শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

কলারোয়ায় বাংলা নববর্ষ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় বাংলা নববর্ষ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা উপজেলা কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বাংলা বর্ষবরণের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে গ্রহণ করা হয়। ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখ সকাল ৮ টায় জাতীয় সংগীত ও শান্তির প্রতীক কবুতর উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু হবে বৈশাখের শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রা শেষে কলারোয়া পাবলিক ইনস্টিটিউট চত্বরে সকলের জন্য পরিবেশিত হবে বাঙালির চিরায়ত খাদ্য পান্তা ভাত। এরপর সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বৈশাখী মেলার স্টল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম। লোকজ ঐতিহ্যের নানা মিষ্টান্নের স্টল ছাড়াও থাকবে সরাসরি মুড়িসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য বানানোর স্টল। খেলাধুলার মধ্যে রশি টানা, চেয়ার সিটিং, হাঁড়িভাঙাসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের উদ্যোগে গ্যাস সিলিন্ডার নেভানো ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার সরেজমিনে দেখানো হবে। দ্বিতীয় পর্বে থাকছে লোকজ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর আগে ১৩ এপ্রিল সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ছবি অঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করেন থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাইদুর রহমান রেজা, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম এনামুল ইসলাম, উপজেলা জামাতের আমীর মাওলানা কামরুজ্জামান ও পৌর আমীর সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরে আলম নাহিদ, সমবায় কর্মকর্তা অনিমেষ দাশ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন্নাহার আক্তার, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা হালিমা খাতুন, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ মোল্লা, সহকারী প্রোগ্রামার মোতাহার হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কান্তি দাস, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, পাবলিক ইনস্টিটিউট এর সাধারণ সম্পাদক আখলাকুর রহমান শেলী, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে, কেরালকাতা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া লায়লা, কলারোয়া ডায়াবেটিস হাসপাতালের ব্যবস্থাপক শেখ বদরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংবাদিক সহকারী অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, কাজী সিরাজ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ প্রমুখ।

Ads small one

গ্রন্থ আলোচনা/ সাদা-কালো: হৃদয়ে রক্তক্ষরণের অনন্য বয়ান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
গ্রন্থ আলোচনা/ সাদা-কালো: হৃদয়ে রক্তক্ষরণের অনন্য বয়ান

