বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

চেন্নাইয়ে কারিনার দুই ভাইয়ের রক্ত পরীক্ষা, একজন লিভার ডোনেট করবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
চেন্নাইয়ে কারিনার দুই ভাইয়ের রক্ত পরীক্ষা, একজন লিভার ডোনেট করবেন

লিভারজনিত জটিলতায় সংকটাপন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চেন্নাইয়ের ভেলোরে অবস্থিত খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর নতুন চিকিৎসাপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে চিকিৎসকেরা জানান, প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা করা হবে, এরপর করা হবে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট।

এর আগে, সোমবার (১১ মে) রাত ১১টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন কারিনা। এসময় তার সঙ্গে গেছেন মা ও দুই ভাই। তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার কায়সার হামিদ বলেন, ‘ওখানে ডাক্তাররা দ্রুত চিকিৎসা শুরু করেছেন। আগে ফুসফুসের সমস্যাটা সামাল দিচ্ছেন। এরপর লিভারে অপারেশন করা হবে। প্রেশার নিয়ন্ত্রণে আছে। হৃৎপিণ্ড, কিডনিসহ বাকি সব ঠিক আছে।’

তিনি জানান, দেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারিনাকে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল বলে ভারতের চিকিৎসকেরা মত দিয়েছেন। বর্তমানে ধাপে ধাপে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করা হচ্ছে। ফুসফুসে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারিনার দুই ভাইয়ের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন লিভার ডোনেট করবেন।

এ বিষয়ে কায়সার হামিদ বলেন, ছোট ছেলে সাদাত হামিদের রক্তের গ্রুপ কারিনার সঙ্গে মিলেছে, তবে দুই ভাইয়েরই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে রোববার কায়সার হামিদ জানিয়েছিলেন, মেয়ের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত করতে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই জটিলতায় তার লিভার ফেইলিওর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

উল্লেখ্য, কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। এদিকে তার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সহকর্মী ও ভক্তরা তার সুস্থতা কামনা করছেন।

Ads small one

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে রাজেশ শর্মা, অবস্থা সংকটাপন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে রাজেশ শর্মা, অবস্থা সংকটাপন্ন

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা রাজেশ শর্মা। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকা এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল হলেও এখনও পুরোপুরি বিপদ কাটেনি বলে জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাজেশকে। তার শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি।

অভিনেতার ঘনিষ্ঠ পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় ও তার স্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে সুদীপা বলেন, “ভেবেছিলাম বিপদ কেটেছে। কিন্তু এখন কথা বলে বুঝলাম, এখনও বিপদ কাটেনি। সুগার খুবই ওঠানামা করছে ওঁর। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাচ্ছে। বিকেলে বেশ কিছু রিপোর্ট আসার কথা। দেখা যাক কী হয়।”

জানা গেছে, দক্ষিণী তারকা প্রভাসের একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে ছিলেন রাজেশ শর্মা। শুটিং চলছিল জঙ্গলের ভেতরের একটি লোকেশনে। বিরতির সময় সহকর্মীদের সঙ্গে চা খেতে গেলে সেখানেই বিষাক্ত একটি মাকড়সা তাকে কামড় দেয়।

সুদীপা জানান, ওই এলাকায় বিষাক্ত পোকামাকড় থাকতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কামড়ের পর দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে অভিনেতার শরীরে।

বর্তমানে রাজেশের জ্বর ওঠানামা করছে বলেও জানা গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। ফলে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। হাসপাতালে রয়েছেন তার বৃদ্ধ মা, আর অন্য শহর থেকে পরিবারের সদস্যরাও নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।

কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ইরানের বিরুদ্ধে চালানো মার্কিন বিমান হামলার জবাবে এবার কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাহিনীটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর জানিয়েছে।

আইআরজিসির নৌ ও বিমান বাহিনী জানিয়েছে, তারা যৌথভাবে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটি ও জুফায়ারসহ মার্কিন বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, জুফায়ারে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আইআরআইবি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় প্রদেশসমূহ এবং পূর্বাঞ্চলের দুটি সেতুতে মার্কিন হামলার জবাবেই এই পাল্টা আঘাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

এর আগে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসি জানায়, তেহরানের উত্তর-পূর্বে আক্কালা এলাকার একটি রেলওয়ে সেতুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে আক্কালার কাছে ক্ষতিগ্রস্ত একটি রেলওয়ে সেতু দেখা গেছে।

তবে সেতুটির বিষয়ে মন্তব্য জানতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সাথে সিএনএন যোগাযোগ করলেও সেন্টকম তাদের বিবৃতিতে উপকূলরেখা বরাবর ‘৯০টি ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাতের কথা বললেও এই সেতুর বিষয়ে কোনও উল্লেখ করেনি।

ইরানের কতটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে, জানালো যুক্তরাষ্ট্রইরানের কতটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে, জানালো যুক্তরাষ্ট্র
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে বাহরাইন ও কুয়েতে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা সংকেত হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুভাবাপন্ন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের হুমকি’ মোকাবেলা করছে।

আইআরআইবিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও সতর্ক করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কোনও পাল্টা ব্যবস্থা বা প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে এই অঞ্চলে থাকা অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও তারা তাদের হামলার পরিধি আরও বিস্তার করবে।

এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, প্রার্থিতা বৈধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, প্রার্থিতা বৈধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি শপথ নিতে পারবেন।

এই বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ২ জুলাই রুলের ওপর শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৈধ ঘোষিত হওয়ার পর ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিন।

শুনানি শেষে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার আলমগীর।

গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে রুল জারি করা হয়।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন নুরুল আমিন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

এর ফলে সরোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অর্থাৎ তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও তার ফল প্রকাশ করা যাবে না।

পরে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বিজয়ী হন। তবে আদালতের নির্দেশনার কারণে তার ফল প্রকাশ করা হয়নি।

এরপর জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিনের করা আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে আপিল নিষ্পত্তি করে দ্রুত, সম্ভব হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে, হাইকোর্টকে রুলের নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যার ধারাবাহিকতায় রুল শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।