বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালায় ইজিবাইক উল্টে ৫ বৃত্তি পরীক্ষার্থী আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় ইজিবাইক উল্টে ৫ বৃত্তি পরীক্ষার্থী আহত

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টে ৫জন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী আহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে ইজিবাইক চালকও। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলার তালা-হরিহরনগর সড়কের শালিখা কলেজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


আহতরা সবাই উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মুড়াগাছা ৫২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪জন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী ইজিবাইকযোগে তালা বি দে হাইস্কুল কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শালিখা কলেজের পাশে আকরাম সরদারের বাড়ির ভিতর থেকে আলফাজ সরদারের শিশুপুত্র সুলতান (৩) দৌড়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় পরীক্ষার্থী বহনকারী দ্রুতগামী ইজিবাইকটি ব্রেক করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে পড়লে বাবলু গাজীর ছেলে শাহরিয়ার মুবিন(১১), আনোয়ার মুকুল শেখ এর ছেলে সালমান হোসেন(১১), আজহারুল শেখ এর ছেলে তামিম হোসন(১২), মিজানুর শেখ এর ছেলে মাসুম শেখ (১১), ইজিবাইক চালক মৃত হাকিম সরদারের ছেলে সিদ্দীক সরদার (৩৯) ও শিশু সুলতান আহত হয়।
আহতদের মধ্যে পরীক্ষার্থী মাসুম শেখ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। আহতদের মধ্যে অন্ততঃ ৫জন হাড়ভাঙা আহত হয়। এর মধ্যে শাহরিয়ার মুবিনকে সাতক্ষীরা আনোয়ারা মেমোরিয়াল ক্লিনিকে কে ভর্তি করা হয়েছে।
মুড়াগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা (ভারপ্রাপ্ত) জানান, পরীক্ষার্থীরা সবসময় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে যায়। দুর্ঘটনা ঘটার পরে আমি পরীক্ষার্থীদেরকে তালা হাসপাতালে ভর্তি করি। এর মধ্যে একজন গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা পাঠানো হয়।

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ছাব্বিশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ছাব্বিশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: বুধবার (০৩ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ পদ্মশাখরা, কুশখালি, কাকডাঙ্গা, চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ ও চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, পদ্মশাখরা বিওপির আভিযানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জোড়াতাল গাছ নামক স্থান হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কুশখালি বিওপির আভিযানে মক্তব মোড় হতে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কেড়াগাছি হতে ৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার ঔষধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কাঁদপুর হতে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাঁকাল পাঁচানী হতে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২৬ লাখ ৩১ হাজার ১০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

দেবহাটার সখিপুরে ভ্যানচালকের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
দেবহাটার সখিপুরে ভ্যানচালকের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের চকমোহাম্মদ আলি পুর গ্রামে ভ্যানচালক আলাউদ্দিনের বাড়িতে দুঃসাহনিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে চোরের দল।

ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার পর ৩ থেকে ৪ জনের একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র তার বাড়ির দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘরে থাকা বাক্স ও আলমারি ভেঙে স্বর্ণের রুলি, চেইন, কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ অর্থ নিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে চোরেরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘর তল্লাশি করে দেখতে পান যে, প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল খোয়া গেছে।
এ ঘটনায় চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে আলাউদ্দিন বলেন, “আমি একজন গরিব ভ্যানচালক। দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ও পরিবারের মূল্যবান জিনিসপত্র চোরেরা নিয়ে গেছে। এখন আমি নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদকাসক্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে চকমোহাম্মদ আলিপুর ও চিনেডাঙ্গা সড়কে সন্ধ্যার পর থেকেই অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকজনের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। এলাকাবাসীর দাবি, অল্প বয়সী অনেক যুবক গাঁজা ও ইয়াবার নেশায় জড়িয়ে পড়ায় অপরাধ প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী চুরির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি এলাকায় নিয়মিত টহল বৃদ্ধি ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ‘বর্ণালী আর্ট’-এর ৫০ বছর পূর্তি: সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘বর্ণালী আর্ট’-এর ৫০ বছর পূর্তি: সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী ও সুনামধন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান ‘বর্ণালী আর্ট’-এর ৫০ বছর পূর্তি তথা সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় শহরের শহীদ নাজমুল সরণিস্থ বর্ণালী আর্ট ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বর্ণালী আর্ট ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক মোঃ রিয়াসাত আলীর সভাপতিত্বে সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তাঁর জ্যৈষ্ঠ পুত্র এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোস্তফা হাসান।

