সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দিবস

সাকিবুর রহমান বাবলা

আকাশপথে উড়োজাহাজ চলাচল আধুনিক বিশ্বের যোগাযোগব্যবস্থাকে করেছে দ্রুত, সহজ ও গতিশীল। প্রতিদিন অসংখ্য বিমান বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করছে। কিন্তু বিশাল আকাশসীমায় এত বিপুলসংখ্যক বিমানের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল চলাচলের পেছনে রয়েছেন একদল দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল পেশাজীবীÑএয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার। তাঁরা আকাশপথের অদৃশ্য ট্রাফিক পুলিশের মতো কাজ করেন। তাঁদের পেশাগত দক্ষতা, সতর্কতা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই নেপথ্যের নায়কদের অবদান স্মরণ ও সম্মান জানাতে প্রতি বছর ২০ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দিবস।

দিবসটির ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার অ্যাসোসিয়েশনসমূহের ফেডারেশনÑইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার্স অ্যাসোসিয়েশনস। ১৯৬১ সালের ২০ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসংগঠনের উদ্যোগে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে এটি বিশ্বব্যাপী এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের পেশাগত প্রতিনিধিত্বকারী গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মরণে ২০ অক্টোবর আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দিবস পালন করা হয়। ২০২৬ সালে সংস্থাটির ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও উদ্যাপিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য-‘দক্ষ জনবল আকৃষ্ট করা, তাঁদের মূল্যায়ন করা এবং ধরে রাখা।’ এর মাধ্যমে পেশাটিতে যোগ্য জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত কল্যাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি হলো বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য আকাশে এবং বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমানগুলোর মধ্যে নির্ধারিত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, সংঘর্ষের ঝুঁকি কমানো এবং বিমান চলাচলের প্রবাহ সুশৃঙ্খল রাখা। পাইলট ককপিট থেকে বিমান পরিচালনা করেন, আর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার সংশ্লিষ্ট আকাশসীমার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও অনুমতি দেন। রাডার, রেডিও যোগাযোগ, স্যাটেলাইটভিত্তিক অবস্থান-তথ্য এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁরা বিমানের গতিপথ, উচ্চতা ও অবস্থান সম্পর্কে ধারণা রাখেন। তবে প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ ও মানবিক সতর্কতার গুরুত্ব অপরিসীম।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থার প্রধান কাজগুলো সাধারণত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত। টাওয়ার কন্ট্রোল বিমানবন্দরের রানওয়ে ও আশপাশের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিমানকে উড্ডয়ন ও অবতরণের অনুমতি দেয়। অ্যাপ্রোচ কন্ট্রোল বিমানবন্দরের কাছাকাছি আগমন ও বহির্গমনকারী বিমানগুলোর চলাচল সমন্বয় করে। অন্যদিকে, এরিয়া বা এন-রুট কন্ট্রোল বিমানবন্দর ছেড়ে দূরবর্তী গন্তব্যের পথে থাকা বিমানগুলোর নির্ধারিত আকাশসীমায় চলাচল পর্যবেক্ষণ করে। এই বিভাগগুলোর মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি বিমান যাত্রার বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের কাজ শুধু বিমানকে পথ দেখানো নয়; বরং প্রতিটি মুহূর্তে পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ঝুঁকি কমানো। প্রতিকূল আবহাওয়া, ঘন কুয়াশা, বজ্রঝড়, যানজটপূর্ণ আকাশসীমা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে তাঁদের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন হয়। কোনো বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, জ্বালানিসংক্রান্ত সমস্যা বা চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিমানটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং নিরাপদ অবতরণের ব্যবস্থা করতে হয়। একই সঙ্গে রানওয়েতে বিমান ও যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানোও তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এসব কাজে সামান্য অস্পষ্টতা বা সমন্বয়ের ঘাটতিও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এই পেশায় দক্ষ হতে হলে বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্থানিক সচেতনতা, মনোযোগ ধরে রাখা, একাধিক কাজ সমন্বয় করা এবং চাপের মধ্যেও শান্ত থাকার ক্ষমতা। পাইলটদের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাক্যরীতি ও প্রয়োজনীয় ইংরেজি ভাষাদক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিধান অনুযায়ী অনুমোদিত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফিটনেস, ভাষাদক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটে কাজের উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। তবে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত নির্দিষ্ট পদ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যাচাই করা জরুরি।

বাংলাদেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপদ উড্ডয়ন, অবতরণ এবং আকাশসীমার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব রয়েছে। দেশের বিমান চলাচল খাতের সম্প্রসারণ, যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ জোরদারের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও কার্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী সংগঠনগুলোর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থায় প্রযুক্তি, জনবল, প্রশিক্ষণ, আকাশসীমার জটিলতা ও পরিচালনাগত সক্ষমতার পার্থক্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনার জন্য পরিচিত। তবে কোনো দেশকে সব বিবেচনায় এককভাবে সবচেয়ে দক্ষ বা অন্য দেশকে সবচেয়ে দুর্বল বলা সহজ নয়। ফ্লাইট বিলম্ব, কর্মীসংকট কিংবা অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও নির্দিষ্ট সূচক বিবেচনা করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিকভাবে অভিন্ন নিরাপত্তাবিধি, তথ্য বিনিময়, প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলাই হওয়া উচিত সব দেশের অগ্রাধিকার।

আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দিবসের মূল তাৎপর্য কেবল একটি পেশাকে অভিনন্দন জানানো নয়; বরং নিরাপদ বিমান চলাচলের পেছনে থাকা মানুষগুলোর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া। তাঁদের কর্মদক্ষতা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল, মানসম্মত প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম, নিয়মিত দক্ষতা মূল্যায়ন এবং সহায়ক কর্মপরিবেশ প্রয়োজন। কারণ নিরাপদ আকাশ গড়ে ওঠে প্রযুক্তি ও মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়। আকাশপথের এই নেপথ্যের নায়কদের যথাযথ মর্যাদা, মূল্যায়ন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচল আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নির্ভরযোগ্য হবে। ২০ অক্টোবর তাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়Ñআকাশে প্রতিটি নিরাপদ যাত্রার পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানুষের নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্ব।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় মাস আইসিইউতে থাকার পর স্মৃতিশক্তি ফিরল জাহিদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় মাস আইসিইউতে থাকার পর স্মৃতিশক্তি ফিরল জাহিদের

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: খুলনার নর্থ ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. নাঈমুর রহমান জাহিদ দুরারোগ্য জিবিএস (গুলেন ব্যারি সিন্ড্রোম) রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ চার মাস ধরে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে স্মৃতিশক্তি ফিরে পেয়েছেন।
পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা গ্রামের সোপান সরদারের একমাত্র পুত্র জাহিদ গত ১৯ জুন জিবিএস রোগে আক্রান্ত হন। প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রফেসর ডা. এনায়েতুল্লাহর তত্ত্বাবধানে ও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এখন অক্সিজেন ছাড়াই কথা বলতে পারছেন এবং মানুষের নাম ধরে ডাকতে পারছেন। ছেলের এমন সুস্থতায় মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে তার মা সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

 

সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন পূজাম-পের নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন পূজাম-পের নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সংবাদদাতা: শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন এই তিন উপজেলার ৪৪টি পূজাম-পের নিরাপত্তায় নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) থেকে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা পূজাম-পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ (পিএসসি, সিগন্যাল)।

তিনি জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘœ ও উৎসবমুখর করতে বিজিবি মাঠে কাজ করছে। মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যরা পূজাম-প ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল এবং নজরদারি জোরদার রাখবেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবেন।

সাতক্ষীরায় সীমানা পিলার তুলে গাছ ও বেড়া ভাঙচুর, ১৫ হাজার টাকা চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সীমানা পিলার তুলে গাছ ও বেড়া ভাঙচুর, ১৫ হাজার টাকা চুরি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে গাছপালা কাটা, বেড়া ভাঙচুর ও ঘরে ঢুকে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জুয়েলারি ব্যবসায়ী পলাশ চৌধুরী জানান, প্রতিবেশী রতন অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত রাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে রেখে বিভিন্ন ম-পে প্রতিমা দর্শনে যান। রাত দেড়টার দিকে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, তার সীমানা পিলার তুলে ফেলা হয়েছে এবং গাছপালা ও চটার বেড়া কেটে তছনছ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘরের পেছনের বেড়া ভেঙে দোতলায় প্রবেশ করে টিনের বাক্সের তালা ভেঙে নগদ ১৫ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে। তিনি পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিবেশী রতন অধিকারী এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে আশঙ্কা করছেন।
অভিযুক্ত রতন অধিকারী দাবি করেন, নিজেদের সাজানো নাটকে তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।