মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

এক জীবনের আলোছায়া—নকিপুরের নোনাজলে শিক্ষক কৃষ্ণানন্দের স্বপ্নযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
এক জীবনের আলোছায়া—নকিপুরের নোনাজলে শিক্ষক কৃষ্ণানন্দের স্বপ্নযাত্রা

এসএম শহীদুল ইসলাম : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কোলে নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গেট দিয়ে ঢুকলেই এখন চোখে পড়ে সারি সারি দেবদারু গাছ। বাতাসে দুলছে আম-লিচুর মুকুল, কামরাঙা আর আমলকির ভারে নুয়ে পড়া ডালগুলো যেন এক একটি সফল গল্পের সাক্ষী। তবে এই বাগানের কারিগর আজ আর দাপ্তরিক চেয়ারে নেই। গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে তিনি অবসর নিয়েছেন। কিন্তু ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার ডামাডোল যেন আবারও টেনে নিয়ে যাচ্ছে তাকে সেই চিরচেনা ব্ল্যাকবোর্ড আর চক-ডাস্টারের ঘ্রাণে।

বিদ্যালয়ের ঘণ্টাধ্বনি থেমে যায়, কিন্তু কিছু মানুষের জীবন থেকে শিক্ষা কখনো বিদায় নেয় না। শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড, পরীক্ষার খাতা, বারান্দায় ছুটে চলা কিশোরীদের হাসি—সব মিলিয়ে যে জীবন, তারই এক নিবেদিত প্রতিচ্ছবি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জি।

২০১০ সালের ২৬ জুলাই, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। আর দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর, ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ অবসর নেন। এই সময়টুকু যেন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নয়—পুরোটাই ছিল একটি প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে স্বপ্ন বুননের গল্প।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের কথা ভাবার অবকাশ ছিল না এক দিনের জন্যও। বিদ্যালয়ের শ্রীবৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরীক্ষাকেন্দ্র আধুনিকায়ন—প্রতিটি ধাপে ছিল তাঁর নিরলস পরিশ্রম। এসএসসি ও তৎকালীন জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে সেই কেন্দ্র আজ একটি পরিপূর্ণ কাঠামো—যেখানে ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা।

বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোতেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। তাঁর হাত ধরেই নির্মিত হয়েছে পাঁচতলা আধুনিক ভবন। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় এগিয়ে নিতে গড়ে তোলা হয়েছে আইসিটি সমৃদ্ধ পরিবেশ—৭টি স্মার্ট বোর্ড, ২১টি ল্যাপটপ, ৫টি ডেস্কটপ, রোবটিক কর্নার, ব্রডকাস্টিং সিস্টেম, সিসি ক্যামেরা—সব মিলিয়ে এক আধুনিক শিক্ষাঙ্গন।

শুধু পাঠ্যপুস্তকের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই বিদ্যালয়। সংগীত চর্চার জন্য হারমোনিয়াম, তবলা, স্কাউটসের জন্য ড্রামসেট—সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমেও ছিল সমান গুরুত্ব। জাতীয় দিবস কিংবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই অর্জন করেছে শ্রেষ্ঠত্ব।

প্রকৃতির ছোঁয়াও যেন জড়িয়ে আছে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কোণে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লাগানো আম, লিচু, কামরাঙ্গা, আমলকি, সুপারি ও নারিকেল গাছে এখন ফলের সমারোহ। সারি সারি দেবদারু গাছ শোভা বাড়িয়েছে শিক্ষাঙ্গনের। পাকা রাস্তা, সীমানা প্রাচীর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানটিকে দিয়েছে পূর্ণতা।

এই অর্জনের স্বীকৃতিও এসেছে বারবার। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ছয়বার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বিদ্যালয়টি। শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। কৃষ্ণানন্দ মুখার্জি নিজেও একবার হয়েছেন শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক।

তাঁর কর্মজীবন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়। ১৯৮৩ সালে কলবাড়ী নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে যাত্রা শুরু। এরপর ২২ বছর নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ৩৫ বছর তিনি ছিলেন বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার দায়িত্বে—কখনো কেন্দ্র সচিব, কখনো গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বাবধায়ক।

পেশাগত জীবনের পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও ছিলেন সক্রিয়। সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এখনো। এছাড়া শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ও স্কাউটসের কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই পথচলায় তিনি পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার স্বাদও—থাইল্যান্ডে ১৩ দিনের স্টাডি ট্যুর এবং মালয়েশিয়ায় আইসিটি প্রশিক্ষণ তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে করেছে আরও প্রসারিত।

 অবসর জীবনের নির্জনতায় দাঁড়িয়ে যখন আবার শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা, তখন স্মৃতিরা যেন ফিরে আসে একে একে। পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রতিটি ইট, প্রতিটি বেঞ্চ যেন তাঁর শ্রমের সাক্ষী হয়ে কথা বলে।

কৃষ্ণানন্দ মুখার্জির কণ্ঠে মিশে থাকে এক ধরনের নীরব আবেগ—

“সবকিছু এখন স্মৃতি। তবু মনে হয়, এই বিদ্যালয়টাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয়।”

সময়ের স্রোতে অনেক কিছুই বদলে যায়। কিন্তু কিছু মানুষের শ্রম, নিষ্ঠা আর ভালোবাসা—একটি প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে দেয়ালে অমলিন হয়ে থাকে চিরকাল।##