রফিকুর রশীদ
সাদা-কালো।
উপন্যাসের নাম। লেখক ফেরদৌস হাসান। নাটকের মানুষ। সিনেমারও। আবার উপন্যাসেও দুর্দান্ত শক্তিমান। বছরে বছরে একটি করে জীবনঘষা আগুনের স্পর্শমাখা উপন্যাস আমরা পাই তাঁর কাছ থেকে। এবারেরটি সাদা-কালো। যথার্থই সাদা-কালো। কৃত্রিম রঙের কোনো ছোঁয়া নেই। পাঠকের চিন্তা বা দৃষ্টিকে বিভ্রান্ত করে গোলকধাঁধায় ফেলার কোনো চেষ্টা নেই। যা দেখেছেন, তা-ই বিশ্বস্তার সঙ্গে এঁকেছেন। তবু সেটা ফটোগ্রাফি নয়, আবার ইতিহাস লেখাও নয়; হয়েছে শিল্প। লেখকের উদ্দিষ্ট লক্ষ শিল্পের সুউচ্চ এবং আধুনিক মাধ্যম উপন্যাস রচনা করা। সেই কাজটি তিনি অতিশয় নিপুণ হাতে করেছেন সাদা-কালোতে। সময়কে পাঠ করার এবং মানুষকে বুকের ভেতরে ধারণ করার সংবেদনশীল এবং প্রখর দৃষ্টিভঙ্গি লেখকের আছে। মস্তিষ্কশাসিত নয়, শিল্পের প্রায় সব শাখার শ্রেষ্ঠ যা কিছু আমরা পেয়েছি, নিঃসন্দেহে তা মানবহৃদয়ের জারকরসে জারিত হয়ে এসেছে বলেই শ্রেষ্ঠ। হৃদয়শাসিত সাহিত্যই জয়ের পতাকা উড়িয়ে শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক অর্জন করে। ফেরদৌস হাসানের সাদা-কালো তেমনই ব্যঞ্জনাময় একটি উপন্যাস।
গল্প-উপন্যাস কিংবা নাটকের একটি কালপরিধি বা টাইমফ্রেম থাকে। সাদা-কালো উপন্যাসের জন্য লেখক এমন একটি ধোঁয়াশামাখা সময়কে ধরেছেন, যে সময়টা একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের জন্য ছিল বিপুল সম্ভাবনাময়, আবার অপরিমেয় দুঃখ দারিদ্র্য দুর্নীতি ও হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত সময়। সম্ভাবনার এত বড় এত করুণ অপচয় বোধ করি আর কখনো হয়নি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তো সহসা একদিনের বাঁশি বাজানোর ফসল নয়, বাঙালির বহু বছরের সংগ্রামে সাধনায় রচিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিত, ফলে বহুকালের বঞ্চিত বাঙালি স্বপ্নও দেখেছে অনেক বড় করে। যুদ্ধোত্তর সময়ে বাঙালি শক্তি সাহস শৌর্য এবং উদ্যমকে নতুন রাষ্ট্র যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বলেই বাঙালির বহুযুগের স্বপ্ন চোরাবালিতে তলিয়ে গেছে। একদিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেও স্বপ্নভঙ্গের কারণে হতাশ যুবসমাজ, অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা এবং বিরোধিতাকারী বিভ্রান্ত রাজনীতির মধ্যে বেড়ে ওঠা সশস্ত্র যুবশক্তি রাষ্ট্রীয় নিষ্পেষণের ফলে একই সমতলে এসে দাঁড়ায়। সেই সময়ে গণপ্রত্যাশার অনুকূলে তারা অবস্থান গ্রহণ করে। ‘সাদা-কালো’ উপন্যাসের ভূগোল রচিত হয়েছে যে এলাকার প্রেক্ষাপটে সেখানকার কৃষিজীবী মানুষ তখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলছে খেতের কুশার ( আঁখ) সরকার নির্ধারিত অন্যায্য মূল্যে চিনিকলের কাছে বিক্রি করা না করার প্রশ্নে। এ উপন্যাসের নায়ক রবি ততোটা রাজনীতিসক্রিয় না হয়েও তার দুলাভাই কাজল মাস্টারের কারণে এ আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পড়েছে। সত্যিকারের কথায় বাংলাদেশে নীল-আন্দোলন, চা-আন্দোলন, তামাক-আন্দোলনের মতোই কুশার-আন্দোলনও হয়েছে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে, কিন্তু এমন প্রেক্ষাপট নিয়ে উপন্যাস কিংবা নাটকের সম্ভাবনা থাকলেও শক্তিমান কোনো লেখক এগিয়ে আসেননি, এ ক্ষেত্রে ফেরদৌস হাসানের সাদা-কালো স্মারক মর্যাদা পেতেই পারে। হতে পারে পথিকৃৎ সূচকও। উপন্যাসের সূচনা হয়েছে রাজশাহীর আড়ানী অঞ্চলের কুশার-আন্দোলনকে ঘিরেই। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরো সব শাখাপ্রশাখাবিস্তারী ঘটনাবলী লেখক সাদা চোখে দেখেছেন এবং কোনো রঙের আড়াল তৈরী না করে সাদা-কালো ভঙ্গিতেই তা উপস্থাপন করেছেন এই অসামান্য উপন্যাসে।
