সংবাদদাতা: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড ক্যাম্পেইন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শহরের পলাশপোলের শহীদ কাজল সরণিতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
নিসচা সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি এস এম মহিদার রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সাবেক সমন্বয়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, উপদেষ্টা এবং সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আবুল কালাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আলমগীর আশরাফ, সংগঠনের সহসভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মাদ পাড়, মো. ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, প্রভাষক এস এম রজব আলী ও কার্যকরী সদস্য প্রভাষক নাজমুল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলী ও শাহজাহান আলী মিটন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল উদ্দীন সরদার, প্রচার সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আতিকুজ্জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন জনি, কার্যকরী সদস্য মো. আবু সাঈদ, মো. আব্দুল মান্নান, অধ্যক্ষ মোরশেদুল হক, হাফেজ মো. আবুল হোসেন, এম এম রবিউল ইসলাম, মো. মাসুদ হাসান মনি, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ বাহার, মোহাম্মাদ হাফিজ, শেখ জোবায়ের আল জামান, মো. কামাল হোসেন, ডা. অহিদুজ্জামান, মেম্বর রবিউল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, মো. লাল্টু, আবীর হোসেন লিযন ও মো. আতিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালক দিয়ে যানবাহন পরিচালনা এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তাঁরা আরও বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ জন্য চালক, মালিক, যাত্রী, পথচারী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিকল্প নেই।