বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

কানের লালগালিচায় বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিরঞ্জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
কানের লালগালিচায় বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিরঞ্জন

আসল নামের চেয়ে পোশাকি নামেই বেশি পরিচিত তিনি। কখনও হাস্যরসাত্মক, কখনও স্পর্শকাতর বিষয়ে সংবেদনশীল কনটেন্ট তৈরি করে বারবার নেটদুনিয়ার নজর কেড়েছেন। অসংখ্য কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিড়েও নিজস্ব ঢংয়ে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন তিনি। আলু-ফুলকপির গল্প কিংবা ‘মিষ্টি বাপী’ সিরিজ দিয়ে লাখো দর্শকের মন জয় করা সেই ‘বাঙালি বাবু’ এবার পৌঁছে গেলেন বিশ্বমঞ্চে।

পশ্চিমা আড়ম্বরপূর্ণ পোশাক নয়, নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য নিয়েই ২০২৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা নিরঞ্জন মণ্ডল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘লাফটারসেন’ নামেই বেশি পরিচিত।

ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রতিদিনের চেনা বাঙালি সংস্কৃতি ও পারিবারিক চালচিত্রকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলে ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি ফলোয়ার ভক্ত তৈরি হয়েছে নিরঞ্জনের। এতদিন ঘিঞ্জি শোবারঘর, কোলাহলপূর্ণ বারান্দা কিংবা বসার ঘরের মধ্যবিত্ত হট্টগোলের মধ্যে যাকে ভিডিও শুট করতে দেখেছে জেন-জি প্রজন্ম, সেই চিরচেনা নিরঞ্জনকে কানের লালগালিচায় হাঁটতে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। একে ইন্টারনেটের ‘সাফল্যের চূড়ান্ত মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন ভক্তরা।

শনিবার ইনস্টাগ্রামে কানের লালগালিচায় অভিষেকের খবরটি জানিয়ে নিরঞ্জন লিখেছেন, ‘কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমাদের অভিষেক হতে যাচ্ছে… মনে হচ্ছে একটা স্বপ্ন সত্যি হলো।’ খবরটি শেয়ার করার পরপরই স্বস্তিকা দত্ত, ঊষসী রায় এবং পার্নো মিত্রের মতো জনপ্রিয় তারকা ও সহ-কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভেসে যান তিনি।

নিরঞ্জনের এই যাত্রা তরুণ প্রজন্ম ও আঞ্চলিক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছে অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও অনুপ্রেরণার। গ্ল্যামার আর কৃত্রিমতার দুনিয়ায় নিজেকে টিকিয়ে রাখতে নিরঞ্জন কখনও নিজের কন্টেন্ট থেকে ‘বাঙালিয়ানা’ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেননি। বাঙালি পরিবারের প্রতিদিনের ড্রামা, মধ্যবিত্তের টানাপোড়েন, আবেগের ব্ল্যাকমেইল, অদ্ভুত আত্মীয়স্বজন, ঘ্যানঘ্যানে মা আর স্থানীয় পরনিন্দা-পরচর্চার মতো খাঁটি দেশি বিষয়গুলোকে তিনি তার কমেডির মূল হাতিয়ার করেছেন। এই একেবারে স্থানীয় গল্প বলার ধরনই তাকে আজ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

১২ মে থেকে শুরু হওয়া ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে এবার ভারতীয় ডিজিটাল ক্রিয়েটরদের এক বিশাল উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে, যা আগামী ২৩ মে পর্যন্ত চলবে। কয়েক বছর ধরে কান উৎসব মূলত বলিউড তারকা, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এবং লাক্সারি ফ্যাশন অ্যাম্বাসেডরদের দখলে থাকলেও ২০২৬ সালের কান দেখাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র। এবার সিনেমার তারকাদের পাশাপাশি গ্লোবাল মঞ্চ দখল করে নিয়েছেন ইনফ্লুয়েন্সার, ফ্যাশন সমালোচক, নৃত্যশিল্পী, শেফ ও উদ্যোক্তারা। ব্রুট ইন্ডিয়ার অংশীদারত্বে এবার কান-এর অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ভারতীয় ক্রিয়েটরদের এই বৈচিত্র্যময় দল বিশ্বমঞ্চে যোগ দিয়েছে।

নিরঞ্জন ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের যে ক্রিয়েটররা এবার কানে আলো ছড়াচ্ছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন রিদা থারানা, দিশা মদন, কৃতিকা (দ্য মারমেইড স্কেলস), ইশিতা মঙ্গলা ও রুপিন্দর কৌর গিল (রুপি গিল)।

এ ছাড়া নাচের জগৎ থেকে নিধি কুমার, লাইফস্টাইল ও বিউটি ক্রিয়েটর স্মৃতি খান্না, ঈশানি মিত্র ও পবিত্রা কৌর এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরেছেন। শুধু ক্রিয়েটর নন, স্নেহা খানাল ও ভূপেন্দ্র খানালের মতো উদ্যোক্তারাও তাদের কোম্পানি ডগসি চিউ-এর মাধ্যমে কানে অংশ নিয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম

Ads small one

সভ্য দেশ হয়েও যত্রতত্র কলকারখানা তৈরি করা কাম্য নয়: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
সভ্য দেশ হয়েও যত্রতত্র কলকারখানা তৈরি করা কাম্য নয়: প্রধানমন্ত্রী

