বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

অনাবৃষ্টি ও তাপদাহে কপিলমুনিতে চিংড়িতে মড়ক, দিশেহারা চাষিরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
অনাবৃষ্টি ও তাপদাহে কপিলমুনিতে চিংড়িতে মড়ক, দিশেহারা চাষিরা

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কপিলমুনিতে অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে বাগদা চিংড়ি চাষে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। উপজেলার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি ও নিবিড় চিংড়ি চাষ এলাকা হিসেবে পরিচিত কপিলমুনির ঘেরগুলোতে মড়ক দেখা দেওয়ায় চাষিদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। এই সংকটের কারণে অঞ্চলের অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বছরের শুরুতেই অধিকাংশ ঘেরে বাগদা চিংড়ি মারা যাচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, সাধারণত মৎস্য ঘেরে এক ধরনের কাটা শেওলা জন্মায়, যা বাগদা চিংড়ির প্রধান প্রাকৃতিক খাদ্য ও পুষ্টি জোগায়। কিন্তু এবার দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টি ও তীব্র গরমের কারণে ঘেরে এক ধরনের ক্ষতিকর পোকার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, যা এই শেওলা কেটে উজাড় করে দিচ্ছে। ফলে একদিকে তীব্র খাদ্য সংকট, অন্যদিকে পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও লার্ভা (রেণু) ছাড়ার অনুপযোগী পরিবেশের কারণে চিংড়ি চাষিদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
কাশিমনগর এলাকার চিংড়ি চাষি পরিমল দাশ জানান, অতীতে চিংড়ি চাষে কোনো কারণে ক্ষতি হলে এ সময়ে ঘেরে সাদা মাছের পোনা ছেড়ে চাষিরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতেন। কিন্তু এবার বৃষ্টি না হওয়ায় পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে অতিরিক্ত লবণের কারণে সাদা মাছও মারা যাচ্ছে। ফলে নতুন করে পোনা ছাড়তে সবাই আতঙ্কিত।
আনিচুর রহমান নামের আরেক চাষি জানান, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তিনি চিংড়ি চাষ করেছিলেন। কিন্তু অনাবৃষ্টির কারণে ঘেরে পানি কম ও তাপমাত্রা বেশি থাকায় রেণু ছাড়ার পরপরই তা মারা যাচ্ছে। এর ওপর গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে চিংড়ির মূল্যও কম। এই অবস্থায় কীভাবে ব্যাংকের ঋণ শোধ করবেন এবং সংসারের খরচ চালাবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।

Ads small one

উপচে পড়ছে নতুন হ্রদ, নেপালে ফের বড় প্লাবনের সতর্কবার্তা চীনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
উপচে পড়ছে নতুন হ্রদ, নেপালে ফের বড় প্লাবনের সতর্কবার্তা চীনের

সীমান্তবর্তী দুর্যোগের চরম আবহের মধ্যে নেপালে একটি বিশাল ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা কৃত্রিম বাঁধ হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ইতোমধ্যেই উপচে পড়ছে এবং আগামী দিনগুলোতে এতে পানিপ্রবাহ আরও বাড়লে হ্রদটি ফেটে প্রবল বেগে পানি ছড়িয়ে পড়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

চীন ক্যাবল টেলিভিশন (সিসিটিভি) ও গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এই বাঁধ হ্রদে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। আগামী তিন দিনে এতে আরও ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশ করতে পারে, যা বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে।

নেপালের ছোছেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংগমস্থলের কাছে এই হ্রদটি গঠিত হয়েছে। তিব্বত থেকে উৎপত্তি হওয়া ছোছেন ও পুরেপু নদী একত্রিত হয়ে নেপালে প্রবেশ করেছে, যা সেখানে ভোটেকোশী নদী নামে পরিচিত। ভোটেকোশী মূলত ত্রিশূলী নদীর প্রধান উচ্চতর উপনদী। সম্ভাব্য বাঁধ ভাঙার পরিণতি মূল্যায়ন ও জরুরি উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য চীনা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং কৃত্রিম বন্যার পূর্বাভাস পরিচালনা করছে।

