রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের এই প্রধান জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

প্রশাসক জানান, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামায়াতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট ক্ষেত্রফল প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে ঈদগাহের প্যান্ডেলের ক্ষেত্রফল ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার। ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে তিনি জানান।

এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ (ভিআইপি) পুরুষ ২৫০ জন এবং নারী ৮০ জনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশের জন্য মোট ৪টি ফটকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ২টি এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ১টি আলাদা প্রবেশ ফটক থাকবে। অন্যদিকে বহির্গমনের জন্য মোট ৭টি ফটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৫টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক বহির্গমন ফটক নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঈদ জামায়াতে সর্বমোট ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি ও নারীদের জন্য ১টি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের কাতার এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার থাকবে।

অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদগাহ ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, নামাজের জন্য কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। এছাড়া নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ পথ ও নামাজ আদায়ের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ঈদ জামায়াতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং পানি নিরোধক সামিয়ানার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া মুসল্লিদের আকর্ষণ করতে ঈদগাহে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ৩টি ফটক। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মুসল্লিদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

Ads small one

তৃণমূলের প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে ‘নতুন কুঁড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
তৃণমূলের প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে ‘নতুন কুঁড়ি’

খুলনা প্রতিনিধি: তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানান, আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন। এ আসরে অংশ নিতে ইতোমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার অনলাইন নিবন্ধন হয়েছে। প্রথম আসরে নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার। নিবন্ধিত খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে। এতে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন। আগামী বছরের মে বা জুনে প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক খেলোয়াড় বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাঁদের প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনার দায়িত্ব সরকার বহন করবে। খেলাধুলার প্রসারের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে নির্ধারিত ক্রীড়া সূচি অনুযায়ী খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারা বছর খেলাধুলা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

কপিলমুনিতে ইয়াবাসহ কিশোর আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে ইয়াবাসহ কিশোর আটক

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনিতে ৯ পিস ইয়াবাসহ লিটন মীর (১৬) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ নাছিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। লিটন মীর রেজাকপুর গ্রামের হাসান মীরের ছেলে। পরে তাকে পাইকগাছা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

বল্লী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিদারুল আলমের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
বল্লী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিদারুল আলমের

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সেনাসদস্য ও ব্যবসায়ী মো. দিদারুল আলম দিদার। তিনি ইউনিয়নের শীবনগর গ্রামের বাসিন্দা।

দিদারুল আলম জানান, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে চান। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

দিদারুল আলমের পিতা আলহাজ রেজাউল করিম সরদার। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। তিনি কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর মৎস্য চাষ এবং গবাদিপশু ও মাছের খাদ্যের ব্যবসায় যুক্ত হন। তাঁর সরদার এন্টারপ্রাইজের শাখা রয়েছে লাবসা পলিটেকনিক মোড় ও ঝাউডাঙ্গা বাজারে। এ ছাড়া বিনেরপোতায় তাঁর একটি মৎস্য আড়ৎ রয়েছে।

দিদারুল আলমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বল্লী ইউনিয়নের ১২টি ওয়ার্ডে গণসংযোগ করছেন দিদারুল আলম। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অংশগ্রহণে ইউনিয়নের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।