মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সুন্দরবনে মধু সংগ্রহকালে সাপের কামড়ে মৌয়াল আহত, উদ্ধার করল বন বিভাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহকালে সাপের কামড়ে মৌয়াল আহত, উদ্ধার করল বন বিভাগ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে কাসেম আলী (৪০) নামের এক মৌয়াল গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে পশ্চিম সুন্দরবনের মোল্লাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বন বিভাগের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসেন। আহত কাসেম আলী শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের গহর খাঁর ছেলে।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মধু মৌসুমে সহযোগীদের সঙ্গে সুন্দরবনের মোল্লাখালী এলাকায় মধু সংগ্রহ করছিলেন কাসেম। দুপুরের দিকে একটি ঝোপের পাশে মধু সংগ্রহের সময় আকস্মিক একটি বিষধর সাপ তাঁকে কামড় দেয়। কাসেমের চিৎকার শুনে সহকর্মীরা দ্রুত বুড়িগোয়ালিনী বন অফিসে খবর দেন। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসে। বর্তমানে ওই মৌয়ালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মৌয়ালকে উদ্ধার করেছে। সুন্দরবনে কাজ করার সময় আমরা সবসময় মৌয়ালদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিই। আহত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

মধু মৌসুমের শুরুতেই এমন দুর্ঘটনায় স্থানীয় মৌয়াল ও তাঁদের পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বনজীবীরা সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের সময় আরও নিবিড় তদারকি ও প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামের দাবি জানিয়েছেন।

Ads small one

পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা। বাজারে চাহিদামতো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিচিত কয়েকটি কোম্পানির সিলিন্ডার খুঁজে পেতেও দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কোথাও সরবরাহ না থাকায় খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে, আবার কোথাও বেশি দাম দিয়েও কিনতে হচ্ছে রান্নার জ্বালানি।

ভোক্তাদের অভিযোগ, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার বর্তমানে পাইকগাছার বিভিন্ন বাজারে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চলতি অক্টোবর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। সে হিসাবে প্রতি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪১৩ থেকে ৪৬৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বাজারে যমুনা, ফ্রেশ, বসুন্ধরা, ওমেরা, বিএম ও টোটালের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের সিলিন্ডারের সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, কোনো কোনো দোকানে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও অন্য ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার মিলছে না। এতে পছন্দের ব্র্যান্ডের গ্যাস কেনার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। পাইকগাছার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, রান্নার জন্য গ্যাস প্রয়োজন হলেও চাহিদামতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। দু-একটি কোম্পানির সিলিন্ডার মিললেও খালি সিলিন্ডার বদলে গ্যাস নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। ফলে নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

আসমা বেগমের ভাষ্য, নতুন সিলিন্ডারসহ ১২ কেজি গ্যাস কিনতে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। সংসারের অন্যান্য খরচের সঙ্গে বাড়তি এই ব্যয় সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয় ভোক্তারা জানান, গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দামের কারণে রান্নার খরচ বেড়ে গেছে। অনেকেই একাধিক দোকানে খোঁজ করেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। আবার রান্নার প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা তাঁদের। বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

 

সরবরাহের ঘাটতি, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা কৃত্রিম সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন কোম্পানির সিলিন্ডার কতটা সরবরাহ করা হচ্ছে এবং খুচরা পর্যায়ে কী দামে বিক্রি হচ্ছে, তা নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বসুন্ধরা এলপিজির উপকূলীয় চার উপজেলার পরিবেশক কপিলমুনির মেসার্স নির্মাণ বিপণির স্বত্বাধিকারী বিপ্লব কুমার সাধু বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাসিক চাহিদা ১২ হাজার সিলিন্ডার। কিন্তু গত মাসে কোম্পানি থেকে মাত্র ২ হাজার ৭০০টি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। চলতি মাসে এখনো কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এ কারণে বাজারে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহের এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। পাইকগাছা বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা আল-মুনসুর বলেন, বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এ কারণে তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। যেসব ব্যবসায়ীর কাছে আগে থেকে মজুত ছিল, তাঁদের কেউ কেউ বেশি দামে বিক্রি করেছেন। কপিলমুনি বাজারের শ্রীরামপুর মোড় এলাকার কনক সাহার বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্যাস সিলিন্ডার প্রতি ২২ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এলপিজি ডিলারদের নিয়ে সভা হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্দেশনা দেওয়ার পরও বাজারে নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি এবং সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। ফলে সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পাওয়া এবং বেশি দাম দিয়ে কেনার ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে।

ওভিসিতে নাঈলা নাঈম, পরিচালনায় সৈকত রেজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ওভিসিতে নাঈলা নাঈম, পরিচালনায় সৈকত রেজা

নতুন একটি ওভিসিতে মডেল হয়েছেন নাঈলা নাঈম। একটি মোবাইল প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবে দেখা গেছে তাকে। তার সঙ্গে এতে আরও আছেন সজীব জমাদ্দার।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। সম্প্রতি এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে এসেছে।

নির্মাতা জানান, ‘বিএফডিসিতে সিনেমাটিক প্যাটার্নে ওভিসিটির শুটিং হয়েছে।

 

সৈকত রেজা বলেন, ‘এই ওভিসিতে নাঈলা নাঈমকে অ্যাকশন মুডে উপস্থাপন করেছি। বিজ্ঞাপনটি পুরো না দেখলে বোঝা যাবে না এটি কী? আমি চেষ্টা করেছি সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষদের কানেক্ট করার জন্য। এর মধ্যে অনেকে ওভিসিটির প্রশংসা করেছেন।’

নাঈলা নাঈম ন্টাল সার্জারিতে (বিডিএস) পড়াশোনা সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে মিডিয়া অঙ্গনে যুক্ত হন। ক্যারিয়ারের শুরুতে র‌্যাম্প মডেলিং ও বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। পরে আইটেম গান, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতনতামূলক ইস্যু নিয়েও কাজ করছেন।

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-এক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-এক

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সিআর-২৩৪/২৫ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান নিজেই অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে তাঁকে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত মো. হারুনার রশিদ (পরিচয় অনুযায়ী), আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের নাংলা গ্রামের আব্দুল গফফার মোড়লের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার আসামি হারুনার রশিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ওসি শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়।