বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

তরমুজ ও এর বীজে রয়েছে যত উপকারিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
তরমুজ ও এর বীজে রয়েছে যত উপকারিতা

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v80), quality = 80

তরমুজ। ৯২ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি এই ফলটি কেবল শরীরকে সতেজই রাখে না, এর প্রতিটি কোষে লুকিয়ে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় জটিল সব জৈব রাসায়নিক উপাদান।
প্রচণ্ড গরমে এক ফালি টকটকে লাল তরমুজের চেয়ে বড় প্রশান্তি আর কী হতে পারে! আমরা একে কেবল তৃষ্ণা মেটানোর ফল হিসেবে চিনি, কিন্তু বিজ্ঞানের ল্যাবরেটরিতে তরমুজ গবেষণার বিষয়।

তরমুজ ও এর বীজে রয়েছে যত উপকারিতা

> তরমুজের লাল রঙের রহস্য
তরমুজের টকটকে লাল রঙের পেছনে মূল কারিগর লাইকোপেন। এই শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টটি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে এর আসল জাদু লুকিয়ে আছে সাদা অংশে। তরমুজের খোসার ভেতরের এই অংশে থাকে সিট্রুলিন (C6H13N3O3) নামে উপাদান, যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে আর্জিনিন নামে অন্য এক উপাদানে রূপান্তরিত হয়। এটি নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে সাহায্য করে রক্তনালীকে শিথিল করে। ফলে পুরো শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া আরও উন্নত হয়।

> শরীর যখন ক্লান্ত
ভারী ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রমের পর পেশীতে যে টান বা ব্যথা অনুভূত হয়, তা কমাতে তরমুজ জাদুর মতো কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়ামের আগে ২ কাপ তরমুজের রস পান করলে সিট্রুলিন সরাসরি পেশির ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া আইবুপ্রোফেনের মতো কিছু ব্যথানাশক ওষুধ অনেক সময় পেটে অস্বস্তি তৈরি করে, কিন্তু তরমুজের রসে সেই ভয় নেই।

> কিডনি ও ত্বকের সুরক্ষায়
৯২ শতাংশ পানি থাকার কারণে তরমুজ কিডনি থেকে বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে এবং পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। কোলাজেন একধরনের প্রোটিন যা ত্বককে টানটান ও সতেজ রাখে। অর্থাৎ, নিয়মিত তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে কেবল ভেতর ও বাইরের থেকেও সতেজ রাখে।

> তরমুজের বীজে পুষ্টির খনি
আমরা সাধারণত বীজ ফেলে কেবল শাঁসটুকুই খাই। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, তরমুজের শাঁসের চেয়ে বীজে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। এই বীজ ম্যাগনেসিয়াম এবং ফোলেটে ভরপুর। এর ফ্যাটি অ্যাসিডগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তাই শুকনো বা কাঁচা তরমুজের বীজ খাওয়ার অভ্যাস করা বেশ উপকারী।

তরমুজ কেবল তৃষ্ণা মেটানোর ফল নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক পুষ্টির আধার। লাইকোপেন থেকে শুরু করে সিট্রুলিন—সবই আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং হৃদযন্ত্রকে সবল রাখে। তাই গরমে তরমুজ খাওয়ার সময় মনে রাখবেন, আপনি কেবল পানি খাচ্ছেন না, গ্রহণ করছেন চমৎকার এক জৈব ঔষধ।

> তরমুজের পুষ্টিগুণ ( প্রতি ১০০ গ্রামে)
নিচের ছক থেকে এই ফলের পুষ্টি সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে-

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।