শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

স্থাপনের ৮ বছরেও চালু হয়নি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের এস্কেলেটর, বন্ধ ৩টি লিফট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
স্থাপনের ৮ বছরেও চালু হয়নি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের এস্কেলেটর, বন্ধ ৩টি লিফট

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0;

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্থাপনের আট বছর পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এস্কেলেটর লিফট বা চলন্ত সিঁড়ি। প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই এস্কেলেটরটি অব্যবহারের কারণে নষ্ট হতে বসেছে। পাশাপাশি হাসপাতালটির ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফটের মধ্যে ৩টিই বন্ধ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১৮ সালের দিকে রোগী ও দর্শনার্থীদের জন্য ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড’-এর মাধ্যমে সাড়ে ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এস্কেলেটর লিফট ও ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফট স্থাপন করা হয়। কিন্তু চালুর পর থেকেই অজানা ত্রুটির কারণে চলন্ত সিঁড়িটি বন্ধ পড়ে আছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক চিকিৎসক কুদরত-ই-খোদা জানান, চলন্ত সিঁড়িটি চালু এবং বন্ধ থাকা ৩টি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামতের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও প্রতিকার মেলেনি। সর্বশেষ ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে চিঠি দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীর চিকিৎসায় দুই হাজারের বেশি দর্শনার্থী আসা-যাওয়া করেন। চালু লিফটগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় চিকিৎসাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগের পর খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে হাসানুজ্জামান জানান, খুলনা অঞ্চলে যোগদানের পর তিনি জানতে পেরেছেন লিফটটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছিল। ১০টি সাধারণ লিফট যেখানে রয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত ব্যয়ে এস্কেলেটরের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তা সত্ত্বেও একজন ইলেকট্রিশিয়ান পাঠিয়ে সেটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বন্ধ থাকা ৩টি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামতের কাজও দ্রুত শুরু হবে।

 

 

 

Ads small one

দেশে প্রথমবার ‘ইমোশনাল ডোনার’ দিয়ে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
দেশে প্রথমবার ‘ইমোশনাল ডোনার’ দিয়ে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

দীর্ঘদিনের কিডনি জটিলতা, চিকিৎসার অনিশ্চয়তা আর অপেক্ষার পর নতুন জীবনের পথে ফিরেছেন এক রোগী। গাইবান্ধা থেকে আসা একজন স্বেচ্ছাদাতার কিডনি নিয়ে সফলভাবে প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে তার শরীরে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা ‘আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত’ স্বেচ্ছাদাতার মাধ্যমে এই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএমইউতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। একই দিন সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়ার উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে রোগী নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উপস্থিত চিকিৎসক, স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যেও তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বিএমইউ। এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, নিকট আত্মীয়ের পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত অন্য কোনো ব্যক্তিও স্বেচ্ছায় কিডনি দান করতে পারবেন।

উপাচার্য জানান, ইমোশনাল ডোনার যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলো কাজ করছে। সম্ভাব্য ডোনারের আইনগত বিষয়গুলো যাচাই করার পরই প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ টিম ডোনারের মেডিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করে। রোগীর সঙ্গে ডোনারের সম্পর্ক, দানের স্বেচ্ছাসম্মতি এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথ কি না, তাও যাচাই করা হয়।

তবে কিডনি দানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেনের সুযোগ নেই বলে কঠোরভাবে উল্লেখ করেন অধ্যাপক সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “অর্থের বিনিময়ে কিডনি দান বা গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। কিডনি দান হতে হবে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত শর্ত মেনে।”

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রমও চলমান রয়েছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ধীরে ধীরে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে বিএমইউ আরও সক্ষমতা অর্জন করছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রান্সপ্ল্যান্ট টিমের সদস্য ও ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “দেশের প্রথম ইমোশনাল ডোনার কিডনি প্রতিস্থাপন দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশেই এ ধরনের জটিল ও আধুনিক চিকিৎসা সম্ভব হওয়ায় ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমবে। এতে রোগীদের ভোগান্তির পাশাপাশি চিকিৎসার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের চাপও কমানো সম্ভব হবে।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, এই সফলতা শুধু একটি রোগীর চিকিৎসায় সাফল্য নয়; বরং বাংলাদেশের অঙ্গ প্রতিস্থাপন চিকিৎসার সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

বিএমইউ সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট থেকে আসা দীর্ঘমেয়াদি কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত একজন রোগী গত ১০ আগস্ট ২০২৬ বিএমইউতে ভর্তি হন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ৩১ আগস্ট তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। গাইবান্ধা থেকে আসা একজন আবেগগতভাবে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাদাতা ওই রোগীকে কিডনি দান করেন।

সফল অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা শেষে শনিবার রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের কিডনি জটিলতা ও চিকিৎসার অনিশ্চয়তার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার এই মুহূর্তটি আবেগঘন করে তোলে পুরো আয়োজন। রোগী ও তাঁর স্বজনরা সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, নেফ্রোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ এইচ হামিদ আহম্মদ, গ্রহীতা টিমের সার্জন অধ্যাপক ডা. এ কে এম খুরশিদুল আলম, ডোনার টিমের সার্জন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, উপাচার্যের একান্ত সচিব-১ অধ্যাপক ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ট্রান্সপ্ল্যান্ট টিমের সদস্যরা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিএমইউর এই সফলতা দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আইনসম্মত, নিরাপদ ও মানবিক কাঠামোর মধ্যে অঙ্গদানের সুযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

এম.এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও বাঁক সরলীকরণ কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। দরপত্রের মাধ্যমে কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মোজাহার এন্টারপ্রাইজ’-এর ২০২২ সালের জুনে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও চার দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আঠারো মাইল (বেতগ্রাম) থেকে তালা উপজেলার মধ্যবর্তী অংশ এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় বিলম্ব হওয়ার পর গত জুনে পাইকগাছার কপিলমুনি বাজার অংশে বাঁক সরলীকরণের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে কপিলমুনি ফকিরবাসা ও পাইকগাছা গোলাবাটি মোড়ের বাঁক সরলীকরণে পিচঢালাইয়ের কাজ বাকি রয়েছে।

পথচারী মনিরুজ্জামান মনির ভাষ্যমতে, দেরিতে হলেও কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রয়েছে। বর্ষায় বড় বড় গর্ত আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির যে যন্ত্রণা ছিল, তা অবসান হতে চলেছে।

সওজের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পে ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করতে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণে ৭১ কোটি ৮২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। তবে কপিলমুনি, গোলাবাটি, গোপালপুরসহ ১০টি পয়েন্টে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগীদের চেকের অর্থ হস্তান্তরের পর বর্তমানে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এবং সুজন কয়রা শাখার সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় উন্নয়নকাজে স্থানীয়রা সার্বিক সহায়তা দিয়েছেন।
মোজাহার এন্টারপ্রাইজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাজন আহমেদ ও সওজের খুলনা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, চলতি মাসের মধ্যেই অবশিষ্ট সব কাজ শেষ করে সড়কটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

 

শিকড়ী স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার সড়কের বেহাল দশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
শিকড়ী স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার সড়কের বেহাল দশা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী-কুশখালী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ শিকড়ী কাথন্ডা-বৈকারী বাজার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলের জন্য এটি প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে মাটির পথ বের হয়ে এসেছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও কৃষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। বৈকারী বাজারে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কাথন্ডা আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম হোসেন ও সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশিকুজ্জামান জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থা হলেও স্থায়ী সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে পানি জমে চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। রাতে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
ভোগান্তি নিরসনে শিকড়ী হাই স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত ও টেকসই পুনর্র্নিমাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে খানাখন্দগুলো ভরাট করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তাঁরা।