শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বাড়লো সোনার দাম, ভরি কত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
বাড়লো সোনার দাম, ভরি কত

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

গ্রামপ্রতি সোনার নতুন দাম

বাজুসের নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি গ্রাম সোনার দাম ভ্যাটসহ ২০ হাজার ১১৫ টাকা। সেই হিসাবে প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ২১০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৬ হাজার ৪৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৩ হাজার ৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রুপার দামও নির্ধারণ

নতুন দামে রুপার অলংকারের মূল্যও নির্ধারণ করেছে বাজুস। ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ভ্যাটসহ ৪৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪২৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ৩৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭৫ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী এর সঙ্গে মজুরি প্রযোজ্য হবে।

আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ কিনে নেওয়ার (পারচেজ) ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Ads small one

ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে ট্রাম্পের সই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে ট্রাম্পের সই

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট ২০২৬’ নামের আইনটি ট্রাম্পকে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে। এর ফলে ভারত ও চীনের মতো দেশের পণ্যে এ ধরনের শুল্ক আরোপের পথ তৈরি হয়েছে।

আইনটিতে রাশিয়ার সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংক, জ্বালানি খাত এবং মস্কোর সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রুশ পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ এবং রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে ভারতের পণ্যে এখনই ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়নি। নতুন আইনটি ট্রাম্পকে এ ধরনের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে। তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করলেই ভারতীয় পণ্যে নতুন শুল্ক কার্যকর হতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত মার্কিন শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। নতুন আইনের ফলে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর ওপর আরও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেল মার্কিন প্রশাসন।

মার্কিন কংগ্রেসে আইনটি পাসের পর এর আওতা ও নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নিয়ে কয়েকজন আইনপ্রণেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হলে শেষ পর্যন্ত মার্কিন ভোক্তাদের জন্য বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

হামলা হলে পাকিস্তানকে বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে: তালেবান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
হামলা হলে পাকিস্তানকে বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে: তালেবান

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা হলে বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে বেল পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আফগানিস্তান। আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ থেকে নিজেদের রক্ষা করার অধিকার রাখে আফগানিস্তান।

পাকিস্তানে হামলা করতে সন্ত্রাসীদের নিয়োগ, প্রশিক্ষিণ ও আশ্রয় দেয় আফগানিস্তান ইসলামাবাদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন মুজাহিদ।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানের ভেতরে কোনো সামরিক অভিযান চালানো হলে সেটিকে দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে। এমন পরিস্থিতিতে কাবুল থেকেও শক্ত প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।

এর আগে আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন। পাকিস্তানের ওই সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে যোদ্ধা নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

তাদের অস্ত্রও সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে এসব যোদ্ধা পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন ওই কর্মকর্তা। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন মুজাহিদ। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেয় না তালেবান সরকার।

অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে তালেবান সরকার সমর্থন বা সহায়তা করে এমন অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন রাজত্ব: ডেনমার্কের সঙ্গে ‘অনন্ত’ চুক্তি ট্রাম্পের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন রাজত্ব: ডেনমার্কের সঙ্গে ‘অনন্ত’ চুক্তি ট্রাম্পের

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ দিতে এবং বিদেশি শত্রুপক্ষকে সেখানে ঘাঁটি তৈরিতে বাধা দিতে ডেনমার্কের সঙ্গে একটি ‘অনন্তকাল ব্যাপী’ বা ইনফিনিট চুক্তিতে উপনীত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

​নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা ডেনমার্ক রাজ্য এবং গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে এমন একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে, যা গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সব ধরনের প্রয়োজনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, এখন থেকে আমেরিকার লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ গ্রিনল্যান্ডে কখনও কোনও ঘাঁটি তৈরি করতে পারবে না, সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে পারবে না কিংবা কোনও স্পর্শকাতর বিনিয়োগ করতে পারবে না।