শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

বনলতা এক্সপ্রেস: জীবনের পথে এক ধ্যানমগ্ন যাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বনলতা এক্সপ্রেস: জীবনের পথে এক ধ্যানমগ্ন যাত্রা

বিনোদন ডেস্ক; নিজের দেশ থেকে অনেক দূরে বসে একটা সিনেমা দেখলাম – ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। এই যে বাংলাদেশ থেকে দূরে বসে বাংলা সিনেমা দেখা- এই দূরত্বই যেন পুরো বিষয়টাকে আরও গভীর করে তুলেছিল। তানিম নূর পরিচালিত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ হুমায়ূন আহমেদের দার্শনিক ভাবনা থেকে খানিক অনুপ্রাণিত। কেবল গল্পভিত্তিক সিনেমা বানাননি তানিম নুর।

বনলতা এক্সপ্রেস এক বিশেষ অনুভব; যা মৌন আর বহুস্তরের ভাবনা জাগানিয়া। সিনেমার সেই ট্রেনযাত্রার মতোই এগিয়ে চলে এই মগ্ন ঘোরের আবেশ। এই যাত্রা ধীর, অনিবার্য, এবং জীবনের বিচিত্র দুর্বোধ্য মোড় অতিক্রম করে চলে।

সিনেমায় দেখানো এই ট্রেনটি শুধু একটি বাহন নয়। এ যেন জীবনেরই আয়না।

ট্রেনের একেকটি কামরার ভেতর বাস করে এক জীবন্ত বাংলাদেশ—খণ্ড খণ্ড হলেও সব যেন একসূত্রে গাঁথা। ট্রেনে আছে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা এক মন্ত্রী। আছে শোকগ্রস্ত এক বাবা, যিনি হারানোর স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছেন। আছে যন্ত্রণা আর আশার মাঝখানে আটকে থাকা এক গর্ভবতী নারী। আরও আছে একজন চিকিৎসক, যিনি নিজের ভেতরে বয়ে বেড়াচ্ছেন এক ট্র্যাজেডি।

প্রতিটি চরিত্রের আছে নিজের মতো দুঃখ; নিজের মত ভীষণ নীরবতা। এরপরও যখন তাদের গল্পগুলো একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়, তখন এক অসাধারণ সত্য উন্মোচিত হয়—এখানে কেউই আসলে একা নয়।

এক সুতায় অনেক গল্প বুনে নেওয়ার কৌশল জানেন নূর। তাতে এই নিমার্ণ কোনো সরলরৈখিক কাহিনিতে আটকে থাকেনি। ছোট ছোট মুহূর্ত মিলে চোখে সামনে ধরা দেয় বিশাল একটি অর্থপূর্ণ চিত্র। ব্যক্তিগত শোক রূপ নেয় সামষ্টিক গাথায়।

এই সিনেমা উপলব্ধি করায়- জীবনে আনন্দের চেয়ে দুঃখই বেশি। অথচ সেই ক্ষণিকের আনন্দই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।

‘বনলতা এক্সপ্রেস’সিনেমার শক্তি এখানেই—এর উপলব্ধি এককভাবে কোনো শ্রেণি, কণ্ঠ বা দৃষ্টিভঙ্গিতে নিজেকে সীমিত করে রাখে না। বরং প্রান্তিক, অবহেলিত, সাধারণ মানুষের জীবনকে তুলে ধরে সম্মান ও গভীরতার সঙ্গে।

তাই কখনো কখনো মনে হবে, আমরা কোনো সিনেমা দেখছি না—বরং এমন কিছু স্মৃতির ভেতর দিয়ে যাত্রা করছি যা আমরা আগে কখনো নিজেরা নেড়েচেড়ে দেখে উপলব্ধি করতে সক্ষম হইনি।

 

সিনেমা কিছু মুহূর্ত মনের গভীরে দাগ কেটে যায়। একজন বাবা, যিনি নিজের সন্তানের সঙ্গে স্মৃতিগুলো মাটি চাপা দেন। এক মৃত্যুপথযাত্রী নারী, যাকে বাঁচাতে সময়ের বিরুদ্ধেও লড়াই চলে। ওদিকে এক মন্ত্রী, যিনি ক্ষমতার গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের জগতে ফিরে আসেন। এগুলো শুধু দৃশ্য নয়—এগুলো জাতির প্রতিচ্ছবি। এখানে শোক নিজের পথ খুঁজে নেয় সহনশীলতা আর আশার মধ্যে দিয়ে।

