বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

জমকালো আয়োজনে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
জমকালো আয়োজনে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন

সংবাদদাতা: তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’।
তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে শনিবার (২ মে) বিকাল ৩ টায় সারাদেশের সঙ্গে একযোগে এ প্রতিযোগিতার ভার্চ্যুয়ালে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সাতক্ষীরা প্রান্ত থেকে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বেলুন ফেস্টুন ও শান্তির প্রতিক পায়ড়া উড়িয়ে সাতক্ষীরায় খেলার শুভ উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ও সাতক্ষীর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুপদ পাল, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হাশেম, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা ক্রীড়া অফিসার মাহবুবুর রহমান,জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবুসহ জেলা প্রশাসন ও সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , ক্রীড়া সংস্থা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। উদ্বোধনের আগে ৭ উপজেলার দলীয় নেতা হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

উল্লেখ্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ের শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় নির্বাচন করে প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বিকাশ করা।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারের আয়োজনে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করছে। জেলা পর্যায়ে মোট ৮টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে-ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট।

খেলাগুলো সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়াম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ পুকুর এবং সাতক্ষীরা টেনিস গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ৯ মে পর্যন্ত।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে সাতক্ষীরা থেকে নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জেলা তথ্য অফিসের উচ্চমান সহকারী মো. মনিরুজ্জামান।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।