মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: জনবল-সংকটে আলোর মুখ দেখছে না চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: জনবল-সংকটে আলোর মুখ দেখছে না চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত চিংড়ি শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষত সাতক্ষীরা জেলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই সম্ভাবনাময় খাতের বিশাল এক সম্রাজ্য। সরকারি তথ্যমতে, দেশের মোট উৎপাদিত বাগদা চিংড়ির প্রায় ৮০ শতাংশই আসে এই সাতক্ষীরা থেকে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং মানসম্মত পোনার অভাবে বর্তমানে এই শিল্প একটি কঠিন সময় পার করছে। এমন এক ক্রান্তিকালে দেশের চিংড়ি শিল্পকে আধুনিক, টেকসই ও বিজ্ঞানসম্মত করতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারের ভূমিকা হওয়ার কথা ছিল অগ্রগণ্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও জনবলের অভাবে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত এই আধুনিক খামারটির সিংহভাগ কার্যক্রম এখন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খামারটিতে আধুনিক হ্যাচারি, পিসিআর ল্যাব ও কোয়ারেন্টাইন ল্যাবসহ রোগ নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত ভারী ও আধুনিক সব প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে। চিংড়ি চাষের প্রধান শর্ত হলো পোনা ছাড়ার আগে তা রোগমুক্ত কি না এবং খামারের পানির গুণগত মান (তাপমাত্রা, পিএইচ, লবণাক্ততা, দ্রবীভূত অক্সিজেন) ঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত করা। সাতক্ষীরার এই পিসিআর ল্যাবটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু থাকলে চাষিরা খুব সহজেই পোনা ও পানির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারতেন। এতে পোনা মারা যাওয়ার হার কমত এবং উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পেত। অথচ দক্ষ জনবলের অভাবে এই কোটি টাকার ল্যাবরেটরি আজ অলস পড়ে আছে। স্থানীয় চাষিদের যেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিপুল অর্থ ও সময় অপচয় করে খুলনা কিংবা ঢাকায় ছুটতে হতো, সেখানে হাতের নাগালে সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এর সুফল পাচ্ছেন না।

সবচেয়ে আশঙ্কার কথা হলো, এই আধুনিক ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত মূল্যবান কেমিক্যালগুলোর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, এই কেমিক্যালগুলোর মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, আগামী দুই বছরের মধ্যে যদি এখানে প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও অপারেটর নিয়োগ দেওয়া না যায়, তবে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে কেনা এই রাসায়নিকগুলো কোনো কাজেই আসবে না। এর চেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় অপচয় আর কী হতে পারে! অন্যদিকে, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের অভাবে এসব সংবেদনশীল যন্ত্রপাতি চিরতরে অকেজো হয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা পরবর্তীতে সচল করতে আবারও বিপুল বাজেটের প্রয়োজন হবে।

এই প্রদর্শনী খামারের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য ছিল মাঠপর্যায়ের খামারিদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও অভিজ্ঞতা বলে, চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত করতে প্রদর্শনী খামারের কোনো বিকল্প নেই। অথচ জনবল সংকটের কারণে এখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আমাদের উপকূলের হাজার হাজার খামারি সনাতন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে বারবার লোকসানের মুখে পড়ছেন, যা সামগ্রিকভাবে জাতীয় অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলে লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। আমরা মনে করি, এই আমলাতান্ত্রিক চিঠি চালাচালির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার। চিংড়ি শিল্পের বৈশ্বিক বাজার ধরে রাখতে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জীবিকা সচল রাখতে সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা এখন সময়ের দাবি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে এই আধুনিক ল্যাব ও খামারটি কার্যকর করবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Ads small one

ফ্রান্সের বিপক্ষে আজ সুইডেনের কঠিন পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে আজ সুইডেনের কঠিন পরীক্ষা

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার রাত ৩টায় শেষ ৩২-এ সুইডেনের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ফরাসিদের বিপক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় গ্রাহাম পটারের দল।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে ফ্রান্স। সেনেগাল, নরওয়ে ও ইরাককে হারানোর পথে ১০ গোল করেছে তারা। ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে তাদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে।

ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলে চারটি করে গোল করেছেন। এছাড়া দেজিরে দুয়ে ও ব্র্যাডলি বারকোলাও গোলের দেখা পেয়েছেন। ফলে আক্রমণভাগে ফ্রান্স কতটা ভয়ংকর, তারই প্রমাণ মিলেছে গ্রুপ পর্বে।

অপরদিকে, নিজেদের গ্রুপে নেদারল্যান্ডস ও জাপানের পেছনে থেকে তৃতীয় হয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে সুইডেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিলেও পরের ম্যাচে একই ব্যবধানে নেদারল্যান্ডসের কাছে হারে তারা। শেষ ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে এবার তাদের সামনে অপেক্ষা করছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি।

শক্তিশালী ফরাসি দলের বিপক্ষে গোলের দায়িত্ব থাকবে সুইডেনের তারকা ফরোয়ার্ড ভিক্টর জিয়োকেরেস ও আলেক্সান্ডার ইসাকের কাঁধে। তাদের সঙ্গে আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন অ্যান্থনি এলাঙ্গাও।

সুইডেনের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার ইসাক হিয়েন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন। ফলে ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণ সামলাতে রক্ষণভাগকে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। পাশাপাশি ভাগ্যও তাদের পক্ষে থাকতে হবে!

 

নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এসব বিষয়ে তিনি কখনোই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এবার মালদ্বীপে তার অবকাশযাপনের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিকমাধ্যম।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মালদ্বীপে এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কেয়া পায়েল। কখনও তাদের গল্প করতে, আবার কখনও একটি রেস্তোরাঁয় ওই তরুণকে নিজের হাতে খাবার খাওয়াতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা—কে এই তরুণ এবং তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক কী?

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের দাবি, ওই তরুণের নাম প্রাচুর্য। তাদের পরিচয় দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, এর আগেও তাদের যুক্তরাজ্যে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

 

এমনকি ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কেয়া পায়েল ও প্রাচুর্য দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন এবং বিষয়টি দুই পরিবারও জানে। ভবিষ্যতে বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনোপক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।

এদিকে মালদ্বীপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর হয়তো এবার নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারেন এই অভিনেত্রী। তবে এখন পর্যন্ত কেয়া পায়েল বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৪ মে এই মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি যে কোনোদিন রায়ের জন‍্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

সেদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা। অপরদিকে ইনুর পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মোট ৯ দিন নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে আসামিপক্ষ। শুনানিতে আসামির পক্ষে বিভিন্ন আইনি দিক তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইনু সংসদ সদস্য ছিলেন না বলেও দাবি করা হয়।

মুনসুরুল হক বলেন, “কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় ইনুর কোনও সম্পৃক্ততা নেই। মামলার সাক্ষীরাও স্বীকার করেছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুষ্টিয়ায় উপস্থিত ছিলেন না।”

প্রসঙ্গত, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। তাদের গুলিতে শহীদ হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। পরে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ এনে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) জমা দেয় প্রসিকিউশন।

ইনুর বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর অভিযোগে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং উভয় চার্জে ১০ বছর করে দণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে খালাস দেন আদালত।

তবে আলাদা আলাদা দণ্ড হলেও ট্রাইব্যুনাল বলেন, তাকে ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।