সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আপুর রুম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আপুর রুম

দোলনা বড়ুয়া তৃষা
কাল কলেজের অনুষ্ঠানে নাচানাচি করে সকালে বাসায় এসে কোন রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েছি জানি না। নিশ্চয় আপুর রুম এইটা। কাঁঠালচাপা ফুলের গন্ধ এই রুমে। ও মনে হয় বাসায় নেই। ভার্সিটি গিয়েছে। আমার রুমে তো নিজের মোজা আর শার্টের গন্ধে নিজেরেই বমি আসে।
হঠাৎ আপুর চিৎকারে ঘুম ভাঙ্গে।
-এই ছাগলটা আমার রুমে কেন? পুরো ঘরে পাঠা পাঠা গন্ধ বেড়োবে এখন। এই উঠ, যা বের হয় রুম থেকে।
গায়ে কয়েকটা কিল ঘুসি দিতেই ঘুম আর একটু ভাঙ্গল। কোন মতে উঠে ঢুলতে ঢুলতে রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। এতক্ষন নাকে সুবাস ছিলো। নিজের রুমে আসতেই আর নেই।
বাসায় মেহমান এলে সব গাদাগাদি করে আমার রুমে। আপুর রুম টা কত বড়। সব কেমন যেন গুছানো। একটা জানলা আছে। এইটার জন্য রুমটা প্রতি আমার লোভ। আমার রুম টা সামনের দিকে জানলা খুললে রাস্তা। রাতের ১ টা অবধি মানুষ হাটে। সিগারেট খাওয়া যায় না। আপুর রুম টা পিছনের দিকে। ওদিকে সব গাছ। ওর রুমে শুধু কাজিনরা আসলে শুতে পারে। কাজিন-
ও শিট। মিতুকে ফোন করতে ভুলেই গেছি। আবার বাসায় না বিচার নিয়ে আসে। মামাতো বোনের সাথে প্রেম করলেও জ্বালা আছে। মায়ের বোনের কাছে বিচার পাঠিয়ে দেয়। উঠে ফ্রেশ হয়ে খেতে গেলাম।
আপু তখনো নাকি রুম পরিস্কার করছে। আমি নাকি গন্ধ করে ফেলেছি সারা রুম। দেখলাম আমার ফেলে আসা শার্ট গেঞ্জি সব ধুয়ে দিয়েছে। খেতে বসলাম। সবাই আসল।
আজ মাছ রান্না হয়েছে।
– মা মাছের মাথাটা কিন্তু আজ আমি খাবো,
-আহা, কত শখ! আমি খাবো মাছের মাথা। তুই আবার মাথা খেতে জানিস?
এই বলে মাথা টা নিয়ে নিলো আপু।
-মা, তুমি কিছু বলো না আপুকে।
মা বলল-
– ও খেতে চায়। খেতে দেয় না।
-মায়েরা নাকি ছেলের পক্ষ নেয়। আর তুমি?
-মেয়েকে তো বিয়ে দিয়ে দিলে চলে যাবে। যত ভালো ঘরে দিই না কেন আমি দেখব কি খাচ্ছে না খাচ্ছে? খাওয়াতে পারব? তোকে তো সারাজীবন খাওয়াতে পারব।
-কখন দিচ্ছো বিয়ে? তারাতারি দিয়ে দাও। তারপর ওর রুমটা আমি নিয়ে নিবো।
-কত শখ! মাথা ফাটিয়ে দিবো আর আমার রুমে গেলে।
বিকেলে আপুর রুমে গেলাম। আপুর রুমে ডুকলেই মনে হয় ভিন্ন এক রুম। চারিদিকে কেমন টানাটানা গুছানো সব। বিছানার চাদর, পড়ার টেবিল, ওর জিনিসপত্র। জানলা দিয়ে বাগানবিলাস দেখা যায়। আর কোথায় থেকে যেন কাঠালচাঁপা ফুলের সুভাস। ওর সাথে অনেকক্ষন গল্প করে আসার সময় পারফিউমের বোতলটা নিয়ে এলাম।

