বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরাকে দুর্যোগ প্রবণ এলাকা ঘোষণাসহ নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবীতে স্মারকলিপি পেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরাকে দুর্যোগ প্রবণ এলাকা ঘোষণাসহ নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবীতে স্মারকলিপি পেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৫৫ বছরের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করে সাতক্ষীরা জেলার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।

বুধবার (৩ জুন) জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই সংক্রান্ত একটি ২১ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শেখ আজাদ হোসেন বেলালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলিনুর খান বাবু, অধ্যাক্ষ আব্দুল হামিদ, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দিলু, কলারোয়া নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল হাবিবুর রহমান হাবিব, নাগরিক নেতা কিশোরী মোহন সরকার, মাধব চন্দ্র দত্ত, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, কমরেড আবুল হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, আব্দুস সামাদ, মনিরুজ্জামান, এডভোকেট মনিরুদ্দিন, প্রতিবন্ধী আন্দোলনের নেতা আবুল কালাম আজাদ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা বাইজিদ হোসেন হাসান।

স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরা জেলাটি খাদ্য উৎপাদনে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অঞ্চল। এখান থেকে বছরে গড়ে ৫ লক্ষাধিক মেট্রিক টন ধান, ২৮ হাজার মেট্রিক টন বিদেশে রপ্তানিযোগ্য চিংড়িসহ ১ লক্ষ ৫০ হাজার মেট্রিক টন মাছ, প্রায় ২ লক্ষ মেট্রিক টন দুধ, ২ লক্ষ মেট্রিক টন শীতকালীন শাকসবজি, ৭৫ হাজার মেট্রিক টন আম এবং ১৫ হাজার মেট্রিক টন কুল উৎপাদন হয়। এছাড়াও ভোমরা স্থলবন্দর থেকে বছরে গড়ে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব এবং সুন্দরবন ও মৎস্য সম্পদ থেকে বিপুল পরিমাণ আয় আসে।

তবে অর্থনৈতিকভাবে এত অবদান রাখা সত্ত্বেও জেলাটি প্রতিনিয়ত ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙন, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কর্মসংস্থান সংকুচিত হওয়ায় জেলায় দারিদ্র্যের হার বাড়ছে এবং টেকসই উন্নয়নের অভাবে বহু মানুষ অস্থায়ী ও স্থায়ীভাবে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। ফলশ্রুতিতে সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় জনসংখ্যা ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, সাতক্ষীরার সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনা করে এবং এর ভৌগোলিক ঝুঁকি দূর করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে এই ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই যেন উপকূলের বেড়িবাঁধ সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নাগরিক কমিটির অন্যতম প্রধান দাবিগুলো হলো সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকাকে ‘দুর্যোগ প্রবণ এলাকা’ ঘোষণা করা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য “সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয়” গঠন করে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা। সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম আগামী শিক্ষাবর্ষ (বর্তমান সেশন) থেকেই দ্রুত চালু করা। সাতক্ষীরা থেকে মুন্সীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করা। এছাড়া শহরের প্রধান সড়ক চার লেনে উন্নীত করা এবং ঢাকার সাথে দূরত্ব কমাতে মাওয়া-ভাঙ্গা-নড়াইল-চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়ক নির্মাণ করা।

দাবীর মধ্যে আরো রয়েছে, ভোমরা স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া এবং বসন্তপুর নদীবন্দর দ্রুত চালু করা। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে একটি ক্যানসার রিসার্চ সেন্টার স্থাপন এবং জেলা ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা। আম, কুল, লিচু ও সবজি সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগার, সংরক্ষণাগার এবং কৃষিভিত্তিক ইকো-ভিলেজ মার্কেট স্থাপন করা। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে একাধিক পর্যটন স্পট তৈরি করা এবং সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প কর্মসংস্থান ও আইটি পার্ক তৈরি করা। সিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদী-খালের সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা এবং জলাবদ্ধতা দূর করতে কপোতাক্ষ, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা।

 

Ads small one

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী উত্তর সলুয়া গ্রামে জিয়ারুল মজলিস (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত জিয়ারুল মজলিস উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত নওয়াব আলী মজলিসের ছেলে। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে কোনো এক সময় বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন জিয়ারুল। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পাইকগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী জানান, “এর আগেও একবার তিনি বিষপান করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।”

এ বিষয়ে হরিঢালী ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ড সদস্য বিষু পদ রায় বলেন, “জিয়ারুল ভালো মানুষ ছিলেন। তবে কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য সমগ্র জেলার খাল-বিল-নদী-নালা দখলমুক্ত করে নেটপাটা ও অবৈধ বাঁধ অপসারণ করতে হবে। মৎস্য ঘের করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের জন্য আউট ড্রেন রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং সাতক্ষীরা পৌর এলাকার সব ড্রেন পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।  কারণ পৌরসভার অধিকাংশ ড্রেনে পানি জমে থাকে, উপচে রাস্তায় ওঠে, কিন্তু পানি নিষ্কাশিত হয় না।’

বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন।

সংলাপে গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

সংলাপে ধারণা পত্র পাঠ করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর জলাবদ্ধতা শুরু হওয়ার দীর্ঘ ৩ মাস পর যখন মানুষের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, তখন প্রশাসন ঘেরের বাঁধ কেটে পানি সরানোর ব্যবস্থা করেছিল। আমরা এবার সেই ‘দেরিতে ঘুম ভাঙা’ উদ্যোগ দেখতে চাই না। নদী ও খাল খননের মতো মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেহেতু সময়সাপেক্ষ, তাই এখনই জরুরি ভিত্তিতে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগগুলো পরিষ্কার করা, প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করা এবং বেতনা পাড়ের ১০টি বিলের অপরিকল্পিত ঘেরের বেড়িবাঁধ এখনই কেটে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করতে হবে। ঘের মালিকদের আউট ড্রেন রাখতে বাধ্য করতে হবে।

সংলাপে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক নেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, বারসিকের নগরবিদ জাহাঙ্গীর আলম, নাগরিক নেতা ও সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, ফরিদ হোসেন ময়না, আহসানুর রহমান রাজীব, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাড. এসএম বিপ্লব হোসেন, আসাদুজ্জামান সরদার, সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলী, ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের হৃদয় মন্ডল, ইফতি জামিল, বদ্দীপুর ক‌লোনীর বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, কাজীপাড়ার এরশাদ আলী প্রমুখ।

সংলাপে বক্তারা জেলার সব অকেজো স্লুইসগেট দ্রুত সচল করাসহ পানি নিষ্কাশনের সব পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে স্লুইসগেটের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার চিরায়ত ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষ নদীর মধ্যকার আন্তঃসংযোগগুলো পুনরায় খনন করে পানিপ্রবাহ সচল করা এবং সরকারিভাবে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশবান্ধব এবং জলবায়ু সহনশীল করাসহ ৭ দফা সুপারিশ করেন।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর ইউএনও অর্ণব দত্ত জলাবদ্ধতার বিপর্যয় এড়াতে এবং পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলসহ পানি নিষ্কাশনের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌর কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।