শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল আইএফএসডি ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে স্বাবলম্বী করল আইএফএসডি ফাউন্ডেশন

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের পুনর্বাসন ও টেকসই জীবিকার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে গ্রোওয়েল প্রকল্পের আওতায় আইএফএসডি ভিলেজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান আইএফএসডি ফাউন্ডেশন।

সুন্দরবনসংলগ্ন গাবুরা ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ মাছ ধরা, কাঠ সংগ্রহ ও মধু আহরণের মতো ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ওপর নির্ভরশীল। জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে প্রবেশ করতে গিয়ে অনেকেই বাঘের আক্রমণের শিকার হন। এতে কেউ প্রাণ হারান, আবার কেউ গুরুতর আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন।

এমন তিনটি পরিবারের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করতে গ্রোওয়েল প্রকল্পের আওতায় তিনটি ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে মো. সিদ্দিক গাজীর জন্য “মেসার্স সিয়াম এন্টারপ্রাইজ”, মো. মোবারক গাজীর জন্য “আরিশা এন্টারপ্রাইজ” এবং মো. আতিয়ার গাজীর জন্য “সাজিদা স্টোর” নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিয়মিত আয়ের সুযোগ তৈরি করবে এবং সুন্দরবনের ঝুঁকিপূর্ণ জীবিকার ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফএসডি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারি জেনারেল মো. মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ফাহাদ উজ্জামান খান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আবদুল্লাহ শাহরিয়ার বিজয়, স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিডির প্রতিষ্ঠাতা আশিকুর রহমান এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের সাতক্ষীরা জেলা রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুন্দরবনসংলগ্ন অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা নানা ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই সময়ের দাবি। গ্রোওয়েল প্রকল্প সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।

তারা আরও বলেন, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইএফএসডি ফাউন্ডেশন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের আরও অসহায় ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার আওতায় আনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক পুনর্বাসনই নয়, সুন্দরবনের ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিরাপদ ও টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (০৮ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, বৈকারী, মাদরা এবং কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক/চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, ফাইটার মোরগ এবং এসকুফ সিরাপ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটিালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি হতে ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক করে। বৈকারী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ছয়ঘরিয়া হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানাধীন রাজপুর মাঠ হতে ২৩ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় এসকুফ সিরাপ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৩ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে আমজাদ হোসেন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের করুন মৃত্যু হয়েছে। নিহত বৃদ্ধ উপজেলার আলতাপোল গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, শনিবার (০৮-০৮-২৬) সকালে বৃদ্ধ আমজাদ হোসেন বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া হরিহর নদীতে গোসল করতে নামেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোথাও তাকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন একপর্যায়ে নিশ্চিত হন যে, তিনি পানিতে নিখোঁজ হয়েছেন।

 

নিখোঁজের সংবাদ মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ হরিহর নদের পাড়ে ভিড় জামায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

বৃদ্ধের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থনায় একটা অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

 

নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরে পাইলসের অপারেশন করাতে গিয়ে আলমগীর হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নিহত আলমগীর হোসেন নুরনগর এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে আলমগীর হোসেন পাইলসের অপারেশন করানোর জন্য নুরনগরে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে যান। সেখানে তার পাইলসের অপারেশন শুরু করার পর কোনো এক পর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলে স্বজনরা জানান।

নিহতের চাচাতো ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ভুল চিকিৎসার কারণেই আলমগীরের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। অপারেশনের পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারজানা জানান, আলমগীর হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তিনি জীবিত ছিলেন না বলে জানান এই চিকিৎসক।

রোগীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পুলিশ নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংগ্রহের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।