কিছুদিন পর বাসায় বেশ নাস্তা রেডি হচ্ছে। জানলাম আপুকে দেখতে আসছে। বিয়ের পাকা কথা ওরা আপুকে আগেই দেখেছে।
বেশ খুশী সবাই। আপুকে বেশি খুশি লাগছে।আমারো বেশ খুশি লাগছে। সব হয়ে যাওয়ার পর মিতুকে ফোন দিলাম,
-জানো আপুর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। সামনের মাসে বিয়ে।
– বাহ, বেশ ভালো তো। এখন তাইলে তিশা আপুর রুমটা তোমার হবে।
-মানে? আপু কোথায় থাকবে তো?
-ওমা, আপু শুশুড় বাড়ি চলে যাবে না? তখন তো রুমটা খালিই পড়ে থাকবে।
আমার মনটা কেমন যেন খালি খালি লাগছে এরপর থেকে। আপু থাকবে না?
একটা মাস কোনদিকে চোখের পলকে চলে গেল। আপুর বিয়ে হয়ে গেলো। আপুকে বিদায় দিতে আমার মনে হচ্ছিল কি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
আপুর বিয়ের পর থেকেই বুঝা যায় কি হারিয়ে গেছে ঘর থেকে। সব যেন নিশ্চুপ। ঘরে টানাটানা গুছানো ভাবটা নেই। ঘরে সে হাসি খুশি ভাবটা নেই। খেতে বসলে আমি মা বাবা কেমন যেন চুপচাপ খেয়ে উঠি। আপু থাকতে এমন খাবার টেবিল চিন্তায় করা যেত না।
আমি আপুর রুমে যাই এখন। কেমন যেন ঢিলেঢালা এখন রুম। সব আছে তারপর ও কেমন যেন। ফুল গাছ ও আছে তবে এখন আর কাঁঠালচাপা ফুলের গন্ধটা নেই।
আমি প্রায় আপুর রুমে গিয়ে বসে থাকি। ওর অনুভব পাই। ওর বিছানায় ঘুমাই না এখন। ঘুমালে মনে হয় এই বুঝি এসে মারবে।
-এই ছাগল, এই সৌরভ, উঠ।
আপু আসে না। এই ভাবে ডেকে তুলে দেয় না। এইভাবে ঘুম ভাঙার আশায় আমার ঘুমেই আসে না।
আপু এখন বাসায় আসে দুই দিনের জন্য। আসলে এই রুম নিয়ে ওর কোন বাড়াবাড়ি নেই। মায়ের সাথেই থাকে। নানান কথা সংসারের। যে আপু গল্প আর কবিতা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করত। এখন নুন পেয়াজ আর শাশুড়ীর গল্পে তার ঘন্টা চলে যায়। দুলাভাই সহ ঘুমাই সে রুমে। তারপর চলে যায়। সে রুমে তার কিছু ফেলে যায় না। শুধু ফেলে যায় আমার জন্য ওর গায়ের গন্ধ এই রুমে।
আমি ওকে জিজ্ঞেস করি –
-তোর এই রুমের জন্য মন কেমন করে না?
ও বলে-
-খুব করে রে। এই রুমটাই আমার বলতে শুধু আমার ছিলো। খাট, টেবিল, আয়নাটাও শুধু আমার ছিলো। এখন যতই আমি সব গুছিয়ে রাখি না কেন যেন ঠিক তা আমার নয়।
দুপুরে খেতে বসলে মা আমায় মাছের মাথা তুলে দিলে। আমি বলি-
-আমাকে দিচ্ছো কেন?
-তো কাকে দিবো?
-আপুকে –
বলতে গিয়ে থেমে যাই আমি। মাকে বলি,
-তুমি মাছের মাথাটা হটবক্সে দাও আমি আপুকে দিয়ে আসি।
-যা, একটা মাছের মাথা নিয়ে বোনের বাড়ি যায় নাকি?
-আরে তুমি দাও না। কিছু হবে না।

