সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই হুটহাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং উপদেষ্টাদের পরামর্শ এড়িয়ে চলছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে তিনি যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্প মূলত ইরানের কতগুলো লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে, সেসব কৌশলগত হিসাব নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ইরানের অভ্যন্তরে বড় কোনও বিস্ফোরণের ফুটেজ দেখতে তিনি পছন্দ করতেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইরানের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার খবর জানার পর ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর চিৎকার করেছেন। একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টকে সিচুয়েশন রুম থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। কারণ তার অস্থিরতা পরিস্থিতির উন্নয়নে কোনও কাজে আসবে না বলে মনে করতেন তারা।

দ্বিতীয় বিমানচালক উদ্ধার হওয়ার পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ধারাবাহিক হুমকি দিতে শুরু করেন। ইস্টার সানডের সকালে অশ্রাব্য ভাষায় তিনি হুমকি দিয়েছিলেন। ওই পোস্টের শেষে তিনি লিখেছিলেন, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্টার ডে-র দিনে প্রেসিডেন্টের মুখে অশ্লীল ভাষা এবং মুসলিম শব্দবন্ধ ব্যবহারের কারণে রিপাবলিকান সিনেটর ও খ্রিস্টান নেতারা হোয়াইট হাউসে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে ট্রাম্প এক উপদেষ্টাকে বলেছিলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করতে তিনি নিজেই এই ‘আল্লাহ’ লাইনটি লিখেছিলেন, যাতে তাকে অস্থির ও অনিশ্চিত মনে হয়। কয়েক দিন পর ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে’ বলে তিনি যে হুমকি দিয়েছিলেন, সেটিও উপদেষ্টাদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছাড়াই হুট করে দেওয়া হয়েছিল। ইরানকে ভয় পাইয়ে দিয়ে চুক্তিতে রাজি করানোর জন্যই এটি করা হয়েছিল বলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানান।

ট্রাম্পের চুক্তি করার আগ্রহের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা অবাক হয়েছিলেন যে, ইরান কত দ্রুত ও সহজে এই জলপথটি বন্ধ করে দিতে পেরেছে। ট্রাম্প নিজেও অবাক হয়ে বলেছেন, ‘ড্রোন হাতে একজন মানুষ কত সহজে হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে!’। জ্বালানি কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীরা জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা ট্রাম্পকে মাঝেমধ্যে চাপে রাখলেও, কখনও কখনও তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘন ঘন ফোন সাক্ষাৎকার তার প্রেস টিমের সঙ্গে সমন্বয় করা ছিল না। প্রেস টিম তাকে মিডিয়াতে কথা কমানোর পরামর্শ দিলেও তিনি তা শোনেননি। তার উপদেষ্টারা তাকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরামর্শ দিলে তিনি তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ‘তিনি কী বলবেন? তিনি তো জয় ঘোষণা করতে পারছিলেন না। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিজেও জানতেন না।’ শেষ পর্যন্ত ১ এপ্রিল তিনি ভাষণ দিলেও যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে বা জনসমর্থন বাড়াতে খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি।

ইরানকে আলোচনায় আসার সময়সীমা দেওয়ার পরও ট্রাম্পের মনোযোগ ছিল ইন্ডিয়ানার নির্বাচন, মধ্যবর্তী নির্বাচন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির দিকে। দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ উপদেষ্টাদের তিনি কেবল ইরানকে চুক্তিতে রাজি করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের বলরুম সংস্কার এবং আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

Ads small one

তালায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আন্তঃধর্মীয় নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
তালায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আন্তঃধর্মীয় নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আন্তঃধর্মীয় শান্তি ও নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট নির্মিত ধর্মীয় সম্প্রীতিবিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, মাদকাসক্তি, আত্মহত্যা, মানব পাচার, মব সন্ত্রাস ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা এবং বাল্যবিবাহবিষয়ক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক নাজমুন নাহারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হোসেন, কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম মোস্তফা, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টরের প্রতিনিধি ড. নাজমুন নাহার, খুলনা বিভাগীয় প্রধান রাজু জবেদ, অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, সমাজসেবক আব্দুল কুদ্দুস, রবিউল ইসলাম ও মো. ইদ্রিস আলী।
সমাবেশে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গ্রাম পুলিশ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ ছাড়া মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভিডব্লিউবি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির তিন শতাধিক উপকারভোগী নারী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে অগ্রগতি সংস্থার সৌজন্যে ৪০০টি গাছ ও শাকসবজির চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ১৮৮ জন ভিডব্লিউবি উপকারভোগী নারীর প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।

ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করলেন রমজান আলী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করলেন রমজান আলী

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের ভবানীপুর মোড় এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ ও দোয়া চেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী।

সোমবার আসরের নামাজের পর তিনি এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে যান এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন, বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সবার কাছে দোয়া চান।

শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময়

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা ও সরকারি সেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় শ্যামনগর অফিসার্স ক্লাবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ‘নাগরিক উদ্যোগ’-এর বাস্তবায়নে এবং ‘জয়িতা প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থা’র সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফাউন্ডেশন ফর এ জাস্ট সোসাইটি’র অর্থায়নে পরিচালিত দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধিবিষয়ক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়িতা প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক অষ্টমী মালো।
সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী (ফিল্ড অর্গানাইজার) বিশ্বজিৎ ম-ল। এ ছাড়া বক্তব্য দেন দিশারী প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুমার ম-ল এবং নাগরিক উদ্যোগের প্রকল্প কর্মকর্তা চিরনজিত কুমার মালো।
বক্তারা উল্লেখ করেন, দলিত জনগোষ্ঠীরÑবিশেষ করে নারী ও কিশোরীদেরÑঅধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি।