শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২৫ বছরের দখলে থাকা জমিতে বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে উপজেলার ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগকারী সিরাজুল ইসলাম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতেপুর গ্রামের মৃত মতলেব সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া ২৫ শতক জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর ভাই সিরাজুল ইসলামও থাকেন। এসএ ২৭ খতিয়ান, যা পরবর্তী সময়ে বিএস ৮৭ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেÑঐ খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে মোট ২ দশমিক ৫৬ একর জমি রয়েছে, যার মধ্যে ২৫ শতক জমি তাঁদের।

সিরাজুল ইসলামের দাবি, একই গ্রামের সাহেব আলী সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার ও তাঁর ভাগনে আবু হানিফ বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ অবস্থায় জমি দখলের আশঙ্কায় তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ব্যক্তিকে বিবাদী করে একটি মামলা (নম্বর ১৯২/২৬) করেন।

মামলার পর আদালত সংশ্লিষ্ট জমিতে দখলের বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। তবে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে শনিবার ভোরে প্রতিপক্ষের লোকজন এসে ঐ জমির ৬ শতক নিজেদের দাবি করে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

পাইকগাছা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষের ঘেরা-বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং আদালতের আদেশ মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে জমির মালিকানা বিষয়ে মঞ্জুরুল সরদার জানান, নিজের জমির দলিল ও রেকর্ড থাকার কারণেই তিনি সীমানা ঘেরে দখল নিয়েছেন।

 

Ads small one

বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

এম.এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও বাঁক সরলীকরণ কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। দরপত্রের মাধ্যমে কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মোজাহার এন্টারপ্রাইজ’-এর ২০২২ সালের জুনে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও চার দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আঠারো মাইল (বেতগ্রাম) থেকে তালা উপজেলার মধ্যবর্তী অংশ এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় বিলম্ব হওয়ার পর গত জুনে পাইকগাছার কপিলমুনি বাজার অংশে বাঁক সরলীকরণের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে কপিলমুনি ফকিরবাসা ও পাইকগাছা গোলাবাটি মোড়ের বাঁক সরলীকরণে পিচঢালাইয়ের কাজ বাকি রয়েছে।

পথচারী মনিরুজ্জামান মনির ভাষ্যমতে, দেরিতে হলেও কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রয়েছে। বর্ষায় বড় বড় গর্ত আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির যে যন্ত্রণা ছিল, তা অবসান হতে চলেছে।

সওজের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পে ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করতে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণে ৭১ কোটি ৮২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। তবে কপিলমুনি, গোলাবাটি, গোপালপুরসহ ১০টি পয়েন্টে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগীদের চেকের অর্থ হস্তান্তরের পর বর্তমানে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এবং সুজন কয়রা শাখার সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় উন্নয়নকাজে স্থানীয়রা সার্বিক সহায়তা দিয়েছেন।
মোজাহার এন্টারপ্রাইজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাজন আহমেদ ও সওজের খুলনা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, চলতি মাসের মধ্যেই অবশিষ্ট সব কাজ শেষ করে সড়কটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

 

আশাশুনিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪৪ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আশাশুনি উপজেলা শাখা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় আশাশুনি সরকারি কলেজ মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘মেধা, সততা, দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ’ নম্বরের স্লোগান নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কলেজ সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী।

উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, জেলা সভাপতি যোবায়ের হোসেন, জামায়াতে ইসলামী জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আইনজীবী আব্দুস সোবহান মুকুল, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান, যুব বিভাগের সভাপতি চিকিৎসক রোকনুজ্জামান ও সাতক্ষীরা শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থী দীপ্তি সরকার, হাবিবা ও দিয়া। অনুষ্ঠান শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪৪ শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ। শনিবার রাত আটটার দিকে আলিপুর ইউনিয়নের বুলারআটি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম মাহমুদপুর গ্রামের মৃত মতি সানার ছেলে।

সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাসির উদ্দিন জানান, আমিনুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি কখনো সেনাবাহিনীর মেজর, আবার কখনো পুলিশের ডিআইজিসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম ও প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।