শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

অনলাইন ডেস্ক: আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব বাঁশ দিবস। দ্রুত বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদের পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর দিনটি পালিত হয়। বাঁশকে শুধু গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ হিসেবে নয়, টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির সম্ভাবনাময় সম্পদ হিসেবেও তুলে ধরা হচ্ছে।

 

বিশ্ব বাঁশ দিবসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০০৯ সালে। ওই বছর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে দিবসটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর একই দিনে বাঁশের ব্যবহার, সম্ভাবনা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

বিশ্ব বাঁশ সংস্থার ২০২৬ সালের বিশ্ব বাঁশ দিবসের বার্তা হলো ‘পুনরুজ্জীবনশীল ভবিষ্যতের জন্য বাঁশ: প্রকৃতির সঙ্গে বেড়ে ওঠা, নির্মাণ ও সমৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক আহ্বান’ (Bamboo for a Regenerative Future: A Global Call to Grow, Build and Prosper with Nature)। সংস্থাটি এ বছর বাঁশকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং টেকসই উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

বাঁশের সম্ভাবনাকে কেবল একটি উদ্ভিদ বা কাঁচামালের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কৃষি, নির্মাণ, আসবাব, বস্ত্র, কাগজ, খাদ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন জৈবভিত্তিক শিল্পে এর ব্যবহার বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাঁশ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান এবং আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

বাঁশ দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং এর বিভিন্ন প্রজাতি তুলনামূলক কম পানি ও রাসায়নিক উপকরণে চাষ করা যায়। শিকড় অক্ষত রেখে বাঁশ সংগ্রহের সুযোগ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে একই গাছের গোড়া থেকে আবার নতুন কঞ্চি জন্মাতে পারে। এ কারণে টেকসই ব্যবস্থাপনার আওতায় বাঁশকে পরিবেশবান্ধব কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

বাঁশ ভূমিক্ষয় কমানো, ক্ষতিগ্রস্ত জমি পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব সুবিধা পেতে বাঁশের প্রজাতি নির্বাচন, চাষের পদ্ধতি ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা যথাযথ হওয়া জরুরি।

 

বাঁশের ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহু পুরোনো। ঘরবাড়ি নির্মাণ, বেড়া, আসবাব, ঝুড়ি, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে প্রচলিত ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক নকশা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্মাণসামগ্রী, টেক্সটাইল, কাগজ, জ্বালানি এবং বিভিন্ন শিল্পপণ্য তৈরিতেও বাঁশের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

 

বাঁশকে ঘিরে কৃষক, কারিগর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের একটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠতে পারে। বাঁশ উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পণ্য তৈরির প্রতিটি ধাপে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। বিশ্ব বাঁশ সংস্থার মতে, সঠিক নীতি, বিনিয়োগ, গবেষণা ও বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে বাঁশভিত্তিক শিল্প স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয় ও কর্মসংস্থানে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

 

বিশ্ব বাঁশ দিবস তাই শুধু একটি উদ্ভিদকে ঘিরে উদযাপনের দিন নয়। বরং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উৎপাদন, পরিবেশ সংরক্ষণ, নতুন শিল্পের বিকাশ এবং মানুষের জীবিকার সুযোগ তৈরিতে বাঁশের সম্ভাবনাকে নতুন করে ভাবার একটি উপলক্ষ।

Ads small one

পাইকগাছায় বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে নানা আয়োজনে বিশ্বকর্মা পূর্জা অনুাষ্ঠত হয়েছে। ভাদ্র মাসের সংক্রান্তিতে এই পূজা হয়। উপজেলার বিভিন্ন মন্দির, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা কেন্দ্র, পারিবারিক মন্দির ও বাড়ীতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার পৌর বাজার, কপিলমুনি, বাঁকা বাজার, নতুন বাজারসহ বিভিন্ন মন্দির, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা কেন্দ্র, পারিবারিক মন্দির ও বাড়ীতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাইকগাছার নতুন বাজার মন্দিরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

পূজার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন, পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি উজ্জ্বল কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক পলাশ ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ নিরঞ্জন বিশ্বাস, সুভাষ দেবনাথ, তপন দেবনাথ, পবিত্র বিশ্বাস, গোবিন্দ বিশ্বাস, স্বপন বিশ্বাস, তরুন চৌধুরী, উৎপল কর্মকারসহ ভক্তবৃন্দ।

বিশ্বকর্মা পূজা হিন্দুদের একটি ধর্মীয় উৎসব। বিশ্বকর্মা পূজা হলো হিন্দু স্থাপত্য ও প্রকৌশলের দেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনা এবং কারিগর, শ্রমিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের একটি পবিত্র উৎসব। হিন্দু শাস্ত্রে বিশ্বকর্মাকে দেবশিল্পী ও বিশ্বের স্্রষ্টা বলা হয়। তিনি দ্বারকা নগরী, লঙ্কা এবং দেবতাদের বিভিন্ন অস্ত্র ও রথ তৈরি করেছিলেন। কলকারখানা, গ্যারেজ, এবং নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা তাদের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও যানবাহন এই দিনে শ্রদ্ধাভরে পূজা করেন।

পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পৃথক মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাটকেলঘাটা থানার মামলা নং-০৭(০৯)/২৬, ধারা ৩৭৯/৪১১ দন্ডবিধির এজাহারনামীয় আসামি পাটকেলঘাটার লালচন্দ্রপুর গ্রামের আজগর শেখের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া পাটকেলঘাটা থানার মামলা নং-০৮, তারিখ ১৭/০৮/২০২৬, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ৯(১)/৩০ এরএজাহারনামীয় আসামি পাটকেলঘাটার নোয়াকাটি গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর সরদারের ছেলে মোঃ হৃদয় হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে বিধি মোতাবেক পুলিশ প্রহরায় ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মালয়েশিয়ায় একই গাছে কাঁচা-পাকা আমের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় একই গাছে কাঁচা-পাকা আমের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য
মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির মাঝে দেখা মিলেছে দৃষ্টিনন্দন এক আমবাগানের। বাগানের একটি বড় আমগাছে একই সঙ্গে থোকায় থোকায় কাঁচা আম ও পাকা হলুদ-লালচে আম ঝুলতে দেখা যাচ্ছে।
হালকা বাতাসে আমগাছের ডালপালা ও সবুজ পাতাগুলো দুলছে। সেই সঙ্গে পাকা আমগুলোও বাতাসে দোল খাচ্ছে—যা তৈরি করেছে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য।
পাতার ফাঁক দিয়ে কোমল সূর্যের আলো আমের ওপর পড়ে দৃশ্যটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সবুজের মাঝে কাঁচা ও পাকা আমের এমন বৈচিত্র্য প্রকৃতিপ্রেমীদের সহজেই মুগ্ধ করছে।
ক্যামেরায় ধারণ করা এই সুন্দর দৃশ্যে প্রথমে কাঁচা আমের থোকা এবং পরে পাকা আমের দিকে ধীরে ধীরে ক্যামেরা এগিয়ে যায়। মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে আমগাছের এই অপরূপ দৃশ্য যেন গ্রামীণ জীবনের এক শান্ত ও সতেজ ছবি তুলে ধরে।