শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

জন্মের পর থেকেই জটিলতায় ভুগছে শিশু রায়য়ান, পাশে দাঁড়ালেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
জন্মের পর থেকেই জটিলতায় ভুগছে শিশু রায়য়ান, পাশে দাঁড়ালেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজী মহল্লা গ্রামের অসহায় শিশু রায়য়ানের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফা। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে তিনি কাজী মহল্লা গ্রামের দিনমজুর আইয়ুব আলীর বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে রায়য়ানকে দেখেন এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

জানা যায়, সখিপুর ইউনিয়নের কাজী মহল্লা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে রায়য়ান জন্মের পর থেকেই জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। জন্মের পর তার পায়খানার রাস্তার সমস্যা দেখা দেয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটির প্রথম দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পায়খানার রাস্তা সাময়িকভাবে পেটের এক পাশে বের করে দেওয়া হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রায়য়ানের আরও একটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিন্তু দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে পারছেন না তার বাবা আইয়ুব আলী। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। দিন আনা-দিন খাওয়া এই পরিবারের পক্ষে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

রায়য়ানের প্রথম অপারেশনের সময়ও বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতা নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন তার বাবা। বর্তমানে দ্বিতীয় অপারেশনের খরচ জোগাড় করতে তিনি বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে অসহায় পরিবারটির।

এ অবস্থায় অসহায় শিশু রায়য়ানের শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা জানতে পেরে শনিবার বিকেলে তার পাশে দাঁড়ান আল ফেরদৌস আলফা। তিনি শিশুটিকে দেখতে এসে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে রায়য়ানের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে রায়য়ানের বাবা আইয়ুব আলী বলেন, “আমি একজন দিনমজুর। দিনমজুরি করে কোনোভাবে সংসার চালাই। আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। প্রথম অপারেশন মানুষের সহযোগিতা নিয়ে করিয়েছি। এখন দ্বিতীয় অপারেশনের টাকা জোগাড় করতে পারছি না। আমি আমার ছেলেকে সুস্থভাবে দেখতে চাই। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনারা আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।”

রায়য়ানের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুটির চিকিৎসা সম্পন্ন করতে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো সহযোগিতা অসহায় এই পরিবারের জন্য বড় সহায়তা হয়ে উঠতে পারে।

মানবিক মানুষদের সহযোগিতায় রায়য়ানের চিকিৎসার পথ সহজ হবে—এমন প্রত্যাশা তার পরিবারের। সখিপুর ইউনিয়নের কাজী মহল্লা গ্রামের এই অসহায় শিশুটির চিকিৎসায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষরা এগিয়ে এলে রায়য়ান দ্রুত সুস্থ জীবনে ফিরতে পারবে বলে আশা করছে পরিবারটি।

যোগাযোগের নাম্বার : ০১৭৬৫০৮৬৮১০

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (০৮ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, বৈকারী, মাদরা এবং কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক/চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, ফাইটার মোরগ এবং এসকুফ সিরাপ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটিালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি হতে ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক করে। বৈকারী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ছয়ঘরিয়া হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানাধীন রাজপুর মাঠ হতে ২৩ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় এসকুফ সিরাপ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৩ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে আমজাদ হোসেন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের করুন মৃত্যু হয়েছে। নিহত বৃদ্ধ উপজেলার আলতাপোল গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, শনিবার (০৮-০৮-২৬) সকালে বৃদ্ধ আমজাদ হোসেন বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া হরিহর নদীতে গোসল করতে নামেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোথাও তাকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন একপর্যায়ে নিশ্চিত হন যে, তিনি পানিতে নিখোঁজ হয়েছেন।

 

নিখোঁজের সংবাদ মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ হরিহর নদের পাড়ে ভিড় জামায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

বৃদ্ধের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থনায় একটা অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

 

নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরে পাইলসের অপারেশন করাতে গিয়ে আলমগীর হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নিহত আলমগীর হোসেন নুরনগর এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে আলমগীর হোসেন পাইলসের অপারেশন করানোর জন্য নুরনগরে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে যান। সেখানে তার পাইলসের অপারেশন শুরু করার পর কোনো এক পর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলে স্বজনরা জানান।

নিহতের চাচাতো ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ভুল চিকিৎসার কারণেই আলমগীরের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। অপারেশনের পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারজানা জানান, আলমগীর হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তিনি জীবিত ছিলেন না বলে জানান এই চিকিৎসক।

রোগীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পুলিশ নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংগ্রহের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।