পাইকগাছার বোয়ালিয়ায় চলাচলের রাস্তায় মাটি-বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, থানায় অভিযোগ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার বোয়ালিয়া হিতামপুরের দীর্ঘদিনের মালামাল বহন ও চলাচলের রাস্তায় মাটি এবং বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় বিপাকে পড়েছেন ভাটা মালিকসহ অনেকেই। বালু ও মাটি দিয়ে মসজিদের ইট বহনে বাধা সৃষ্টি করায় মুজিবুর মল্লিক নামের এক ভুক্তভোগী এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া হিতামপুর মৌজার জনৈক সমীরণ সাধুর একটি পুরোনো ইটভাটা রয়েছে। ভাটার দক্ষিণ পাশে মালামাল বহন ও চলাচলের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার নিচ দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে। এদিকে দীর্ঘদিনের এই চলাচলের রাস্তায় একই এলাকার চায়না সাধু ও তাঁর পরিবার মাটি ও বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন মুজিবুর মল্লিক।
তিনি জানান, চলাচলের রাস্তাটি চায়না সাধু ও তাঁর পরিবারের নয়। এ রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন ভাটার মালামাল বহন ও এলাকার লোকজন চলাচল করে আসছে। ভাটা থেকে এলাকার দুটি মসজিদের অনুকূলে কয়েক হাজার ইট প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তায় মাটি ও বালু দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কারণে ইট বহন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির লোকজন চায়না সাধু ও তাঁর ছেলে বরুণ সাধুর সঙ্গে কথা বললেও তারা সৌজন্যমূলক আচরণ না করে বাজে ব্যবহার করেন। বাধ্য হয়ে এ ঘটনায় চায়না সাধুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান মুজিবুর মল্লিক।
এ প্রসঙ্গে এলাকার অনেকেই জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন ও জামিলুর রহমান রানাসহ অনেকেই চায়না সাধুকে চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার অনুরোধ করলেও তাঁরা তা উপেক্ষা করে মাটি ও বালু ভরাটের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
এ বিষয়ে চায়না সাধুর ছেলে বরুণ সাধু দাবি করেন, ঘেরা সরিয়ে নিচ দিয়ে ইট বহন করার পরামর্শ দেওয়া ছাড়াও ইট নেওয়ার জন্য তাঁরা দুজন শ্রমিকের মজুরি দিতে চেয়েছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আউয়াল কবির।