Ads small one

সম্পাদকীয়/ বখাটে, মাদক, জুয়া ও চুরির রুখতে আশু পদক্ষেপ জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ বখাটে, মাদক, জুয়া ও চুরির রুখতে আশু পদক্ষেপ জরুরি

পাটকেলঘাটা ও সাতক্ষীরা শহরের সাম্প্রতিক অপরাধচিত্র জেলাটির সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। একের পর এক বখাটেপনা, চাঁদাবাজি, নারীদের উত্ত্যক্তকরণ, চুরি ও মাদকের বিস্তারে সাধারণ মানুষের জনজীবন আজ চরম অতিষ্ঠ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। দেশের পূর্বাঞ্চলীয় বা দক্ষিণাঞ্চলের যেকোনো অঞ্চলে যখন অপরাধীরা এতটা বেপরোয়া হয়ে ওঠে, তখন তা সমাজব্যবস্থার সামগ্রিক শিথিলতাকেই নির্দেশ করে।
পাটকেলঘাটার কালীবাড়ী রোড, হাইস্কুল রোড কিংবা কুমিরা মহিলা কলেজের আশপাশের এলাকাগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা ও ছবি তোলার মতো অপরাধ শুধু ব্যক্তি নিরাপত্তা বিঘিœত করছে না, বরং নারীশিক্ষার পরিবেশকেও ব্যাহত করছে। তার ওপর পুকুরে গোসলরত নারীদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা সামাজিক নৈতিকতার চরম অবক্ষয় প্রকাশ করে। অন্যদিকে, কৃষি ও মৎস্যজীবীদের ওপর নেমে এসেছে আর্থিক বিপর্যয়। খলিশখালী ইউনিয়নে গত ছয় মাসে ৬৫টি সেচ পাম্প চুরি এবং মাছের ঘের থেকে চুরি শুধু অপরাধই নয়, এর মাধ্যমে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতি ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। চুরি করা মালামাল ও মাছ কম দামে বিক্রি করে সেই অর্থ মাদকের পেছনে ব্যয় করার যে তথ্য উঠে এসেছে, তা ইঙ্গিত করে যে এই অপরাধচক্রের মূলে রয়েছে মাদকের নীল ছোবল।

একইভাবে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সিটি কলেজ মোড় এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে ধারাবাহিক চুরির ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির দুর্বলতা স্পষ্ট করে তোলে। পুলিশের হাতেনাতে আটক বা অভিযানের পরও যখন চুরি থামে না, তখন সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য নিরাপত্তা সবচেয়ে মৌলিক শর্ত।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া হলেও কেবল আশ্বাসেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। এখন প্রয়োজন দৃশ্যমান ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ। পাটকেলঘাটার চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকা এবং শহরের সিটি কলেজ মোড়ে নিয়মিত বিট পুলিশিং ও নৈশ টহল দ্বিগুণ করতে হবে। বখাটে চক্র যে মাদক স্পটগুলোতে আড্ডা দেয়, সেগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মাদকের সরবরাহ বন্ধ করা জরুরি। চুরি যাওয়া সেচ পাম্প বা মাছের মতো চোরাই পণ্যের ক্রেতা ও চোর চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও তরুণদের সমন্বয়ে মহল্লাভিত্তিক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করে পুলিশের সাথে যোগাযোগের পথ সুগম করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগীরা নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন।
জনগণের জীবনের নিরাপত্তা ও সম্পদে হাত দেওয়া অপরাধীদের প্রতি কোনো অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ নেই। প্রশাসন অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে নাগরিকদের আস্থা ফিরিয়ে আনবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

পাটকেলঘাটায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় ১০ পিস ইয়াবাসহ রহমত আলী মিঠু (৪০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাটকেলঘাটা পাঁচরাস্তা মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রহমত আলী মিঠু যুগিপুকুরিয়া গ্রামের সুজাউদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় ইলেকট্রনিক্স মিস্ত্রি।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

দেবহাটায় টিআরএম চালু ও সরকারি খাল খননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় টিআরএম চালু ও সরকারি খাল খননের দাবি

সংবাদদাতা: স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দেবহাটা উপজেলা পানি কমিটির নিয়মিত ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় পারুলিয়া ট্রেড স্কুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘উত্তরণ’ ও উপজেলা পানি কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল ফজলের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন কমিটির সম্পাদক অধ্যাপক রাজু আহমেদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উত্তরণ সীমান্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ওয়ারেছীন কবির, উত্তরণের প্রকল্প কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সানা, টাউন শ্রীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আফছার আলী, শাখা ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম, দেবহাটা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিটন ঘোষ বাপি ও মাঠ সংগঠক গোলাম হোসেন।
সভায় বক্তারা এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করার ওপর জোর দেন। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে নদীর পাশাপাশি জলাধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার এবং সরকারি খালগুলো পুনঃখননের দাবি জানানো হয়।
জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ‘টিআরএম’ (টিডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট বা জোয়ার-ভাটা নদী ব্যবস্থাপনা) অবিলম্বে চালু করার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, কেবল নদী বা খাল খনন করে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, কারণ দ্রুত পলি জমে তা আবার ভরাট হয়ে যায়। টিআরএম চালু করে জোয়ারের পলিযুক্ত পানি নির্দিষ্ট বিলে আবদ্ধ করে পলি ফেলা এবং ভাটার টানে নদীর নাব্য বজায় রাখাই একমাত্র টেকসই পথ। দেবহাটার নদী ও খালের সাথে টিআরএম সংযোগ করা না হলে প্রতিবছর কৃষি জমি ও লোকালয় প্লাবিত হবে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।