বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল বৈঠক

আশাশুনি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আশাশুনি উপজেলা শাখার মাসিক দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল চারটায় উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
উপজেলা আমীর ও আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল।
উপজেলা সম্পাদক মাওলানা আনওয়ারুল হকের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নুরুল আবছার মুরতাজা, সহসম্পাদক মাওলানা আব্দুল বারী, ডা. রোকনুজ্জামান, অধ্যাপক শাহজাহান হোসেন, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদ ও হাফেজ আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও সম্পাদকগণ।
বৈঠকে ইউনিয়ন শাখাগুলোর মাসিক সাংগঠনিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হয়। এ ছাড়া সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি, আসন্ন ইউপি নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

Ads small one

এমপির প্রেমে হাবুডুবু ভারতীয় ক্রিকেটার, অপেক্ষা বিয়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
এমপির প্রেমে হাবুডুবু ভারতীয় ক্রিকেটার, অপেক্ষা বিয়ের

ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং ও লোকসভার সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্যদের একজন প্রিয়া সরোজ অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের সম্পর্ক পরিণতি পেতে যাচ্ছে ডিসেম্বরে, লখনউয়ের একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে তাদের বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বিয়েতে অনেকে উপস্থিত হবেন। রিংকুর বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররাও।

গত বছরের ডিসেম্বরে একটি সাক্ষাৎকারে প্রিয়ার সঙ্গে নিজের প্রেমের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন রিংকু। জানিয়েছিলেন, সমাজবাদী পার্টির সমাজমাধ্যমে ছবি দেখেছিলেন প্রিয়ার। তখনই প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু প্রিয়াকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার ছবিতে ‘লাইক’ করার পর বিষয়টি এগোতে থাকে।

রিংকু বলেছিলেন, ‘করোনাকালীণ সময়ে আইপিএল হয়েছিল মুম্বাইয়ে। তখন গ্রামের একটি ভোটের সময় কোনও একটা ফ্যান পেজে প্রিয়ার ছবি দেখেছিলাম। তখনই বুঝেছিলাম ও একদম আমার জন্য ঠিকঠাক। কিন্তু নিজে থেকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না। কিন্তু ও আমার দুই-একটা ছবিতে লাইক করার পরেই ওকে বার্তা পাঠাই। এভাবেই প্রেম শুরু হয়েছিল। এরপর নিয়মিত কথা বলতাম। ম্যাচের আগেও কথা হতো। ২০২২ সাল থেকে ওর প্রতি ভালবাসা অনুভব করতে শুরু করি।’

প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রিয়া সরোজের জন্ম। তিনি উত্তর প্রদেশের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। তিনি তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত মছলিশহর লোকসভা আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির প্রতিনিধিত্ব করে নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে ১২ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে জন্ম রিংকু সিংয়ের। তিনি ভারতীয় দলের বর্তমান সময়ের নিয়মিত মুখ। আইপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ভারতীয় দলে সুযোগ পান। ইতোমধ্যে ৪৮টি টি-টোয়েন্টি আর দুটি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে ভারতের জয়ে অবদান রেখেছেন।

সকালের যে ৬ অভ্যাসে নিঃশব্দে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আপনার লিভার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সকালের যে ৬ অভ্যাসে নিঃশব্দে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আপনার লিভার

ঘুম ভাঙার পর এক কাপ চায়ে চুমুক দেওয়া, নাশতা না খেয়ে কাজে বেরিয়ে পড়া কিংবা বিছানায় শুয়ে দীর্ঘ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অলস স্ক্রলিং—দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত সাধারণ ও স্বাভাবিক কিছু চিত্র। আপাতদৃষ্টিতে এসব আচরণকে নির্দোষ মনে হলেও প্রতিদিনের এই রুটিনই মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার বা যকৃতের জন্য ডেকে আনছে মারাত্মক বিপর্যয়।

খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান প্রক্রিয়াজাত করা, চর্বি ও শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন ওষুধ ও অ্যালকোহলের উপাদান শরীর থেকে নিষ্কাশনসহ বহুবিধ জটিল কর্মকাণ্ড সার্বক্ষণিক পরিচালনা করে লিভার। তবে এই অঙ্গটির জটিল কোনো অসুখ দেখা দিলেও প্রাথমিক পর্যায়ে স্পষ্ট কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। ফলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের রুটিনে অতি সাধারণ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনে লিভারকে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

১. নিয়মিত সকালের নাশতা বাদ দেওয়া
ওজন কমানোর তীব্র তাড়না কিংবা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের নিয়ম মানতে গিয়ে অনেকেই নিয়মিত সকালের নাশতা বাদ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পেট খালি রাখার অভ্যাস সবার শরীরের জন্য উপযোগী নয়। রাতের দীর্ঘ বিরতির পর রক্তে শর্করার কাঙ্ক্ষিত মাত্রা বজায় রাখতে লিভারকে বাড়তি চাপ নিতে হয়। এ সময় শরীরে সংরক্ষিত গ্লাইকোজেন ভেঙে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে লিভারের ওপর চাপ তৈরি হয়। তাই সকালে ক্ষুধা না পেলেও একেবারে অভুক্ত না থেকে ওটস, ডিম সেদ্ধ, বাদাম কিংবা চিয়া বীজের মতো পুষ্টিকর ও হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

২. মিষ্টি ও উচ্চ ফ্রুক্টোজযুক্ত খাবার দিয়ে দিন শুরু
দিনের সূচনায় অতিরিক্ত মিষ্টিযুক্ত খাদ্য গ্রহণও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। সকালের তালিকায় থাকা মিষ্টি সিরিয়াল, জ্যাম লাগানো পাউরুটি, মাফিন বা প্রক্রিয়াজাত গ্র্যানোলা খাবারে ব্যাপক মাত্রায় ফ্রুক্টোজ থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্রুক্টোজের অতিরিক্ত ব্যবহার সরাসরি লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, যা কালক্রমে ফ্যাটি লিভারের বড় ঝুঁকিতে রূপ নেয়। অনেকে সাধারণ চিনির বিকল্প হিসেবে মধু বা প্রাকৃতিক মিষ্টি ব্যবহার করলেও তা চিনির ক্ষতি থেকে শরীরকে পুরোপুরি রক্ষা করতে পারে না।

৩. খালি পেটে ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ
ঘুম ভেঙেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খালি পেটে ভিটামিন, বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণের প্রবণতা লিভারের বিপাক ক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাজারে ‘হারবাল ক্লিনজ’ নামে প্রচলিত তথাকথিত ভেষজ পণ্যগুলো লিভারের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ ছাড়া নিজে থেকে একাধিক সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৪. ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ অলস শুয়ে থাকা
অ্যালার্ম বন্ধ করে দীর্ঘক্ষণ বিছানায় অলস সময় কাটানো এবং কোনো ধরনের কায়িক পরিশ্রমে যুক্ত না হওয়া সামগ্রিক বিপাকপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। লিভারের স্বাস্থ্য সক্রিয় রাখতে জিমে গিয়ে ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই; ঘুম থেকে ওঠার পর মাত্র ১০ মিনিটের নিয়মিত হাঁটা, হালকা স্ট্রেচিং বা শরীরচর্চাই শরীরকে কার্যকরভাবে সচল করতে সাহায্য করে।

৫. ‘ডিটক্স ড্রিংক’-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিভিন্ন ‘ডিটক্স ড্রিংক’—যেমন লেবু, ভিনেগার, হলুদ বা রসুনের মিশ্রণ নিয়মিত পান করাকেও ঝুঁকিপূর্ণ বলছেন গবেষকরা। তাদের মতে, লিভার নিজেই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ফিল্টার ব্যবস্থা এবং শরীর প্রাকৃতিকভাবেই বর্জ্য অপসারণে সক্ষম। কৃত্রিম এসব পানীয় বা পণ্যের অতিরিক্ত ভেষজ উপাদান লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা উল্টো নষ্ট করতে পারে। তাই তথাকথিত ডিটক্স পণ্যের পেছনে না ছুটে পর্যাপ্ত পানি ও সুষম খাদ্যেই আস্থা রাখা জরুরি।

৬. আগের রাতের অনিয়ম ও ঘুমের ঘাটতি
সকালের শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে আগের রাতের জীবনযাত্রা। দেরিতে ঘুমানো, ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত বা ভারী খাবার খাওয়া এবং গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল বা ল্যাপটপের আলোয় সময় কাটানো শরীরের হরমোন ও শর্করার ভারসাম্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে। এই ব্যাঘাত সরাসরি লিভারের বিপাক ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লিভারের যত্ন নেওয়ার জন্য কোনো ব্যয়বহুল ফুড সাপ্লিমেন্ট বা অলৌকিক পানীয়ের প্রয়োজন নেই। পরিমিত সুষম আহার, পর্যাপ্ত রাতের ঘুম, নিয়মিত স্বাভাবিক শারীরিক সক্রিয়তা এবং অযাচিত ওষুধ এড়িয়ে চলার মতো মৌলিক ও সুশৃঙ্খল অভ্যাসের মাধ্যমেই এই অঙ্গটিকে দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ রাখা সম্ভব।

‘নামে বিজ্ঞান আছে’ ভেবেই ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন মিথিলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
‘নামে বিজ্ঞান আছে’ ভেবেই ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন মিথিলা

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দেশের মাটিতে অনেক আগেই মডেলিং ও অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত তিনি।
পড়াশোনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পডকাস্টে নিজের উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্বাচনের পেছনের অজানা ও কৌতূহলোদ্দীপক গল্প শোনালেন এই অভিনেত্রী।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়েছেন অনার্স ও মাস্টার্স। তবে এই বিষয়টি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি তার জন্য ছিল অনেকটাই আকস্মিক। ছোটবেলায় মায়ের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে যাওয়া-আসার স্মৃতিই পরবর্তী সময়ে তার বিষয় নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলে।

 

মিথিলা জানান, এসএসসি ও এইচএসসি দুটিই তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে পড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাকে। মিথিলা বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছি। অনার্স এবং মাস্টার্স দুটোই।’

মিথিলার কথায়, ‘আমার ধারণা, অবচেতন মনে আমার ভেতরে একটা একটা ভালোবাসা ছিল ওই জায়গাটার প্রতি। তো সেখান থেকে আমি ভাবলাম যে, না ঠিক আছে আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়বো। কিন্তু যদি পড়ি তাহলে আমি কলাভবনেই পড়ব। আমি অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়ব না।’

মিথিলা বলেন, ‘সায়েন্সের মানে ম্যাথস, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এসব বিষয় পড়ে আমার অভ্যাস। তো সেখানে (কলা ভবন) যাওয়ার পর যখন আমাকে বিভিন্ন ধরনের বিষয় বলা হচ্ছিল, পলিটিক্যাল সায়েন্স, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, ইকোনমিক্স— আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।’

 

পরিবারে তিনিই ছিলেন প্রথম প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ফলে কোন বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও কাছাকাছি ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভর্তি সাক্ষাৎকারের সময় তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বেছে নিতে বলা হলে তিনি সেটিই গ্রহণ করেন।

মিথিলার কথায়, ইন্টারভিউয়ের সময় আমাকে বলল, ‘তুমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান না?’ আমি বললাম, ঠিক আছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান তো আছে। সেরকমভাবে কিছু জেনে বুঝে আমি আমার বিষয়টা নির্বাচন করতে পারিনি আসলে।