মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফিংড়ীর ব্যাংদহা বাজারে গণশৌচাগার উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
ফিংড়ীর ব্যাংদহা বাজারে গণশৌচাগার উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ব্যাংদহা বাজারে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে একটি গণশৌচাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শৌচাগারটির উদ্বোধন করেন। ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ও ব্যাংদহা বাজার বণিক সমিতির যৌথ অর্থায়নে এটি নির্মাণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, ইউপি সদস্য মো. আবু ছালেক, সমাজসেবক এসএম নজরুল ইসলাম, প্রভাষক এসএম ফিরোজ আহমেদ, আকবর আলী, ব্যাংদহা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ রেজা, সহসভাপতি শেখ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খাইবার, কোষাধ্যক্ষ আকতারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. গাউছুল আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. মহিবুল্লাহ বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক মো. মাসুদ হোসেন এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।

Ads small one

রাজনৈতিক সৌহার্দ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
রাজনৈতিক সৌহার্দ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর দুই সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতউল্লাহ ও মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের এক সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে গিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার একটি ইতিবাচক বার্তা ফুটে ওঠে। বৈঠকে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সাতক্ষীরার রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্ব উঠে সম্মিলিত উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির এই সাক্ষাৎকে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও আদর্শ ভিন্ন হলেও জনস্বার্থে একসাথে কাজ করার মানসিকতা থাকলে জেলার সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জামায়াত প্রার্থী ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। সম্প্রতি কলারোয়ায় একটি সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মসূচির মুখোমুখি অবস্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরই প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থেকেই সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কালাম হত্যা, থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কালাম হত্যা, থানায় মামলা

সংবাদদাতা: আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ী আবুল কালাম সরদারকে (৬০) হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী আলেয়া খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানায় এই মামলা করেন। নিহত আবুল কালাম সরদার আগরদাঁড়ি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে।
এদিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে নিহত আবুল কালামের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। বিকেল পাঁচটায় স্থানীয় মসজিদের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার রাতে পার্শ্ববর্তী আগরদাঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড়ে চা খেতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবুল কালাম। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙুর হোসেনকে বিষয়টি জানান। সোমবার সকালে বাড়ির পাশে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ঘরের পেছনে কাদামাখা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এক প্রতিবেশী। পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
অভিযোগে বলা হয়, শনিবার রাত থেকে সোমবার সকালের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ঘরের পেছনে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ফেলে রেখে যায়। তবে নিহতের পকেটে কয়েকটি নাম সম্বলিত চিরকুট রেখে হত্যাকা-ের মূল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহম্মদ খান জানান, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং- ১৬) দায়ের করেছেন। মামলাটির তদন্তভার উপপরিদর্শক কাছেদ মুন্সির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

কলারোয়ায় এসএসসির ফলাফল: শীর্ষে সরকারি পাইলট হাইস্কুল, জিপিএ-৫ পায়নি ১৪ প্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় এসএসসির ফলাফল: শীর্ষে সরকারি পাইলট হাইস্কুল, জিপিএ-৫ পায়নি ১৪ প্রতিষ্ঠান

কলারোয়া প্রতিনিধি: প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কলারোয়া উপজেলার ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে সরকারি জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলারোয়া গার্লস পাইলট হাইস্কুল।
উপজেলায় মোট জিপিএ-৫ এসেছে ১৪৩টি। সরকারি জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৩৪ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ১২১ জন (পাসের হার ৯০.২৯%), যার মধ্যে ৪০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গার্লস পাইলট হাইস্কুল থেকে ৯৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯০ জন (পাসের হার ৯৩.৭৫%) এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন।
তৃতীয় স্থানে থাকা সোনাবাড়িয়া ও ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৯ জন করে এবং বিএইচএস সিংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও খোরদো সালেহা হক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৪ জন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে যুগিখালি মমতাজ আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যেখানে পাসের হার মাত্র ১৪.২৯%। এবার এই প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ জন, যার মধ্যে পাস করেছে মাত্র ২ জন—তারাও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে। এবার অংশ নেওয়া ১২ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী ছিল কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, মাত্র ৬ জন।
উপজেলায় যে ১৪টি বিদ্যালয় থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি সেগুলো হলো—হঠাৎগঞ্জ বালিকা, খোরদো বহুমুখী, পানিকাউরিয়া, দেয়াড়া, সরসকাটি ইউনাইটেড, জয়নগর বদরুন্নেছা বালিকা, হিজলদি, কুশোডাঙ্গা আদর্শ, সাতপোতা রহিমা বালিকা, যুগিখালি মমতাজ আহম্মদ, চন্দনপুর বালিকা, শাকদাহ বালিকা, ব্রজবাকসা ফাতেমা বেগম বালিকা ও কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ জানান, ফলাফলের সার্বিক তথ্য জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। খারাপ ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান উন্নয়নে পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরও আন্তরিক হওয়া এবং বিশেষ তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন।