সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

ড. মনিরুজ্জামানের মৃত্যুতে কলারোয়া উপজেলা সমিতির দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
ড. মনিরুজ্জামানের মৃত্যুতে কলারোয়া উপজেলা সমিতির দোয়া

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকার উপদেষ্টা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক ড. মো. মনিরুজ্জামানের মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় কলারোয়া উপজেলা সমিতির কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি আজগর আলি কাঞ্চন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জয়তু।
স্মরণসভায় মরহুম ড. মো. মনিরুজ্জামানের কর্মময় জীবন, শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে তাঁর অসামান্য অবদান এবং কলারোয়া উপজেলা সমিতির প্রতি তাঁর আজীবন আন্তরিক সহযোগিতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা ও নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, এনবিআর-এর সদস্য (প্রশাসন) জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সিজিএম আসাদুজ্জামান মিলন, প্রাইম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম, সমিতির সহসভাপতি কে এম আশরাফুজ্জামান পলাশ ও আবুল কালাম আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মিলন, অর্থ সম্পাদক আবু তারেক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আসিফ ইকবাল চয়নসহ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ। আলোচনা শেষে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

Ads small one

পাইকগাছায় হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির স্থায়িত্ব বাড়ার সাথে সাথে উপজেলা জুড়ে ডেঙ্গ জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, চলতি জুলাই মাসে হাসপাতালটিতে মোট ৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। অথচ গত জুন মাসে এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২ জন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে বর্তমানে ৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকি ২ জন রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার ও ডাবের খোসায় জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই ডেঙ্গুর এই হঠাৎ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতোমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য জরুরি সেবা ও বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, “চলতি বর্ষা মৌসুমে হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা হাসপাতাল ও মাঠ পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছি। জলোচ্ছ্বাস বা বৃষ্টির কারণে যেসব স্থানে পানি জমে থাকে, তা নিয়মিত পরিষ্কার করার জন্য সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ আরও সতর্ক করে বলেন, “শুধু পাইকগাছা থেকে নয়, বাইরে থেকেও আক্রান্ত রোগীরা এ উপজেলায় ঢুকছেন। যারা বাইরে থেকে আসছেন, তাদেরকেও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। আমরা সকলেই যদি এখন থেকে সচেতন না হই, তবে এটি মহামারী আকার ধারণ করলে তখন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে যাবে।” চিকিৎসকরা জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে এসে ডেঙ্গু পরীক্ষা করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল সচেতনতা মূলক প্রচারণাই যথেষ্ট নয়। দ্রুত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মাধ্যমে মশক নিধন স্প্রে ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা না হলে আগামী দিনগুলোতে পাইকগাছার ডেঙ্গু পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় নয় লক্ষ টাকার মালামালসহ একজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় নয় লক্ষ টাকার মালামালসহ একজন আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার ও সোমবার (১৯ ও ২০ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ঘোনা, মাদরা, ভোমরা, কাকডাঙ্গা, বৈকারী বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ জন আসামীসহ ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, উইনকোরেক্স সিরাপ, ইস্কফ সিরাপ ও গাঁজা আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ঘোনা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন দাঁতভাঙ্গা হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর ও উত্তর ভাদিয়ালী হতে ৮৮ হাজার টাকার ১৯৯ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ ও ২১ বোতল ভারতীয় ইস্কফ সিরাপ আটক করে।

 

ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার কানপাড়া হতে ৪ হাজার ৪০০ টাকার ১১ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ আটক করে। বৈকারী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার গরির মাঠ হতে ২২ হাজার টাকার ৫৫ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ আটক করে। ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর পৃথক দুইটি আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার হঠাৎগঞ্জ ও চায়নার মোড় হতে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

কাকডাঙ্গা বিওপি আভিযানে কলারোয়া থানার গেরাখালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও উক্ত বিওপির পৃথক অভিযানে কাকডাংগা মোড় হতে কলারোয়ার হঠাৎগঞ্জ বাকসা নিকারীপাড়ার মৃত মনসুর আলী বিশ্বাসের ছেলে মোঃ আল আমিন বিশ্বাস (৩১) কে ৩ হাজার ৬০৩ টাকা ৫০ পয়সার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজাসহ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৩ টাকা ৫০ পয়সা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে মাদক ও ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

আর্জেন্টিনা-স্পেনের খেলা শেষে ফেরার পথে ট্রলি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-স্পেনের খেলা শেষে ফেরার পথে ট্রলি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা-রুদ্রপুর সড়কে ট্রলি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরবাইক চালকসহ দুই যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন জন।

নিহতরা হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর ভান্ডারীর ছেলে মিদুল হাসান নাহিদ (২৫) এবং একই গ্রামের জমাত আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন ঊষা (২৭)। দুর্ঘটনায় তাদের সঙ্গে থাকা একই গ্রামের শাহজাহানের ছেলে রুবেল হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন। এছাড়াও ট্রলি চালক রুদ্রপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম ও তার সহকারি নিরব হোসেন আহত হয়েছে।

সোমবার সকালে উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ‘সালামের মোড়’ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শার্শা থানার ওসি শামিনুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবল ম্যাচ দেখার পর ভোরে উষা, নাহিদ ও রুবেল একটি মোটরসাইকেলে করে রুদ্রপুর বাজারে আসছিলেন। অন্যদিকে, ইটভাটা থেকে দ্রুতগতিতে ট্রলি নিয়ে গোগার দিকে যাচ্ছিলেন টলি চালক আমিরুল। রুদ্রপুরের সালামের মোড় এলাকায় পৌঁছালে বেপরোয়া গতির কারণে উভয় চালকই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলে থাকা উষা ও নাহিদের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী রুবেল, ট্রলি চালক ও তার সহকারিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠায়।

শার্শা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) চঞ্চল কুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাপাচি মোটরসাইকেল ও ট্রলিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।