এছাড়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এর চিত্রশিল্পী ও আর্ট শিক্ষক জামান হোসেন, রংতুলী এড এর স্বত্বাধিকারী ও চিত্রশিল্পী মহিবুল্লাহ, ঝাউডাঙ্গা কলেজ এর প্রভাষক নাজমুন্নাহার, পিএন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এর আর্ট শিক্ষক নাজমুছ সাহাদাত, চিত্রশিল্পী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী কিংশুভ দেবনাথ।

প্রস্তুতি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে চলতি বছর ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে সুবর্ণ জয়ন্তীর মূল উৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ‘বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠনের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দিনব্যাপী এই উৎসবের সম্ভাব্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- বর্ণাঢ্য র‌্যালি, স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী, কবিতা আবৃত্তি, আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং একটি বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনী। এছাড়া এই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্থায়ী ‘অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’ (প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনী কমিটি) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের শিষ্য বর্ণালী আর্টের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রিয়াসাত আলী ১৯৪৩ সালের ১ জুলাই পুরাতন সাতক্ষীরার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরহুম হেকমী আব্দুল হাকিমের জ্যৈষ্ঠ পুত্র। রিয়াসাত আলী ঐতিহ্যবাহী মহেশ্বরপাশা স্কুল অব আর্টস থেকে চিত্রশিল্পের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের সান্নিধ্যে থেকে চিত্রাঙ্কনের উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

চিত্রশিল্পী রিয়াসাত আলী ১৯৭৫ সালে পুরাতন সাতক্ষীরা হাটখোলায় অত্যন্ত সীমিত পরিসরে ‘বর্ণালী আর্ট’ নামে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি শহরের শহীদ নাজমুল সরণিতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিট কার্যালয়ের বিপরীতে নিজস্ব স্থায়ী ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয় এবং পূর্ণাঙ্গ ‘বর্ণালী আর্ট ইনস্টিটিউট’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

গত ৫০ বছরে এই ইনস্টিটিউট থেকে প্রায় ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী চিত্রাঙ্কনের দীক্ষা নিয়েছেন। এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বর্তমানে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উচ্চপদে অত্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত আছেন। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জাতীয় শিশু পুরস্কার, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রতিযোগিতা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পরিচালিত বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় একাধিকবার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জন করেছেন।

শুধু একজন আদর্শ শিক্ষকই নন, রিয়াসাত আলী একজন সমাজসচেতন কালজয়ী শিল্পীও বটে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার চরণ- “ক্ষুধাতুর শিশু চায় না স্বরাজ, চায় দুটো ভাত একটু নুন/ বেলা বয়ে যায় খায়নিকো বাছা, কচি পেটে তার জ্বলে আগুন”- এর মর্মস্পর্শী ভাবকে তিনি তাঁর তুলির ছোঁয়ায় ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে এক অসহায় দাদি ও তার নাতির দুর্ভিক্ষের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। এছাড়া সুদীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবনে জলরং, তেলরং-এর পাশাপাশি পেনসিল স্কেচ ও কলমের আঁচড়ে তিনি গ্রাম-বাংলার নৈসর্গিক প্রকৃতি ও লোকজীবনকে পরম মমতায় ক্যানভাসবন্দি করেছেন।

প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বর্ণালী আর্টের এই গৌরবময় ৫০ বছরের যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে সর্বস্তরের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।