মায়ের কথা না শুনে আমি আপুর শশুড় বাড়ি গিয়ে ভুলেই করে ফেলি। বাসা ভর্তি মেহমান। কোরমা, পোলাও, খাসির রেজালা রান্না হয়েছে। আমি গিয়ে হাজির একটা মাছের মাথা নিয়ে। আপুরও সবার সামনে বক্স খুলে লজ্জায় পড়ে গেল।
সবার খাওয়ার পর আমাকে খেতে বলে। আমি আপুকে ডাকতে গিয়ে দেখি আপু আবার ভাত রান্না করছে।
-কিরে আবার ভাত রাধছিস? আমি খেয়ে এসেছি।
-আরে না। পোলাও অনেক আছে। তুই খেয়ে ফেল। আমি মাছের মাথাটা খাওয়ার জন্য সাদা ভাত রাধছি। আসলে এইখানে মাথা খাওয়া হয় না। ছেলেরা খায় তো।
আপু অপ্রস্তুত হাসি দিয়ে ভাত নাড়তে থাকে।
খেয়ে আপুর রুমে গেলাম। এই রুমটা আমাদের বাড়ির রুম থেকে বিশাল। এইখানে সব কেবিনেট। বড় বড় আলমারি কেমন যেন সব সাজানো। আপুর কোন ছোঁয়া নেই। জানলাও নেই কারণ সব দিকে এসি।
এই রুম টা দুলাভাইয়ের। কেমন যেন আপুর মনে হয় না আমার। এই রুম টা নাকি আগে দুলাভাইয়ের বড় বোনের ছিলো।
আমি আর কখনো মাছের মাথা নিয়ে আপুর শশুড় বাড়ি যাই নি।
অনেক বছর পর এক সকালে আপুর রুমটা চেঞ্জ হচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলে,
বাবা বলে,
-তোর জন্য নতুন খাট আর আলমারী বসানো হচ্ছে।
-কেন?
– কেন মানে? বিয়ের পর তুই কি তোর ঐ গুদাম ঘরে থাকবি নাকি? এখন থেকে তোর রুম এইটা।
আমার রুম? না আমি মানতে পারি না। আমার মনের মাঝে অজান্তে এইটা আপুর রুমেই জানি।
মা আমাকে মাঝে মধ্যে বলে,
– তোর রুম থেকে জিনিসটা নিয়ে আয়।
আমি সারাঘর খুঁজে আসি। শেষে মা বলে
– আরে গাধা তোর আপুর রুমে।
-হুম। আপুর রুম এখন যা আমার রুম।
আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে আপুর সব কিছু। মা এখন আপুর ফেলে যাওয়া ওরনা গুলো দিয়ে কাথা কম্বল ঢেকে রাখে। ওর সেলোয়ার কামিজ এখন ফ্লোরে পানি পড়লে উইজ করা হয়। হারিয়ে যাচ্ছে ওর ছোঁয়া এই ঘরের থেকে।
রুমটাতে এখন আবার প্রাণ ফিরে এসেছে। মিতু ও সব গুছিয়ে রাখে। তবে সে যেন টানটান ভাবটা নেই। তবে এখন কামীনি ফুলের সুবাস ছড়ায় এই রুমে।
এক দুপুরে খেতে বসলাম। তখন বেল বেজে উঠে। অয়ন এসেছে। অয়ন আর মিতু পিটেপিটি ভাই বোন। খুব মারামারি করত।
একবার মিতুর হাত ভেঙ্গে দিয়েছিল মারামারি করে।
– অয়ন, আয় আয়।
– মা একটা মাছের মাথা পাঠিয়েছিল মিতুর জন্য।
আমি হেসে বলি,
-মামী পাঠিয়েছে নাকি তুই এনেছিস?
মিতু তুমি মাছের মাথা খেতে ভালোবাসো বলো নি কেন?
– না মানে তুমি খাও তো।
-আরে আমি তো কেউ খায় না তাই খাই। এখন থেকে তুমি খাবে।

