মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

ধুলিহরে অসহায় বৃদ্ধাকে ‘স্বপ্নসিঁড়ি’র খাদ্যসহায়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ধুলিহরে অসহায় বৃদ্ধাকে ‘স্বপ্নসিঁড়ি’র খাদ্যসহায়তা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন ‘স্বপ্নসিঁড়ি’র উদ্যোগে ধুলিহরে এক অসহায় ও অসচ্ছল বৃদ্ধাকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সকালে স্বপ্নসিঁড়ির সদস্যরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়ায় গিয়ে ওই শতবর্ষী নারীর হাতে চাল ও ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই বৃদ্ধার মানবেতর জীবনযাপনের খবর জানতে পেরে স্বপ্নসিঁড়ির সদস্যরা এই সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেন।

স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি নাজমুল হক, সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী এস এম বিপ্লব হোসেন এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষের দিকনির্দেশনায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অতনু বোস, সদস্য অহিদুল ইসলাম, জাহারুল হুদা, জেলা সিনিয়র রোভার মেট প্রতিনিধি ফয়সাল আজম এবং স্বপ্নসিঁড়ি রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার অবীর সরকার প্রমুখ।

স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি নাজমুল হক সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

 

Ads small one

৯ সেপ্টেম্বর: আক্রমণ থেকে শিক্ষা সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
৯ সেপ্টেম্বর: আক্রমণ থেকে শিক্ষা সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক দিবস

সাকিবুর রহমান বাবলা

শিক্ষা একটি মৌলিক মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান উপাদান। কিন্তু বিশ্বের বহু অঞ্চলে যুদ্ধ, সশস্ত্র সংঘাত, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং মানবিক সংকটের কারণে শিক্ষা আজও মারাত্মক হুমকির মুখে। বিদ্যালয় ধ্বংস হচ্ছে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হচ্ছে, আর লাখ লাখ শিশু তাদের শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এই বাস্তবতায় শিক্ষার অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখার বৈশ্বিক অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রতি বছর ৯ সেপ্টেম্বর ‘আক্রমণ থেকে শিক্ষা সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক দিবস’ পালন করা হয়।

২০২০ সালের ২৮ মে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত প্রস্তাব ৭৪/২৭৫-এর মাধ্যমে এই দিবসটি ঘোষণা করে। কাতার রাষ্ট্র প্রস্তাবটি উত্থাপন করে এবং বিশ্বের ৬২টি দেশ এতে সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে। ইউনেস্কো ও ইউনিসেফ যৌথভাবে দিবসটির আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয় করে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সংঘাত ও সংকটের মধ্যেও শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে হামলা ও সামরিক ব্যবহার থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

২০২৬ সালের দিবসটির বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হলোÑ’আক্রমণের মধ্যেও কি শিক্ষা টিকে থাকতে পারে? মানবসমাজের স্থিতিস্থাপকতা ও অদম্য সক্ষমতা।’

এই প্রতিপাদ্য যুদ্ধ, সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি ও সংকটের মধ্যেও শিক্ষা চালিয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের অসাধারণ দৃঢ়তা এবং পুনরুদ্ধার ক্ষমতাকে তুলে ধরে। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের বিষয় নয়; এটি আশা, নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের মূল ভিত্তি।

দিবসটি ঘোষণার ছয় বছরেরও বেশি সময় পরও বৈশ্বিক পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের বিষয়। জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী স্কুলের ওপর ১৬৮০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেশি। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাতÑবিশেষ করে ফিলিস্তিন, ইউক্রেন, সুদান, মিয়ানমার, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং আফগানিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বহু বিদ্যালয় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, অসংখ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং লক্ষ লক্ষ শিশু দীর্ঘকাল ধরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

শিক্ষার ওপর আক্রমণ বলতে কেবল বিদ্যালয়ে বোমা হামলা বা গোলাবর্ষণকেই বোঝায় না; এর পরিধি বিস্তৃত। যেমনÑশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস বা দখল করা; বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়কে সামরিক ঘাঁটি বা ব্যারাকে রূপান্তর করা; শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর হামলা, অপহরণ বা ভয়ভীতি প্রদর্শন; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানো; সংঘাতের জেরে শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া। এসব আক্রমণ শুধু শিক্ষার মৌলিক অধিকারই কেড়ে নেয় না, বরং শিশুদের মানসিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকেও বিপন্ন করে তোলে।

আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেসামরিক অবকাঠামো হিসেবে স্বীকৃত। জেনেভা কনভেনশনের আলোকে সংঘাতের সময় এগুলোর ওপর হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেউশন ২৬০১/২০২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার অধিকার রক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেয়। পাশাপাশি ২০১৫ সালে গৃহীত ‘সেফ স্কুলস ডিক্লারেশন’ যুদ্ধকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সামরিক ব্যবহার থেকে মুক্ত রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

২০২৬ সালে ইউনেস্কো একটি ‘প্রিভেনটেটিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন’ অনুমোদন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো সংকট শুরুর আগে, চলাকালীন এবং পরবর্তীতে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে রাষ্ট্রগুলোকে কার্যকর কৌশলগত সহায়তা প্রদান করা। জাতিসংঘের মহাসচিবও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, শিক্ষা শান্তি, উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম; তাই শিক্ষাকে কখনোই যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু হতে দেওয়া যায় না।

বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ যুদ্ধাবস্থা না থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে সবার জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক ‘সেফ স্কুলস ডিক্লারেশন’-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদ রাখার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্বের কিছু দেশ শিক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আইসল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়। অন্যদিকে ফিলিস্তিন, ইউক্রেন ও সুদান বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও সংঘাত এসব দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে চরম অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিয়েছে। একইভাবে মিয়ানমার, আফগানিস্তান এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রেও শিক্ষার নিরাপত্তা একটি বড় বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয়।

শিক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিত করা শুধু সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থার একক দায়িত্ব নয়; এটি সমগ্র মানবসমাজের যৌথ অঙ্গীকার। এর জন্য জরুরিÑশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সকল প্রকার সহিংসতা ও রাজনৈতিক সংঘাতমুক্ত রাখা; বিদ্যালয়কে সামরিক বা যেকোনো অশিক্ষাগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার বন্ধ করা; শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও ‘সেফ স্কুলস ডিক্লারেশন’ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা; শিক্ষার ওপর যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

২০২০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আহ্বানের সপ্তম বর্ষে এসে ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য আমাদের সেই বার্তাই দেয়Ñমানবসমাজের অদম্য স্থিতিস্থাপকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে যেকোনো প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। তাই বিশ্বব্যাপী সকল পক্ষের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং এমন একটি পৃথিবী গড়ে তোলা, যেখানে শিক্ষা কখনোই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হবে না।

আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রেবেশের অভিযোগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রেবেশের অভিযোগে মানববন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাজরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে কাপসন্ডা বাজারে উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

খাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ বোরহান উদ্দিন বুলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. ইউনুছ আলীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম মোল্লা, খাজরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর সাত্তার গাজী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ জামাল, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদুল গাজী ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শামসুর রহমান প্রমুখ। কর্মসূচিতে এসময় বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর আশাশুনি উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অহিদুল মোল্লা অংশগ্রহণ করেন। তারা দাবী করেন, উক্ত অহিদুল মোল্লা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একাধিক মামলার আসামী।

 

বক্তারা আরো বলেন, বিএনপির কিছু সুবিধাবাদী নেতা তার কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তাকে দলে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দলের দুঃসময়ে ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করে এভাবে চিহ্নিত কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির মঞ্চে গ্রহণ করাকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা কিছুতেই মেনে নেবে না। বক্তারা এসময় বিতর্কিত এই আওয়ামী লীগ নেতা অহিদুল মোল্লার গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। একই সাথে তিনি যাতে কোনোভাবেই বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা 
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: সাক্ষরতা অর্জন করি, উন্নত জীবন গড়ি”—এমন প্রত্যয়কে সামনে রেখে যশোরের মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে  আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতার আওতায় এনে দক্ষ ও সচেতন মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্রাট হোসেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা সন্তোষস্বর সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাক্ষরতার গুরুত্ব, শিক্ষার প্রসার এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে সবাইকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।