বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

আশাশুনিতে উৎসবমূখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে উৎসবমূখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সার্বজনীন উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সকাল ৯ টায় জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। ৯.৩০ টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডুর নেতৃত্বে আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নজরুল ইসলাম, মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল রব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান, সরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াত আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ, আশাশুনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের অংশ গ্রহণে বাঙালী সাজে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন গ্রামীন ঐতিহ্য ও বাদ্য যন্ত্রের ঝংকার সহকারে শোভাযাত্রাটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে শোভাযাত্রার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাড়ীভাঙ্গা খেলা, পরিষদের পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা ও বিকালে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকালে পান্তা ভাত খাওয়া অনুষ্ঠান করা হয়। কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সকল অংশগ্রহণকারীরা পান্তাভাত খাওয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তৃপ্তি সহকারে খাবার গ্রহণ করেন।

আশাশুনি প্রেসক্লাব:
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আশাশুনি প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ৩.৩০ টায় প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ক্লাব সভাপতি এস কে হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচনা রাখেন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এস এম আহসান হাবিব, সাবেক সহ সভাপতি আলী নেওয়াজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সদস্য আলাউদ্দীন ও হাবিবুল্লাহ বিলালী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলা নববর্ষের দাবীসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তাগণ আলোচনা রাখেন।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।