বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ন্যায়বিচার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার: মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
ন্যায়বিচার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার: মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

বদিউজ্জামান: ‘ন্যায়বিচার কোনো বিত্তবান মানুষের একক অধিকার নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অর্থের অভাবে কোনো মানুষ যেন বিচারপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই লিগ্যাল এইড কাজ করছে।’
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করা। লিগ্যাল এইড শুধু বিনামূল্যে আইনজীবী দেওয়ার ব্যবস্থা নয়; এটি অসহায় মানুষের পাশে রাষ্ট্রের দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আইনি পরামর্শ, মামলা পরিচালনা, মধ্যস্থতা ও বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে লিগ্যাল এইড মানুষের বিচার পাওয়ার পথকে সহজ করে।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বলেন, আদালতে মামলা করাই সব সমস্যার সমাধান নয়। যেখানে সম্ভব, পারস্পরিক সমঝোতা ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা গেলে সময় ও অর্থের সাশ্রয়ের পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কও রক্ষা করা সম্ভব। লিগ্যাল এইডের মধ্যস্থতা কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, একজন দরিদ্র মানুষ যখন আইনি সহায়তার মাধ্যমে তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পান, তখন শুধু একজন ব্যক্তিই উপকৃত হন না; ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থাও আরও শক্তিশালী হয়। সমাজের প্রান্তিক মানুষকে আইনের আওতায় এনে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই লিগ্যাল এইডের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

সভায় তিনি লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে সরকারি আইনগত সহায়তার সুযোগ পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকারিয়া হোসেন, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর রহমান চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু এবং জিপি অসীম কুমার মন্ডল।
উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ, জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম, প্যানেল আইনজীবী খায়রুল বদিউজ্জামান, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, এনজিও প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান, সাকিবুর রহমান বাবলা প্রমুখ।

সভায় বিচার বিভাগ সাতক্ষীরার বিভিন্ন পর্যায়ের বিজ্ঞ বিচারক, প্যানেল আইনজীবী এবং সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিভিল জজ) লিটন দাস।

Ads small one

আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় দুটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর আবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতের বারান্দা থেকে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আসামির নাম শফিকুল ইসলাম (৩২)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জামিনে মুক্তির পর ২০২৫ সাল থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। এ ছাড়া পাটকেলঘাটা থানার অপর একটি মাদক মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজা হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে আদালতের ভবনে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শফিকুল।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের পাশের একটি অটোস্ট্যান্ড থেকে বিকেল চারটার দিকে শফিকুলকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মানিকখালী ব্রিজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বড় শিশু-চটকা গাছ দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড় সংলগ্ন ওই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। মরা গাছটির বড় দুটি ডাল হেলে থাকায় যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ইটভাটা ব্যবসায়ী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হলেও গাছটি অপসারণ করা হয়নি। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দ্রুত গাছটি কেটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার চিলেডাঙ্গা গ্রামে এক তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মে চিলেডাঙ্গা মাঠে স্থানীয় এক তরুণীকে উত্ত্যক্তের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাইমুন ও রফিকুল ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁদের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিত-া হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিশের উদ্দেশে যাওয়ার পথে রবিউল ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাঁকে লাঠিপেটা করে এবং টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।