রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্লাস্টিক দূষণ: অস্তিত্বের সংকটে প্রকৃতি ও মানবসভ্যতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
প্লাস্টিক দূষণ: অস্তিত্বের সংকটে প্রকৃতি ও মানবসভ্যতা

সোহাগ হোসেন
আজকের পৃথিবীতে প্লাস্টিক আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত-সকালের টুথব্রাশ, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্য, পানির বোতল থেকে শুরু করে নিত্যদিনের বাজারের ব্যাগ-সবখানেই প্লাস্টিকের জয়জয়কার। কিন্তু সস্তা আর সহজলভ্যতার আড়ালে এই কৃত্রিম উপাদানটি যে আমাদের অজান্তেই এক নীরব ঘাতক হয়ে উঠছে, তা আজ আর কারোর অজানা নয়। বর্তমান সময়ে প্লাস্টিক দূষণ কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি মানবসভ্যতা ও জীববৈচিত্র্যের জন্য এক অস্তিত্বের সংকট।
প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় অভিশাপ হলো এর অবিনাশী প্রকৃতি। একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরি হতে কয়েক মিনিট লাগলেও তা প্রাকৃতিকভাবে ধ্বংস হতে শত শত বছর লেগে যায়। ফলে আমাদের ফেলে দেওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ড্রেন, নালা ও নদী হয়ে সমুদ্রে গিয়ে মিশছে। এতে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা পঙ্গু হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (টঘঊচ) এর তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ১৯ থেকে ২৩ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য আমাদের জলজ ইকোসিস্টেমে প্রবেশ করছে। বাংলাদেশের চিত্র আরও উদ্বেগজনক। রাজধানীতে উৎপাদিত মোট বর্জ্যের প্রায় ২০ শতাংশই প্লাস্টিক, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মাত্র একবার ব্যবহারযোগ্য বা ‘সিঙ্গেল-ইউজ’ প্লাস্টিক।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ৮৭ হাজার টনেরও বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশে গিয়ে মিশছে, সামুদ্রিক প্রাণীরা প্লাস্টিককে খাবার মনে করে গ্রহণ করছে এবং তিলে তিলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। যা নদী ও সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে।
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা। মাটি ও পানিতে মিশে যাওয়া এই কণাগুলো খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে আমাদের প্লেটে ফিরে আসছে। মাছ, মাংস, এমনকি আমরা যে লবণ বা পানি খাচ্ছি, তার মধ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মিলছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্লাস্টিক কণা মানবদেহে ক্যানসার, হরমোনজনিত সমস্যা এবং কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ, প্রকৃতিকে আমরা যা দিচ্ছি, প্রকৃতি বিষ হিসেবে তা আমাদের কাছেই ফিরিয়ে দিচ্ছে।
এই ভয়াবহ সংকট থেকে মুক্তির উপায় কী?
সম্পূর্ণ প্লাস্টিক বর্জনের স্লোগান দেওয়া সহজ, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় তা রাতারাতি সম্ভব নয়। তাই আমাদের টেকসই ও গঠনমূলক সমাধানের দিকে হাঁটতে হবে।
প্রথমত, ‘থ্রি-আর’ নীতির কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন। প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার কমাতে হবে, একই প্লাস্টিক বারবার ব্যবহার করতে হবে এবং বর্জ্য প্লাস্টিককে পুনরায় প্রক্রিয়াজাতকরণের আওতায় আনতে হবে।
দ্বিতীয়ত, পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বিকল্প জনপ্রিয় করতে হবে। পাটের ব্যাগ, কাগজের ঠোঙ্গা, মাটির পাত্র এবং পচনশীল জৈব প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহারে সরকারিভাবে ভর্তুকি এবং প্রণোদনা দেওয়া দরকার। আমাদের সোনালী আঁশ পাট হতে পারে প্লাস্টিকের সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প।
তৃতীয়ত, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন জরুরি। আইন করে ক্ষতিকর প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় বর্জ্য পৃথকীকরণ (উৎসস্থলেই পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করা) বাধ্যতামূলক করতে হবে।
চতুর্থত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের সাহায্যে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও পুরষ্কারের ব্যবস্থা করে সাধারণ মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শামিল করতে হবে।
পঞ্চম, ক্ষতিকর প্লাস্টিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর উচ্চহারে ‘সবুজ কর’ ধার্য করতে হবে। পাশাপাশি, কোম্পানিগুলো যেন তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্লাস্টিক মোড়ক নিজেরাই ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা করে, তা বাধ্যতামূলক করা দরকার।
সর্বোপরি প্রয়োজন গণসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন। শুধু সরকারের দিকে চেয়ে থাকলে এই সংকটের সমাধান হবে না। বাজারে যাওয়ার সময় নিজের সাথে একটি কাপড়ের বা পাটের ব্যাগ রাখার অভ্যাস আমাদের নিজেদেরই করতে হবে। “আমি একা প্লাস্টিক বর্জন করলে কী হবে?”-এই মানসিকতা পরিহার করে প্রত্যককে নিজের জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
প্লাস্টিক দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং আমাদের এবং আগামী প্রজন্মের বেঁচে থাকার ন্যূনতম গ্যারান্টি। প্রকৃতিকে বিষাক্ত করে আমরা সুস্থ থাকতে পারি না। তাই আসুন, প্লাস্টিকের লাগাম টেনে ধরি, পৃথিবীকে আবার সবুজে ও সুনিবিড় প্রাণের স্পন্দনে ফিরিয়ে আনি। লেখক: পরিবেশ কর্মী, সাতক্ষীরা