এবার সিনেমার গানের কথা বলি। শেষের দিকে আয়ুব বাচ্চুর পরিচিত কণ্ঠ শোনা গেল। তখন আর বিষয়টা শুধুই সিনেমার সমাপ্তি হয়ে থাকে না। বরং অনুভূতিকে বিমূর্ত করে তোলে। পর্দা নিভে যায়,অনুভূতি থেকে যায়—নিজের ভেতরে প্রতিধ্বনি তুলে।
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জীবন কখনো একরৈখিক নয়। জীবন হলো ভাঁজে ভাঁজে দুঃখ দিয়ে গড়া, স্মৃতির সেলাইয়ে বাঁধা, আর সম্পর্কের টানে এগিয়ে চলা যাত্রা।

এই সিনেমার সফলতা এখানেই—বনলতা এক্সপ্রেস এই যাত্রাকে পরিণত করে এক যৌথ অস্তিত্বে।

বনলতা এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেন সামনে এগিয়ে চলেছে। ঠিক আমাদের জীবনের মতোই।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, গোপালগঞ্জ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি; এবং পিএইচডি গবেষক, কার্টিন ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া।

Ads small one

ঈদুল আজহার ৭ দিন ছুটি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহার ৭ দিন ছুটি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক: এবারের ঈদুল আজহার ছুটি ৭ দিন নির্ধারণ করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে এ ঘোষণা আসে।

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে ছুটি থাকবে।

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা থাকবে। এরপর ঈদের ছুটি শুরু হবে ২৫ মে।

 

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য পাবলিক টয়লেট ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সুবিধার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট-সুবিধা নিশ্চিত করা।

বিপিএল ফিক্সিংকান্ডে ৫ জনের শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
বিপিএল ফিক্সিংকান্ডে ৫ জনের শাস্তি

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ সালের আসরে ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজনের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তাদের শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ ছাড়া বিপিএলের আরও তিন আসরে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে আরেকজনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিসিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী কোড বা বিধিমালার (দ্য ‘কোড’) বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি (বিপিএল টি-টোয়েন্টি) এর ১২তম আসরকে কেন্দ্র করে বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের প্রেক্ষিতে এই অভিযোগগুলো আনা হয়েছে। তদন্তে দুর্নীতির চেষ্টা, বেটিং বা জুয়ায় সম্পৃক্ততা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগগুলো মূলত জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, বিধিমালার অনুচ্ছেদ ৪.৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ পালনে ব্যর্থতা, তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার (ড্যাকো) সঙ্গে সহযোগিতা না করার সঙ্গে সম্পর্কিত। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন-

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার):অনুচ্ছেদ ২.৪.৬: কোনো জোরালো কারণ ছাড়াই ড্যাকোর (উঅঈঙ) তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া (অনুচ্ছেদ ৪.৩ এর অধীনে নোটিশ পালনে ব্যর্থতাসহ)। অনুচ্ছেদ ২.৪.৭: তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব করা (তথ্য ও যোগাযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করাসহ)।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক): অনুচ্ছেদ ২.৪.৬: তদন্তে ড্যাকোকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া। অনুচ্ছেদ ২.৪.৭: তদন্ত কাজে বাধা প্রদান বা বিলম্ব করা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করা।
অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার):অনুচ্ছেদ ২.২.১: ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য যেকোনো বিষয়ে বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণ করা।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার): অনুচ্ছেদ ২.২.১: ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা খেলার যেকোনো পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়া।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য নোটিশ পাওয়ার পর থেকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই পর্যায়ে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

এ ছাড়া বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র (বহিষ্কৃত ব্যক্তি নীতিমালা) অধীনে একটি ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ বা বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিতে ভূমিকা রেখেছেন। নোটিশ পাওয়ার পর সামিনুর রহমান তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে এই বহিষ্কারাদেশ মেনে নিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির শাসন জারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির শাসন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় পদত্যাগ করতে না চাওয়ার মধ্যেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি। তার এই আদেশের মধ্য দিয়ে ইস্তফা ছাড়াই মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারালেন ৭১ বছর বয়সী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত দুই দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে রাজ্যপাল বলেন, ‘ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের (২) ধারার (খ) উপ-ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে, আমি ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি।’ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ শেষ বৃহস্পতিবার। এদিনই বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাও বিবৃতি জারি করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কার্যকালে আনুষ্ঠানিক ইতি ঘটল এবং নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথ প্রশস্ত হলো।

রাজ্যে গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন।

পরাজয়ের পর রাজভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্থফা দেওয়া সাংবিধানিক রীতি। কিন্তু সেই পথে না হেঁটে মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘আমরা তো হারিনি। ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। আমি রাজভবনে যাব না, ইস্তফা দেব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। এই দিনটা বাংলার ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে।’

নতুন বিজেপি সরকার আগামী ৯ মে (শনিবার) শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে মাঝের এই দুই দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হলো। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এখন দায়িত্ব পালন করবেন রাজ্যপাল।

শনিবার কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপি ও এনডিএর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করতে গতকাল রাতেই কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।