শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: সীমান্তে কঠোর নজরদারি: লক্ষ্য যখন পাচার রোধ ও নিরাপত্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: সীমান্তে কঠোর নজরদারি: লক্ষ্য যখন পাচার রোধ ও নিরাপত্তা

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ সংকটের প্রেক্ষাপটে ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ তৎপরতা একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের মতো সংবেদনশীল এলাকায় বিজিবির এই কঠোর অবস্থান দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবার নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যশোর রিজিয়নের অধীনে প্রতিদিন ৪৬৪টি টহল পরিচালনা এবং সীমান্ত সংলগ্ন ২২টি তেল পাম্পে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানোর বিষয়টি নির্দেশ করে যে, চোরাচালান রোধে বাহিনীটি কতটা সক্রিয়। কেবল অভিযান নয়, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মিলে টাস্কফোর্স গঠন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতামূলক সভা করার বিষয়টিও ইতিবাচক। কারণ, সীমান্ত সুরক্ষা শুধু বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়, এতে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।
সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা। এই সময়টিকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে গবাদিপশু পাচারের একটি প্রবণতা দেখা যায়। বিজিবি এবার আগেভাগেই এই পথে কড়াকড়ি আরোপ করেছে, যা দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হবে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরেই যশোর রিজিয়ন প্রায় ৬২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য এবং ২২ কোটি টাকার বেশি মাদক জব্দ করেছে। এই বিপুল পরিমাণ জব্দকৃত মালামাল একদিকে যেমন বিজিবির সাফল্যের স্মারক, অন্যদিকে এটি সীমান্তে চোরাকারবারিদের সক্রিয়তার এক উদ্বেগজনক চিত্রও ফুটিয়ে তোলে।
আমরা মনে করি, শুধু কড়াকড়ি বা টহল বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে চোরাচালান নির্মূল করা কঠিন। এর জন্য প্রয়োজন গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা এবং পাচারের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা। বিশেষ করে ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাচার রোধে পাম্প মালিক ও ডিলারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
বিজিবি মহাপরিচালকের সেই প্রত্যয়—‘বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’Ñএটি তখনই সার্থক হবে যখন সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তথ্য দিয়ে বাহিনীকে সহযোগিতা করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির এই পেশাদারিত্ব বজায় থাকবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

দাহন ও প্রশান্তির মিলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
দাহন ও প্রশান্তির মিলন

জহুরুল হক জুলু
ভালোবাসা কোনো শৃঙ্খলিত জীবন নয়,
এ এক মুক্ত আকাশ-
যেখানে স্মৃতির পাখিরা উড়ে বেড়ায়
নীরবতার অসীম পরিসরে।

এটি এক অদৃশ্য অর্ঘ্য,
যা আত্মার গভীরে নিবদ্ধ থাকে,
যেমন শিশিরবিন্দু—
পত্রপল্লবের সবুজে নতজানু হয়ে
ক্ষণস্থায়ী হয়েও রেখে যায়
চিরস্থায়ী দীপ্তি।

বিদায়ের সাথে সাথে ভালোবাসা বিলুপ্ত হয় না,
কিন্তু প্রকৃত সত্য-
এটি কেবল অবয়ব পরিবর্তন করে,
পরিণত হয় এক নিঃশব্দ সংগীতে
যা শ্রুতিহীন তবু শ্রাব্য,
এক অদৃশ্য আলোকরেখায়
যা দৃশ্যহীন তবু পথপ্রদীপ।

যখন তুমি জানালায় দাঁড়িয়ে
বৃষ্টির নেমে আসা দেখবে,
মনে পড়বে—
সে একদিন এমনই নেমে এসেছিল
তোমার জীবনে বিস্ময়ের অগ্নি নিয়ে,
শান্তির জলের স্রোতে
দাহন ও প্রশান্তির এক অনির্বচনীয় মিলন।

সুন্দরবনে অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড: পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ ডাকাত আটক, দু’জেলে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড: পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ ডাকাত আটক, দু’জেলে উদ্ধার

 

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনে পৃথক দু’টি অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ২ জেলেকে উদ্ধার এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। আটক ডাকাতদলের সদস্যের নাম তরিকুল (৩৫)। সে কয়রা থানার বাসিন্দা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলের সকল বনদস্যুর বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দু’টি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর অংশ হিসেবে সুন্দরবনের বিভিন্নস্থানে পৃথক দু’টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে র্দুর্ধষ ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা একটি মাছ ধরার নৌকাসহ ২জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত দয়াল বাহিনীর একজন সদস্যকে আটক করা হয়।
কোস্টগার্ড জানায়, গত ১৫ এপ্রিল মোংলা থানাধীন জয়মনিঘোল এলাকার শুয়োরমারা খাল সংলগ্ন স্থানে মাছ ধরতে গিয়ে ২ জন জেলে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়। ডাকাতরা তাদের জিম্মি রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন চালায়।
পরবর্তীতে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ১৬ এপ্রিল বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ড বেইস মোংলা কর্তৃক মুর্তি খাল সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন ১টি কাঠের নৌকাসহ ২জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা জিম্মিদের ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পাশাপাশি, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনী শ্যামনগর থানাধীন হোগলডরা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টায় কোস্টগার্ড স্টেশন কৈখালী উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ২টি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর সদস্য তরিকুলকে আটক করা হয়। সে দীর্ঘদিন যাবৎ দয়াল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতি করে আসছিল। আটককৃত ডাকাত, জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

রৌদ্রের শক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
রৌদ্রের শক্তি

 

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
ভোরের আভায় ভেদ করে আজ
উঠল বোশেখ রোদ,
খুশির আমেজ কমনা কিছু
উদয় হলো বোধ!

রোদ’ত নয় আর সূর্যের মূকুট
সৃষ্টি সুখের মূল,
বাংলা নববর্ষ এলো
মনের দুয়ার খুল।

মানব মনের ক্ষনিক প্রাণে
উল্লাসিত মন,
রৌদ্র দ্বগ্ধ অগ্রাহ্য করে
ছুটছে সারাক্ষণ।