আমি রুমে গিয়ে সিগারেট ধরালাম। টেবিল থেকে অয়ন আর মিতুর হাসির শব্দ হচ্ছে। আসলে কি অদ্ভুত পবিত্র হয় ভাই-বোনের সর্ম্পক গুলো তাই না?
বিশ বছর পর। বাসায় চিৎকারের শব্দ। এখন বাবা মায়ের রুম টা আমাদের রুম। আমি রুম থেকে বের হই, আমার ছেলে অর্ক চোখ মুছতে বের হচ্ছে।
-কি রে কি হয়েছে?
-আপুর রুমে শুয়েছিলাম। আপু মেরে বের করে দিয়েছে।
আমি বিড়বিড় করে বলে উঠলাম,
-আপুর রুম?
যেন অনেক বছর পর কারো সাথে দেখা এমন লাগল শব্দটা৷
আমি সে রুমে গেলাম। এইটা এখন আমার মেয়ে পারুলের রুম। সব দিক যেন সে টানাটানা গুছানো ভাব টা আছে এখন। আর আমার নাকে হঠাৎ সেই কাঁঠালচাপা ফুলের গন্ধটা লাগলো।

Ads small one

দেবহাটায় দুস্থদের চাল আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে মারধর, মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুস্থদের চাল আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে মারধর, মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরাদ্দ দেওয়া দুস্থদের ১০ কেজি ভিজিএফের চাল আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় শামীমা আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ মে বিকেলে উপজেলার টিকেট গ্রামের পাকা রাস্তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।

 

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শামীমার অসুস্থ ননদের চাল জালিয়াতি করে তুলে নেন স্থানীয় সালামত হোসেন। শামীমা বিষয়টি গ্রাম পুলিশকে জানিয়ে চাল উদ্ধার করেন। এরই জেরে পরে রাস্তা আটকে শামীমার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় তাঁর স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়েরও অভিযোগ উঠেছে। আহত শামীমাকে উদ্ধার করে সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

 

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

 

 

 

 

কদমতলা বাজারে জমে উঠেছে ছাগলের হাট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
কদমতলা বাজারে জমে উঠেছে ছাগলের হাট

সেলিম হোসেন: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শেষ মুহূর্তে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী কদমতলা বাজারে ছাগলের হাট জমে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে হাটে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক ব্যস্ততা দেখা যায়। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে ক্রেতার সমাগম থাকলেও গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা কিছুটা কম এবং কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় লাভ কম হচ্ছে।

 

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের চেয়ে এবার ছাগলের দাম কিছুটা চড়া। কদমতলা বাজার কমিটির সভাপতি আইয়ুব আলী জানান, সাধারণত সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার এই হাটে ছাগল কেনাবেচা হয়। তবে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানিদাতাদের সুবিধার্থে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ঈদের আগের মঙ্গল ও বুধবারও সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ছাগলের হাট চালু রাখার বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

তালায় সাংবাদিকের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
তালায় সাংবাদিকের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

তালা প্রতিনিধি: তালা সদর ইউনিয়নের কোলাচ বিলের একটি মৎস্য ঘেরে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিক আরিফ বিল্লালের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার রাতে ঘটা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তালা প্রেসক্লাব। আরিফ বিল্লাল তালা প্রেসক্লাবের উপ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, রাতে ওই এলাকায় দুই পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহে যান তিনি। এ সময় একটি পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং তাঁর মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে।

এই ঘটনার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুকসহ ক্লাবের নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ। বিবৃতিতে সাংবাদিকেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।