বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা, সফলতা ও প্রত্যাশা নিয়ে সাতক্ষীরায় সহযোগিতা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা, সফলতা ও প্রত্যাশা নিয়ে সাতক্ষীরায় সহযোগিতা সভা
এসএম বিপ্লব হোসেন: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, সফলতা, সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে জীবিকা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়েছে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত এক সভায়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামারবাড়িতে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) বাস্তবায়িত ‘Inclusive Community Resilience to Disaster and Climate Vulnerabilities (ICRDCV-III)’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ অ্যাডভোকেসি, নেটওয়ার্কিং ও সহযোগিতা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘প্রান্তিকজনের কণ্ঠস্বর: সফলতা, সমস্যা ও প্রত্যাশার গল্প’ শীর্ষক সভায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, এনজিও প্রতিনিধি এবং প্রকল্পের উপকারভোগীরা অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ।
সভাপতির বক্তব্যে কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকা উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরকারি সেবা ও কারিগরি সহায়তা সহজলভ্য করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
সভায় প্রকল্পের সহায়তাপ্রাপ্ত জীবিকা উন্নয়ন দলের সদস্যরা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে নিজেদের উদ্যোগ, অর্জন ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি জীবিকা পরিচালনায় বিদ্যমান সমস্যা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা ও কারিগরি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রত্যাশার কথা জানান।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় সাতক্ষীরায় লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ, সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরগুলোর বার্ষিক পরিকল্পনায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকা উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তারা উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা শোনেন এবং নিজ নিজ দপ্তরের আওতায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ এম মান্নান কবির, জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. বিষ্ণুপদ বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) কৃষিবিদ মো. জামাল উদ্দিন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ও আশাশুনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা মো. শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবাহান।
এ ছাড়া মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের হিউম্যানিটারিয়ান প্রকল্প সমন্বয়কারী এস এম মনোয়ার হোসেন, গণমাধ্যমকর্মী, এনজিও প্রতিনিধি, প্রকল্পের জীবিকা উন্নয়ন দলের সদস্য ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইএসডিওর আশাশুনি কার্যালয়ের ICRDCV-III প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শামসুল হক মৃধা।

Ads small one

কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জয়দেব সভাপতি, কুদ্দুস সম্পাদক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়দেব চক্রবর্তী (লোকসমাজ) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুহুল কুদ্দুস (ইনকিলাব) নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া সহসভাপতি পদে আব্দুল হাই সিদ্দিকী (নয়া দিগন্ত ও পূর্বাঞ্চল) ও মোতাহার হোসাইন (সমকাল ও গ্রামের কাগজ), যুগ্ম সম্পাদক পদে মশিয়ার রহমান (আলোকিত বাংলাদেশ) ও মেহেদী হাসান জাহিদ (সময়ের খবর), কোষাধ্যক্ষ পদে সিদ্দিকুর রহমান (খোলা কাগজ), দপ্তর সম্পাদক পদে আলমগীর হোসেন (দৈনিক খুলনাঞ্চল), ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক পদে মাসুম বিল্লাহ (প্রতিদিনের কথা), এবং গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মতিয়ার রহমান (অনির্বাণ) নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী পাঁচ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আজিজুর রহমান (যুগান্তর), নুরুল ইসলাম খান (কালের কণ্ঠ), আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ (দৈনিক কল্যাণ), উৎপল দে (কালবেলা) ও শেখ শাহীনুর ইসলাম (করতোয়া)।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রেস ক্লাবের সদস্য ও ভোটারদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। সংবাদ পরিবেশনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লেখনী ধারণ এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগামী দিনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

‘জলবায়ু অভিঘাত পেরিয়ে গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়ন ও সমৃদ্ধির পথে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের নারী দলের সদস্যদের আয়োজনে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালি বালুর মাঠে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লিডার্স, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও অ্যাম্বাসি অব সুইডেনের সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি–সিআরইএ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জিএম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সাংবাদিক হুদা মালী, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সমাজসেবক জি এম রুস্তম আলী, ফেইথ ইন অ্যাকশনের জেন্ডার অফিসার নয়মী বিশ্বাস, পিসিআরসিবি প্রকল্প সিসিডিবির সহসভাপতি মিনতি রানী মল্লিক, মেঘনা নারী দলের সভাপতি নার্গিস সুলতানা, দোলন চাঁপা নারী দলের সহসভাপতি জেবুন্নেছা খাতুন এবং লিডার্সের সিআরইএ প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারীসহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় দুপুরের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই আলো ঝলমলে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মানুষের মিলনমেলায়। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও বিনোদনের আনন্দে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। মেলা শেষের দিকে চলে আসায় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও জমে উঠেছে। অন্যদিকে, মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মেলার ১৫তম দিনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। গত ১ অক্টোবর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা আসছেন। মেলায় রয়েছে প্রসাধনী, পোশাক, শিশুদের খেলনা, গৃহস্থালির সামগ্রী ও খাবারের নানা দোকান। রঙিন আলোকসজ্জা আর মানুষের পদচারণায় সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।

মেলার শেষ পর্যায়ে এসে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, মেলার বাকি দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং বিক্রিও ভালো হবে।

ঢাকা থেকে আসা কসমেটিকস ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, “মেলার শেষ দিকে এসে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। দুপুরের পর থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এভাবে ক্রেতা আসতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

বরিশাল থেকে শিশুদের খেলনা নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আকবর বলেন, “মেলার শেষ সপ্তাহে এসে ক্রেতাদের আনাগোনা ভালো। শিশুদের খেলনার প্রতি ছোটদের আগ্রহ রয়েছে। এখন বেচাকেনা ভালো হওয়ায় আমরা আশাবাদী। মেলার শেষ দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছি।”
মাদারীপুর থেকে আসা ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন বলেন, “মেলা শেষের দিকে হওয়ায় এখন বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ মেলায় আসছেন, পছন্দের জিনিস কিনছেন। সামনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়লে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

এদিকে, বৃহস্পতিবার গুড়পুকুর মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম। মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের দায়িত্ব পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা সন্তোষজনক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী গুড়পুকুর মেলা সাতক্ষীরার মানুষের কাছে শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়, বরং সামাজিক মিলন ও বিনোদনেরও অন্যতম উপলক্ষ। মেলা শেষের দিকে এসে দর্শনার্থীদের আনাগোনা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসায় আয়োজক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।