কল কারখানার কারণে যেভাবে পরিবেশের দূষণ হচ্ছে, এর জন্য আমাদের সবারই দায় আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশ সভ্য দেশ হয়েও যত্রতত্র কলকারখানা তৈরি করা হচ্ছে, তা কাম্য নয়। সবকিছু আইন দিয়ে করা সম্ভব নয়, সচেতনতার মধ্য দিয়ে করতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১০টায়।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ২১ জনের হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগেই দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। তবে কোন পরিবেশে কেমন গাছ লাগাতে হবে, এই ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ইউক্যালিপটাসের মতো ক্ষতিকর গাছ লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে।” এসময় ঔষধিসহ দেশীয় গাছ রোপণে মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইকোসিস্টেমের নিরাপদ লালন ও বিকাশের সঙ্গে মানবসমাজ জড়িত। বৃক্ষমেলা নিরাপদ ভবিষ্যৎ নির্মাণের বিনিয়োগ। এটি শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত হবে না, নৈমিত্তিক এটি করতে হবে।”

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য তালিকায় ঢাকা তৃতীয়। এনিয়ে আমাদের সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক মানুষ অজ্ঞ। তাদেরকে সচেতন করতে সবাইকে দায়িশীল আচরণ করতে হবে।”

তারেক রহমান বলেন, “সন্তান জন্ম নিলে আমরা তার নামে একটি গাছ লাগাতে পারি।” লন্ডনেও এমনটি করা হয় বলে তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম এবং ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালুসহ বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর, সবুজায়নের লক্ষ্যে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করবে সরকার। আমরা ছাদ বাগান, নগর বনায়ন, ইকো ট্যুরিজমকে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতে চাই।” এছাড়া রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী একটি করে জলপাই, জারুল ও নিম গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত জাতীয় বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি সাতটি বিভাগীয় শহরে ১৫ দিনব্যাপী, ৫৬টি জেলা সদরে সাত দিনব্যাপী এবং ২৯টি উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ঢাকার জাতীয় বৃক্ষমেলায় অংশ নিয়েছে ১২০টি স্টল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে রাজেশ শর্মা, অবস্থা সংকটাপন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে রাজেশ শর্মা, অবস্থা সংকটাপন্ন

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা রাজেশ শর্মা। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকা এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল হলেও এখনও পুরোপুরি বিপদ কাটেনি বলে জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাজেশকে। তার শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি।

অভিনেতার ঘনিষ্ঠ পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় ও তার স্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে সুদীপা বলেন, “ভেবেছিলাম বিপদ কেটেছে। কিন্তু এখন কথা বলে বুঝলাম, এখনও বিপদ কাটেনি। সুগার খুবই ওঠানামা করছে ওঁর। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাচ্ছে। বিকেলে বেশ কিছু রিপোর্ট আসার কথা। দেখা যাক কী হয়।”

জানা গেছে, দক্ষিণী তারকা প্রভাসের একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে ছিলেন রাজেশ শর্মা। শুটিং চলছিল জঙ্গলের ভেতরের একটি লোকেশনে। বিরতির সময় সহকর্মীদের সঙ্গে চা খেতে গেলে সেখানেই বিষাক্ত একটি মাকড়সা তাকে কামড় দেয়।

সুদীপা জানান, ওই এলাকায় বিষাক্ত পোকামাকড় থাকতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কামড়ের পর দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে অভিনেতার শরীরে।

বর্তমানে রাজেশের জ্বর ওঠানামা করছে বলেও জানা গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। ফলে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। হাসপাতালে রয়েছেন তার বৃদ্ধ মা, আর অন্য শহর থেকে পরিবারের সদস্যরাও নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।

কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ইরানের বিরুদ্ধে চালানো মার্কিন বিমান হামলার জবাবে এবার কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাহিনীটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর জানিয়েছে।

আইআরজিসির নৌ ও বিমান বাহিনী জানিয়েছে, তারা যৌথভাবে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটি ও জুফায়ারসহ মার্কিন বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, জুফায়ারে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আইআরআইবি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় প্রদেশসমূহ এবং পূর্বাঞ্চলের দুটি সেতুতে মার্কিন হামলার জবাবেই এই পাল্টা আঘাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

এর আগে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসি জানায়, তেহরানের উত্তর-পূর্বে আক্কালা এলাকার একটি রেলওয়ে সেতুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে আক্কালার কাছে ক্ষতিগ্রস্ত একটি রেলওয়ে সেতু দেখা গেছে।

তবে সেতুটির বিষয়ে মন্তব্য জানতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সাথে সিএনএন যোগাযোগ করলেও সেন্টকম তাদের বিবৃতিতে উপকূলরেখা বরাবর ‘৯০টি ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাতের কথা বললেও এই সেতুর বিষয়ে কোনও উল্লেখ করেনি।

ইরানের কতটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে, জানালো যুক্তরাষ্ট্রইরানের কতটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে, জানালো যুক্তরাষ্ট্র
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে বাহরাইন ও কুয়েতে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা সংকেত হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের হুমকি’ মোকাবেলা করছে।

আইআরআইবিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও সতর্ক করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কোনও পাল্টা ব্যবস্থা বা প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে এই অঞ্চলে থাকা অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও তারা তাদের হামলার পরিধি আরও বিস্তার করবে।