এ উপন্যাসের চরিত্র চিত্রণের ক্ষেত্রে অসামান্য মুন্সিআনার পরিচয় দিয়েছেন লেখক। কাজল মাস্টার নয়ক নয়, উপন্যাসের খুব অল্প জায়গা জুড়ে তার অবস্থান, তবু এত বড় উপন্যাসের চৌম্বকশক্তির কেন্দ্রে তার শারীরিক উপস্থিতি না থাকলেও আদর্শিক উপস্থিতি এমনই অনতিক্রম্য যে তার শ্যালক রবি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হওয়া সত্ত্বেও শেষপর্যন্ত কাজল মাস্টারের আদর্শের অনুগামী থেকেছে। ঘটনাচক্রে রবি নানান জটিল কুটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কাজল মাস্টারের ভক্ত নার্স নীরার সহানুভূতি লাভ করে, অযাচিত ভালোবাসা পায়। সরকারি বাহিনীর সম্ভাব্য রোষানল থেকে বাঁচাতে নীরাই প্রচ- ঝুঁকি নিয়ে তাকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে সহযোগিতা করে। সে বৈরী পরিবেশ থেকে নিজেকে আড়াল করতে গিয়ে আটকা পড়ে যায় মিন্টু চৌধুরীর মতো ধুরন্ধর দুর্বৃত্তের ফাঁদে। সেখানেও তার জন্য আশির্বাদ হয়ে দেখা দেয় তার আরাধ্য স্বপ্নের রানি স্বপ্না। মুক্তিযুদ্ধে সে তার বাবাকে হারিয়েছে, সর্বোপরি পাকিস্তানি সৈন্যের পাশবিক নির্যাতনে সম্ভ্রম হারিয়ে সে প্রিন্সেস রতœা হয়ে যাত্রাপালায় নিজেকে আড়াল করেছে। পিতৃপরিচয়হীন তার গর্ভজাত সন্তানের জন্য তার বুকের ভেতরে মাতৃত্বের যে হাহাকার গুমরে মরে, সেই ছবি লেখক এঁকেছেন অপরিসীম মমতায়। সেই সন্তানের জন্য নিজেকেই সে উৎসর্গ করতে উদ্যত হয়েছে। সে বীরাঙ্গনা হয়েও কোথাও কোনো মর্যাদা পায়নি। রবিকে সে ভালোবাসে, খুবই ভালোবাসে, তবু সুস্থ স্বাভাবিক গার্হস্হ জীবন দাবি করতে পারে না। রবি নিজে মুখে জানিয়েছে সে তাকে ভালোবাসে, তবু যেন ভরসা হয় না। তাদের ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন। তবু কত অবলীলায় সে বলতে পারে, ‘ ভগবান যদি একজনই হন, তাহলে আমি আলাদা কীভাবে? ‘
আহা, বুক ভরা এত প্রেম, তবু দিনশেষে এ উপন্যাসে আমরা এক অভাবনীয় দৃশ্য দেখে চমকে উঠি — রবির হাতেই ছবিকে আত্মাহূতি দিতে হয়েছে। মানবহৃদয়ের দৃশ্যাতীত রক্তক্ষরণের চিত্র সাদা-কালো উপন্যাসটিকে শেষপর্যন্ত প্রেমের উপন্যাসই করে তুলেছে।
উপন্যাসের শুরুতেই আমরা জেনেছি কাজল মাস্টারের স্ত্রী তাপসী গর্ভবতী। প্রথম পোয়াতি বলেই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সে স্বামীর কানে সুসংবাদটি জানাতে পারেনি, কিন্তু এই মাতৃত্বে সে প্রবল অহংকার বোধ করে। মনে পড়ে যায়-সমরেশ মজুমদারের ‘গর্ভবতী’ উপন্যাসের নায়িকা জয়িতা সন্তানের আদলে তার গর্ভে ধারণ করেছিল সম্ভাব্য বিপ্লবকে। ভাবনা হয় তাপসীও কি তার গর্ভে কাজল মাস্টারের আদর্শকেই মাতৃস্নেহে লালন করে চলে? স্বামীর অবর্তমানে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় জোটেনি তার, কাজল মাস্টারের অনুসারী গ্রামবাসী তাকে পরম যতেœ ও মমতায় তাকে আশ্রয় দিয়েছে ; সে কি কাজল মাস্টারের আদর্শের প্রতি শুধুই শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য, নাকি সেই আদর্শ সবাই মিলে লালন করার জন্য? উপন্যাসের অন্যতম এক উজ্জ্বল নারী চরিত্র রবি এবং তাপসীর মায়ের মা জোহরা। এই মাতৃচরিত্রটিতেও যেনবা শেষপর্যন্ত আদর্শিক উত্তরণ ঘটে, তাই তো সর্বহারাদের প্রবল চাপের মুখেও সে অসম্ভব দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করতে পারে।
ফেরদৌস হাসানের উপন্যাসের সব চেয়ে বড় ঐশ্বর্য হচ্ছে তাঁর নিজস্ব ভাষাভঙ্গি। ছোট ছোটো বাক্যে কী যে স্বাদু গদ্য তিনি নির্মাণ করেন, আমাদের অনেকের কাছেই তা ঈর্ষণীয়। দীর্ঘকাল নাটকের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি সংলাপ রচনায় অর্জন করেছেন জাদুকরী দক্ষতা। গতিময় এই গদ্যরীতি কথাসাহিত্যিক ফেরদৌস হাসানকে বাংলা কথাসাহিত্যে স্থায়ী আসন এনে দেবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। পাঠকসমাজ এরই মাঝে তাঁকে সেই মর্যাদা দিয়েছে শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায়।

