কেশবপুরে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে কলেজশিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাহমুদা সুলতানা (৩২) নামের এক নারী। শুক্রবার দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ওই কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদা সুলতানা অভিযোগ করেন, রফিকুল ইসলাম তাঁর আগের বিয়ে ও সন্তানের কথা জেনেও সখ্য তৈরি করেন। একপর্যায়ে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
মাহমুদা সুলতানা লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রফিকুল তাঁর ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাঁর গয়না কেড়ে নিয়ে তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। মাহমুদা বলেন, “আমি পেশায় একজন শ্রমিক। আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তিনি আমাকে বিয়ে করেছেন। এখন তালাক ও খোরপোশের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমি আমার স্বামীর ঘরে ফিরতে চাই।” এ বিষয়ে তিনি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রভাষক রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, “আমি তাঁকে বিয়ে করেছিলাম ঠিকই। কিন্তু পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় তালাক দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সবই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।”







