ্চু), ছন্দা, মনিরুল ইসলাম (মনির), মনিরা, আফরিন, বিজলি, মিম, তাসমিন, মায়া, মায়মুনা, ফাতেমা, আল-আমিন ও নয়নসহ অনেকে। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যকর্মী, ক্যামেরাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও চিত্রায়ণে সহযোগিতা করেন।

চলচ্চিত্রটির সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছেন শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মশিদুল হক। এ ছাড়া বন্ধন টেলিমিডিয়া ও শিল্পী সংসদ সহযোগিতা করেছে।

পরিচালক মো. আসিফুল আলম জানান, সাধারণ মানুষের কাছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিই চলচ্চিত্রটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় চিত্রায়ণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সুরক্ষা দলের ত্রৈমাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সুরক্ষা দলের ত্রৈমাসিক সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় উপজেলা মানবাধিকার সুরক্ষা দলের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ (রিইব) বাস্তবায়িত এবং জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নেটজ বাংলাদেশ ও বিএমজেডের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘হোপ’ প্রকল্পের আওতায় শহরের পানসি রেস্তোরাঁয় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মানবাধিকার সুরক্ষা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন হোপ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী খালিদ হাসান। সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের জনদুর্ভোগ, নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। আসন্ন উপজেলা সংলাপ সামনে রেখে স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় সম্প্রতি সাতক্ষীরায় শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মানবাধিকার সুরক্ষা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিয়মিত সংলাপ এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সভায় হোপ প্রকল্পের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর রেখা খাতুন, মাহফুজা পারভীন লিপিসহ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মানবাধিকার সুরক্ষা দলের সদস্য ও মানবাধিকারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোমরা বন্দরের শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি: এমপি খালেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ভোমরা বন্দরের শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি: এমপি খালেক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ ও স্থানীয় মানুষের সমস্যা জানতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও মতবিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী কর্মসূচিতে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভোমরা স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।

সকালে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় তাঁদের সমস্যা ও উন্নয়ন প্রত্যাশার কথা শোনেন। পরে শাখরা-কোমরপুর এলাকার বেউলি ব্রিজসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোমরা স্থলবন্দরে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন। চলতি অর্থবছরের মধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

এ ছাড়া শ্রমিকদের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে দুটি পানির ব্যবস্থা, আধুনিক শৌচাগার ও ওয়াশ ব্লক নির্মাণ এবং বন্দরের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মালিক সমিতি, পুলিশ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার কথাও জানান।

মতবিনিময় সভায় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি রাজনৈতিক সহিংসতা, হাসপাতাল ভাঙচুর, সার বিতরণে অনিয়ম ও সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ জাতীয় সংসদে তুলে ধরার কথা বলেন।

বেউলি ব্রিজ পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা, উপজেলা প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল, সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মফিজুল রহমান, জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশা শুনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।