সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ী কেশব সাধুর পিতার মৃত্যু, তালা প্রেসক্লাবের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ী কেশব সাধুর পিতার মৃত্যু, তালা প্রেসক্লাবের শোক

তালা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং টাটা ক্রপ কেয়ারের স্বত্বাধিকারী কেশব কুমার সাধুর পিতা আনন্দ কুমার সাধু (৯৫) মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টায় ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে তালা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যবৃন্দ। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শোক প্রকাশকারীদের মধ্যে রয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু।

এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন শোক প্রকাশ করেন।

শোক প্রকাশ করেন নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাসান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেন।

এ ছাড়া সদস্য নূর ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সরদার মশিয়ার রহমান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক (সাগর), মুকুল হোসেন, তাপস সরকার, এস. কে. রায়হান, সুমন রায় গণেশ, মীর ইমরান মাহমুদ হিল্লোল, তাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ, শেখ বিল্লাল হোসেন, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন (সৈকত) ও রফিকুল ইসলাম নয়ন শোক প্রকাশ করেন।

সহযোগী সদস্য শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুল রহমান মোখলেস, খায়রুল আলম, সেলিম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম ও হারুন অর রশিদও মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই শোক সইবার শক্তি কামনা করা হয়।

 

Ads small one

শ্যামনগরে অনিমেষ অপহরণ মামলায় ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে অনিমেষ অপহরণ মামলায় ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

পত্রদূত ডেস্ক: ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বৈশখালি গ্রামের পশু চিকিৎসক অনিমেষ পরমান্য অপহরণ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক সুদেব পাল সম্প্রতি আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত আসামীরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার মীরগাং গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে যুবদল নেতা মাহামুদুল হাসান ডন (৩২), একই গ্রামের সুজাউদ্দিনের ছেলে আব্দুর জব্বার গাজী (৩৫), নেছার আলীর ছেলে শাহীনুর গাজী (৩০), ট্যাংরাখালি গ্রামের আনছার ঢালীর চেলে আশরাঢ ঢালী (৪৫), পারশেখালি গ্রামের মোফাজ্জেল গাজীর ছেলে চেঞ্জিস রবিউল ইসলাম (৩৫) ও মতিয়ার গাজী ও পশ্চিম কৈখালি গ্রামের কালিন্দিপাড়ার সামছুর রহমানের চেলে আরজ খান ওরফে এসআর খান (৩৮)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ট্যাংরাখালি গ্রামের আনছার ঢালীর ছেলে বর্তমানে কৈখালি ইউনিয়নের বৈশখালি গ্রামে বসবাসকারি বনদস্যু আশরাফ আলী পশু চিকিৎসক বৈশখালি গ্রামের নিতাইপদ পরমান্যের ছেলে অনিমেষ পরমান্যকে ভারতীয় অসুস্থ গরু চিকিৎসার কথা বলে সুন্দরবন বাজার থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে সুন্দরবনের মধ্যে নিয়ে তারই মোবাইল থেকে স্ত্রী সবিতা রানীর কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। এ সময় তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

পুলিশের তৎপরতার ফলে বনদস্যুরা ৪ মে পৌনে ১০টার দিকে ধলাই খাল থেকে বনদস্যুদের সহযোগী মীরগাং এলাকার শাহীনুরের জেলে নৌকায় তুলে দেয়। মীরগাং থেকে তাকে একটি মটর সাইকেলে সুন্দরবন বাজারে নেওয়া হয়। অপহরণের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে রাতেই পুলিশ আব্দুল জব্বার গাজী, যুবদল নেতা মাহামুদুল হাসান ডন ও শাহীনুরকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় অনিমেষ পরমান্য বাদি হয়ে রাতেই থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আব্দুল জব্বার গাজী, যুবদল নেতা মাহামুদুল হাসান ডন, শাহীনুর, চেঞ্জিস রবিউল, মতিয়ার ও আশারাফুলকে আসামী শ্রেণীভুক্ত করা হয়।

 