পাটকেলঘাটায় মাছ, মাংস ও সবজির দামে নাভিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় মাছ, মাংস ও সবজির দামে নাভিশ্বাস

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাণিজ্যিক কেন্দ্রের বাজারে মাছ, মাংস ও সবজির দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। গত এক মাস ধরে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন নি¤œ আয়ের ও শ্রমজীবী মানুষ।

পাটকেলঘাটায় প্রতি বুধ ও শনিবার বৃহৎ হাট বসে। দূরদূরান্ত থেকে আসা কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দামের কারণে কাক্সিক্ষত পণ্য কিনতে পারছেন না। এদিকে কাঁচাবাজারে তদারকি না থাকা এবং মাংসের দোকানে মূল্যতালিকা না টাঙানোর অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতি কেজি পোলট্রি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে প্রতি কেজি বেগুন ও পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৮০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাদা ডিমের হালি ৬০ টাকা এবং লাল ডিম ৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

মাছবাজারে মাঝারি মানের রুই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা এবং ছোট সাইজের ইলিশ ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গ্রেডভেদে বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজিতে।

খলিশখালী ইউনিয়নের ব্যবসায়ী গাজী আব্দুস সাত্তার ও দুধিয়া গ্রামের অরবিন্দ বিশ্বাস জানান, নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত মূল্যের কারণে সংসারের ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্তর্বর্তী বাসনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী বাসনা

আমিনুল ইসলাম
বহুদিন মনে সাধ-বলতে পারো জেদও
তোমার নৈঃশব্দ্যের বাগানে ঝুলে আছে
যে-সকল কমলা
আঙুর
আপেল
বাতাসের হাতে তাদের ছুঁয়ে দেখবো একবার।

বেদনার ঘরে তালা মেরে
তুমি ঘুরো পথে পথে
সবুজ আঁচলে ঝোলে
প্রভাতি রঙের একগোছা চাবি;
ইচ্ছে করে-
দুষ্টবালকের মতো ছোঁ মেরে
তোমার চাবির গোছাটা নিই
হুড়মুড় করে খুলে দেখি ওই ঘর।

তোমার কণ্ঠে মাধবকু-ের জলপ্রপাতের শব্দ
শুনে শুনে বিমোহিত কান;
কিন্তু কেন যেন মনে হয়-
সেসব কারো অশ্রু ঝরার অনুবাদ;
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই ঝর্ণার জলে অঞ্জলি ভরে নিতে চাই।
তুমি হাসলে মনে হয় যে-
কোথাও কোনো জলসাঘরের-
ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ার শব্দ হলো
এই বুঝি থেমে যায় ঘুঙুর-
নড়ে ওঠে হিমাদ্রীর গোড়া!
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই হাসির উৎসে পৌঁছাতে চাই।
অন্তর্বর্তী বাসনা
বহুদিন মনে সাধ-বলতে পারো জেদও
তোমার নৈঃশব্দ্যের বাগানে ঝুলে আছে
যে-সকল কমলা
আঙুর
আপেল
বাতাসের হাতে তাদের ছুঁয়ে দেখবো একবার।
বেদনার ঘরে তালা মেরে
তুমি ঘুরো পথে পথে
সবুজ আঁচলে ঝোলে
প্রভাতি রঙের একগোছা চাবি;
ইচ্ছে করে-
দুষ্টবালকের মতো ছোঁ মেরে
তোমার চাবির গোছাটা নিই
হুড়মুড় করে খুলে দেখি ওই ঘর।

তোমার কণ্ঠে মাধবকু-ের জলপ্রপাতের শব্দ
শুনে শুনে বিমোহিত কান;
কিন্তু কেন যেন মনে হয়-
সেসব কারো অশ্রু ঝরার অনুবাদ;
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই ঝর্ণার জলে অঞ্জলি ভরে নিতে চাই।

তুমি হাসলে মনে হয় যে-
কোথাও কোনো জলসাঘরের-
ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ার শব্দ হলো
এই বুঝি থেমে যায় ঘুঙুর-
নড়ে ওঠে হিমাদ্রীর গোড়া!
আমি একবার-
শুধু একবার-
ওই হাসির উৎসে পৌঁছাতে চাই।