হিমালয়ের কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?হিমালয়ের কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
বুধবার সকালে নেপালের রাসুওয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীতে হঠাৎ এক শক্তিশালী বন্যা আঘাত হানে। প্রবল এই জলস্রোত তিমুরে ও স্যাফ্রুবেসি এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে সড়ক, সেতু, ভবনসহ নানা অবকাঠামো ধ্বংস করে ত্রিশূলী নদীর দিকে ধাবিত হয়। নেপাল-চীন সীমান্তজুড়ে বয়ে যাওয়া এই আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, অবকাঠামো ধ্বংস হয় এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ হন।

বন্যার পর থেকে উদ্ধারকারী দলগুলো ভেসে যাওয়া মানুষদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে এবং ভাটির বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। নতুন করে প্লাবনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং প্রধান মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

এই চরম জটিল উদ্ধার অভিযানের মুখে নতুন সৃষ্টি হওয়া বাঁধ হ্রদটি বিপদের আরেকটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নিম্নাঞ্চলে হঠাৎ পানির প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা নদী অববাহিকার জনপদ ও অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

তিব্বতে বন্যায় আড়াই শতাধিক ভারতীয়র হদিস নেই, নেপালে উদ্ধার ২১তিব্বতে বন্যায় আড়াই শতাধিক ভারতীয়র হদিস নেই, নেপালে উদ্ধার ২১
চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সম্ভাব্য জরুরি উদ্ধার এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ অপারেশনের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি এই হ্রদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও হাইড্রোলজিক্যাল পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

আশাশুনিতে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম, এক দিনে তৈরি ব্লকে আগের অর্থবছরের তারিখ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম, এক দিনে তৈরি ব্লকে আগের অর্থবছরের তারিখ

এসএম বিপ্লব হোসেন: আশাশুনিতে জাইকার অর্থায়নে টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে সিডিউলবহির্ভূত কাজ ও সিসি ব্লকের মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পাউবো কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের একাংশের বিরুদ্ধে সরকারি নথিপত্রে অসঙ্গতি এবং বাতিল হওয়া প্যাকেজের কাজ অন্য স্থানে হস্তান্তরের গুঞ্জন রয়েছে।

সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২-এর আওতায় হাজরাখালী এলাকার ২ নম্বর প্যাকেজের কাজ বাতিল হলেও, সেই কাজ অনুমোদন ছাড়াই ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজের কোলা এলাকায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে সরেজমিনে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এ সম্পর্কিত কোনো দাপ্তরিক আদেশ দেখাতে পারেননি।

পরিদর্শনের সময় সিসি ব্লক তৈরিতেও মানহীনতার প্রমাণ মিলেছে। ঢালাইয়ের মাত্র ১২-১৪ ঘণ্টার মধ্যে ফর্মা খুলে নেওয়া হচ্ছে এবং পর্যাপ্ত কিউরিং ছাড়াই ব্লক স্তূপ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় অনিয়ম দেখা গেছে ব্লকের তারিখ তৈরিতে; ২৭ আগস্ট সরেজমিনে তৈরি করা ব্লকে দেখা গেছে জুন ২০২৬-এর তারিখ। এতে পূর্ববর্তী অর্থবছরের বিল সমন্বয় বা অগ্রগতি জালিয়াতির সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, ২ নম্বর প্যাকেজ বাতিল করা হয়েছে এবং এর কাজ ভিন্নভাবে করার দায়ভার তাদের নয়। তবে অন্য প্যাকেজে কোনো অনিয়ম হলে তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।

উপকূলীয় এই দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় নি¤œমানের বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম ও মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় তারা উপজেলা প্রশাসন ও পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে মেজারমেন্ট বুক ও বিল-ভাউচার যাচাইসহ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টা ৭ মিনিটে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