Ads small one

পাইকগাছায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনা সভা

তালা প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও তীব্র তাপদাহের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও সম্পদ প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ক্ষতি মোকাবিলা এবং অভিযোজনের জন্য উন্নত ও দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিবছর ৩১০ থেকে ৩৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ আদায় করে তা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বন্টন করতে হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার পাইকগাছায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘প্রকৃতির জন্য অনুপ্রাণিত। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাওসেড’ ও ‘পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম’ যৌথভাবে এই সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে।
পাইকগাছা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সভাপতি অখিল চন্দ্র ম-ল। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাওসেড-এর হেড অব প্রোগ্রাম শংকর রঞ্জন সরকার এবং মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংস্থার নলেজ ম্যানেজমেন্টের টিম লিডার মোসালাউদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাওসেড-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক হেলেনা খাতুন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য, শ্যামাপদ ম-ল, নুরুন্নাহার পারভীন, শেখ জুলি, সুভাষ চন্দ্র ম-ল, নুর ইসলাম গাজী, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র। আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শহীদ এম. এ. গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চারটি ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।

দেবহাটায় চুরির সন্দেহে শিশুকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় চুরির সন্দেহে শিশুকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটায় চুরির অপবাদ দিয়ে এক শিশুকে আখ ও কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে আহত শিশুর বাবা হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন বেলা তিনটার দিকে দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে আব্দুল হাকিম (১৩) পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে সাইফুল ইসলামের (৪৫) দোকানে আখের রস খেতে যায়। হাকিম ২০টাকার রস খেয়ে সাইফুলকে ৫০টাকার একটি নোট দিলে দোকানদার তাকে ৩০টাকা ফেরত দেন। এরপর সাইফুল ক্যাশ টেবিল পাহারা দিতে বলে প্রস্রাব করতে যান। ফিরে এসে তিনি হাকিমের বিরুদ্ধে ক্যাশ টেবিল থেকে টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন।
শিশু হাকিম নিজের জামা-প্যান্ট তল্লাশি করতে বললে সাইফুল তল্লাশি চালিয়ে ফেরত দেওয়া ৩০ টাকা ছাড়া আর কোনো টাকা পাননি। এরপরও সাইফুল চোর সন্দেহে হাকিমের বাঁ কানে সজোরে চড় মারেন এবং আখ দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট ও বেদনাদায়ক ফোলা জখম করেন। ঘটনাটি কাউকে বললে আরও মারধর করা হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়। ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি পরিবারের কাছে গোপন রাখে।
গত ৫ জুন সকালে শরীরে প্রচ- ব্যথা অনুভব হলে হাকিম তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানায়। ওই দিন সকাল ১০টার দিকে হাকিমের বাবা হাফিজুল ইসলাম, দাদা আলাউদ্দীন, দাদি রাফিজা খাতুন ও মা সোমা আক্তার সাইফুলের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাইফুল কাঠের বাটাম এবং তাঁর স্ত্রী বানু খাতুন বঁটি নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হন। প্রতিবেশীরা ছুটে এলে তাঁরা রাফিজা খাতুনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং পরিবারটিকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ বিষয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল ও সমাবেশ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। রোববার বিকেলে শহরের মাওয়া চাইনিজ রেস্টুরেন্ট প্রাঙ্গণ থেকে এই শুভেচ্ছা মিছিল বের হয়।
কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি, নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণবঙ্গের আমিনুর রহমান আমিনকে তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং শাহাজান রনিকে মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত করায় এই আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলী শাহিন, সদস্যসচিব মাসুম রানা সবুজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন রহমান, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী রাসিউল করিম রোমান ও জেলা যুবদলের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এস আই আশা।
এছাড়াও বক্তব্য দেন আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবু জাহিদ সোহাগ, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, সদস্যসচিব মেহেদী হাসান সবুজ, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল্লাহ বাহার, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক এবং আশাশুনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান আখতার প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সাতক্ষীরায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে জেলা যুবদলে যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্বকে সামনে আনা প্রয়োজন। এ সময় জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।