বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্যামনগরে ৪০০ ছিন্নমূল শিশুকে সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ৪০০ ছিন্নমূল শিশুকে সহায়তা প্রদান

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দুর্যোগপ্রবণ ও অবহেলিত জনপদ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৪০০ ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রতী সমাজ কল্যাণ সংস্থা। নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশী ইসলামিক কমিউনিটি (নাবিক)-এর আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘শিশু সুরক্ষা প্রকল্প’-এর আওতায় শুরু হয়েছে এসব পরিবারের জন্য নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বুড়িগোয়ালিনীতে ব্রতীর প্রকল্প কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ১ হাজার ২০০ টাকা হিসেবে দুই মাসের জন্য এককালীন ২ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এ সহায়তা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে তিন বছর চলবে। এর পাশাপাশি শিশুদের জন্য পোশাক ও শিক্ষাসামগ্রীও প্রদান করা হচ্ছে।

অর্থ সহায়তা পেয়ে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো যেমন সাময়িক স্বস্তি পাচ্ছে, তেমনি শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ।

কার্যক্রমে ব্রতীর সাতক্ষীরা এরিয়া ম্যানেজার সাইফুর রহমান, সুপারভাইজার মনিরুল ইসলাম, শাহনাজ আক্তার, মাহমুদুল হাসান, সুমাইয়া আক্তারসহ সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুধু নগদ অর্থ সহায়তাতেই সীমাবদ্ধ নয় ব্রতীর এই উদ্যোগ। প্রকল্পের আওতায় শিশু পুনর্বাসনের পাশাপাশি অসহায় পরিবারের গৃহনির্মাণ ও গৃহসংস্কার, গবাদিপশু পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা, দর্জির কাজ এবং নিরাপদ খাবার পানির ট্যাংক বিতরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খাবার পানির পুকুর খনন, পিএসএফ নির্মাণ ও সংস্কার এবং ভাসমান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া রমজানে খাদ্যসামগ্রী এবং কোরবানির সময় মাংস বিতরণের মাধ্যমে প্রতিবছর সহস্্রাধিক পরিবারকে সহায়তা করে আসছে ব্রতী।

ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন এস মুরশিদের উদ্যোগে নাবিকের সহযোগিতায় প্রায় ১৬ বছর ধরে গাবুরায় এসব মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। দীর্ঘদিনের এসব উদ্যোগের ফলে এলাকার বহু সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের পরিবার আর্থ-সামাজিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে।

ব্রতী সমাজ কল্যাণ সংস্থা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় মানবাধিকার, সুশাসন, নিরাপদ পানি, পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

 

Ads small one

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির একটি অংশ কাটা থাকায় আশপাশের দুই থেকে তিনটি গ্রামের মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে সড়কটি সচল করার উদ্যোগ নেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শামিম হোসেন।
বুধবার সকালে সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়। একই সঙ্গে সড়কে মাটি ফেলার কাজও চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজ শেষ হলে বৃহস্পতিবার থেকেই সড়কটি স্বাভাবিকভাবে চলাচলের উপযোগী হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিমতলা থেকে কন্দর্পপুর পর্যন্ত এ সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। দীর্ঘদিন সড়কের একটি অংশ কাটা থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয়রা শামিম হোসেনকে জানালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
শামিম হোসেন বলেন, “এলাকাবাসী বিষয়টি জানালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার সকালে এখানে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে মাটি ফেলার কাজ চলছে। আশা করছি, বৃহস্পতিবার থেকেই রাস্তাটি আগের মতো চলাচলের উপযোগী হবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সাধ্যমতো ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”
কালভার্ট স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রহমত আলী, সাংগঠনিক সেক্রেটারি আবু বক্কার, মাওলানা মিজানুর রহমান, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এদিকে কালভার্ট স্থাপনের উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত মাটি ভরাট ও অন্যান্য কাজ শেষ করে সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩টি ছোট-বড় দোকান পুড়ে ছাই  হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে। প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরমধ্যে ১৩টি দোকান এবং দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ, মালামাল ও জিনিপত্র পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে গেছে।

এসব দোকানের মধ্যে দুটি মিষ্টির দোকান, দুটি ভাতের হোটেল, দুটি মুদি দোকান, ১টি ফাষ্টফুডের দোকান, অন্যান্য খাবারের দোকান ছিল।

ক্ষতিগগ্রস্থ দোকানদার আরিফ শেখ, মো: বক্কার, নিমাই, রুপ সাহাসহ অন্যান্যরা জানান, তারা ভোর ৪টার দিকে খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখেন সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো: শাহাজাহান মিয়া বলে, বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং

দেবহাটা প্রতিনিধি: ‘শিশু শ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধ বিষয়ক শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে এবং সুশীলন-এর বাস্তবায়নে দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের উদ্যোগে এ শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াত নেতা জিয়াউর রহমান, দেবহাটা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এমএ মামুন, প্রকল্পের এমএন্ডই স্পেশালিস্ট মো. শরিফুজ্জামান, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. মিজানুর রহমান, নিলাদ্রী বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান, নূর মোহাম্মাদ, রবিউল ইসলাম, নাজিমউদ্দীন, শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ডা. নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, কালাম সরদার, মোছা. সাজু পারভীন, রেহেনা খাতুন ও জুলেখা খাতুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করে। শিশুদের শ্রমে না পাঠিয়ে তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, শিশুদের শ্রম থেকে বিরত রেখে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিশুর অধিকার রক্ষায় পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা জানান, শিশুশ্রম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।