বিল উত্থাপনের আগে ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলের দাবির কথা তুলে ধরেন। বক্তব্য শেষে বিল উত্থাপনের পরবর্তী কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তার সঙ্গে বিরোধী জোটের অন্য সদস্যরাও ওয়াকআউট করেন।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি দিবসে (বৃহস্পতিবার) তিনটি সরকারি বিল উত্থাপন করার কার্যক্রম শুরু করলে সংসদে দাঁড়িয়ে যান বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধিতে জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য দেন। বক্তব্যের শেষ পার্যায়ে বিল, সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার নিয়ে বক্তব্য দিয়ে আওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা এটাই জানতাম যে, বেসরকারি দিবসটা বেসরকারি সদস্যদের জন্য। কিন্তু সবকিছুতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, সংসদকে ঠেলে একতরফাভাবে একপেশে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা নীতিগতভাবে এ ধরনের বিলে অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছি না। আমরা মনে করি, এ ধরনের কাজের মাধ্যমে সংস্কারের যে মূল দাবি, সেটাকেই চাপা দেওয়া হবে। আমরা সেই চাপা দেওয়ার পক্ষে নই।’

সংস্কারের দাবিতে দলের অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে জোরালো ও স্পষ্ট অবস্থানে আছি। আমরা এখান থেকে সরিনি—অফিশিয়ালি, নন-অফিশিয়ালি।’

সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়ে আপত্তি

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই পার্লামেন্টের ভেতরে এবং বাইরে অনেকবারই অনুরোধ করা হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের কমিটিতে আসেন। একটা কমিটি এখানে পাস হয়েছে। আমাদের প্রতিবাদ ছিল। আমরা অংশগ্রহণ করিনি। ’

তিনি বলেন, ‘পরে আমরা যখন বললাম, সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে কোনও কমিটি হওয়ার কোনও বিধান নেই, তখন আমরা শুনলাম যে, এর আগে একটা বিশেষ শব্দ বসানো হয়েছে। সেই বিশেষটা এখানে পাস করা হয়েছে কি না, আমি জানি না।’

কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘একটা কমিটি যদি আসলে এই হাউস থেকে পাস করানো হয়, তাহলে তার প্রত্যেকটি অক্ষরও এখান থেকে পাস করাতে হবে। সেটা তো হয়নি। ওইটার পক্ষে আমরা ছিলাম না। বড় কথা এটা নয়। আমি বলছি, এখানে প্রসিডিউরটা মেইনটেইন করা হয়নি।’

‘আমরা গণভোটের বাস্তবায়ন চাই’

স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এখন যে বিষয়টা আপনি উত্থাপনের দিকে যাচ্ছেন, আমরা যেহেতু বৃহত্তর স্বার্থে পুরো সংস্কার চাই, আমরা গণভোটের বাস্তবায়ন চাই এবং আমরা এভাবে কোনও প্রসেসের অংশ হতে চাই না।’

এর পরই সংসদ অধিবেশন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমরা এখন আর এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করবো না। এ পর্বে আমরা সংসদ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আমরা আবার ওয়াকআউট করছি। আমরা আবার যখন উপযুক্ত মনে করবো, তখন ইনশাআল্লাহ আমরা আসবো, অংশগ্রহণ করবো, জনগণের পক্ষে কথা বলবো।’

‘ওয়াকআউট করার স্বাধীনতা আপনার আছে’

ওয়াকআউট ঘোষণা দিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে গেলে স্পিকারের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, ওয়াকআউট করার স্বাধীনতা আপনার আছে। বাট সংসদের ভেতরে সবকিছু আলোচনা করা দরকার। না হলে জাতি কী পাবে?’

বিরোধীদলীয় নেতাকে অধিবেশনে থেকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আমি অনুরোধ করবো, আপনারা বসেন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্ক থাকবে। বিতর্কের মধ্য দিয়েই তো জাতি পরিচালিত হবে আপনাদের নেতৃত্বে।’

এরপর স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।