পরদিন বিচারিক হাকিম শফিকুল ইসলামের কাছে শাহীনুর, বিচারিক হাকিম নূসরত জাহানের কাছে আব্দুর জব্বার ও বিচারিক হাকিম মেহেদী হাসানের কাছে মাহামুদুল হাসান ডন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জব্বার গাজী তার জবানবন্দিতে অন্যান্য আসামী ছাড়াও এসআর খান ওরফে আরজ খানের নাম উল্লেখ করেন। অনিমেষ পরমান্য এর স্ত্রী সবিতা রানীর কাছে সে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ফোন করে। রাতে নৌকায় থাকতে না চাইলে রবিউল এক লাখ টাকা দেওয়ার জন্য তাকে (জব্বার) ও মাহামুদুলকে প্রস্তাব দেয়। ৩ মে দুপুররে জব্বারের ছেলে ও শাহীনুর আসামীদের জন্য ধলাই খালে ভাত নিয়ে যায়। রবিউল ও আশরাফ টাকা না পেলে ডাক্তারকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

মাহামদুল তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করে যে, দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা মৈজদ্দির মোড়ে ডাক্তার অনিমেষ পরমান্যের স্ত্রীকে আনতে বলা হয়। পুলিশের উপস্তিতি টের পেরে মতিয়ার ওই মোড় থেকে চলে যায়। সে (মাহামুদুল) ও জব্বার নৌকা থেকে পালিয়ে যায়। সে ২০১৭ সালে বনদস্যু হিসেবে র‌্যাব এর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

আসামী রবিউল গাজী ও মতিয়ার গত ২৬ জুলাই মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ৪৩০৩৯/২৬ ক্রিঃমিস কেস মূলে ৬ সম্পাহের অন্তবর্তীকালিন জামিন পান। আদালতের নির্দেশে তারা হক ৬ সেপ্টেম্বর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবদেন জানালে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেশন জজ গৌতম মল্লিক (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২য় আদালত) তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদালত থেকে আসামী আশরাফ ঢালী গত ৯ আগষ্ট ৫০০২১/২৬ নং ক্রিঃমিস কেস মূলে ছয় সপ্তাহের অন্তবর্তীকালিন জামিন পান। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে আবেদন জানালে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

আসামীদের পিসিপিআর এ আব্দুর জব্বারের বিরুদ্ধে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় সিআর ৯/২১ নং প্রতারণা মামলা, শ্যামনগর থানায় গত বছরের ২ অক্টোবর হত্যা চেষ্টা মামলা, মাহামুদুল হাসান ডন এর বিরুদ্ধে শ্যামনগর বিচারিক আদালতে সিআর -৪১/২৩ ও ৪২/২৩ নং বিচারাধীন মামলা রয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, আগামি ৩ ডিসেম্বর ধার্য দিনে অভিযোগপত্র গ্রহণ সংক্রান্ত শুনানী হবে। অভিযোগপত্রে উল্লেখিত আরএস খান পলাতক রয়েছে। অপর ছয় আসামী কারাগারে রয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলায় আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা আজ (সোমবার) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতি জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর খুলনা আগমন উপলক্ষে জেলার সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় নৈমিত্তিক ছুটি গ্রহণের প্রবণতা কমাতে হবে। সব অবৈধ স্থাপনা নিজ নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায়, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে সেসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। খুলনা নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে সড়ক ও সরকারি ভবনগুলোতে রং এবং বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পাশাপাশি, যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় জানানো হয় গাড়ির রিকিইজেশন, বিশ্রামাস্থল, হেলিপ্যাড, এ্যাম্বুলেন্স, জরুরি চিকিৎসা সেবা, বিদ্যুৎ ও জেনারেটর, অগ্নি নির্বাপণ, নিরাপত্তা পাশসহ অন্যান্য কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে নিজ নিজ দপ্তরের আওতাধীন কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

সভায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, খুলনা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) এর পরিচালক আহমেদ কবীর, খুলনার উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ রেজাউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবির সিদ্দিকী শুভ্রসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী

ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে বলা হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর ১৫ ও ৩২ পৃষ্ঠার পৃথক রায় দুটি প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারিকৃত রুল খারিজ করে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেওয়ার রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়।

পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট দায়ের করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রায় রুল দেন। সে রুল খারিজ করে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্টের নতুন এ বেঞ্চ।

ফলে রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর—বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।