বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানের দ্রুত সুস্থতা কামনা সাংবাদিক ক্লাবের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানের দ্রুত সুস্থতা কামনা সাংবাদিক ক্লাবের

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য মো. তারিকুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর হৃদযন্ত্রে সফলভাবে রিং (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে নিজ বাড়িতে ফিরে বিশ্রামে রয়েছেন।

তারিকুল হাসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এ সময় সাংবাদিক ক্লাবের প্রতিনিধিরা তাঁর চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম মহিদার রহমান, সহসভাপতি জিএম সোহরাব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী মিটন, অর্থ সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. হাফিজ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মাসুদ আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আবুল হোসেন ও কার্যকরী সদস্য মো. জাকিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ মো. তারিকুল হাসানের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য এবং সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

সারা দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১১৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং ৬৯ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯০২ জনের।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের এবং দুজন ময়মনসিংহ বিভাগের।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৪ জন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৬৯ জন।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৯০৪ জনের শরীরে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ জন রোগী। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২ হাজার ৩৮ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ১৯৫ জনের শরীরে। সন্দেহজনক হামে এ বিভাগে মোট ৪০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩২ হাজার ৯৩৬ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭১১ জনের শরীরে। বরিশাল, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগেও হাম ও হামের উপসর্গের রোগী শনাক্ত হয়েছে।

সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে আধিক্য দেখা গেছে। ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় এবং ঢাকা জেলায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

এদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জন। জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের কাভারেজ ১০৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিভাগগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে টিকাদানের কাভারেজ সবচেয়ে বেশি, ১১৫ শতাংশ। সিলেটে সবচেয়ে কম ১০৪ দশমিক ৩ শতাংশ হলেও সেখানেও কাভারেজ ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১ জন। সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের কাভারেজ ১০৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কাভারেজ সর্বোচ্চ ১১৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনে সর্বনিম্ন ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

 

সম্পাদকীয়/ জরাজীর্ণ বুধহাটা-পাইথালী সড়ক: দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ জরাজীর্ণ বুধহাটা-পাইথালী সড়ক: দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন

একটি আধুনিক ও সচল সমাজব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো। কিন্তু সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা-পাইথালী সড়কের বর্তমান চিত্র সেই প্রত্যাশার ঠিক বিপরীত। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। পিচ ও সুরকি উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। ফলে প্রতিদিন এই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী হাজার হাজার পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহনের চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পরিণত হয় ছোট ছোট জলাশয়ে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায় বহু গুণ।

যোগাযোগ ব্যবস্থার এই বেহাল দশায় স্থানীয় আর্থসামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষিপণ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনে সময় ও ব্যয় দুটোই বেড়ে গেছে। প্রধান সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়ে হালকা যানবাহনগুলোকে গ্রামের সরু ভেতরের পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে গ্রামীণ রাস্তাগুলোও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সেখানেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে চলেছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সড়কটি সংস্কারের সিদ্ধান্ত হওয়া সত্ত্বেও এখনো মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হয়নি, যা হতাশাজনক।

উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সড়কের একাংশের প্রাক্কলন তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য কিছু উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হলেই এই সড়কের কাজে হাত দেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষের এই আশ্বাস ইতিবাচক হলেও বাস্তবতার নিরিখে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আর দীর্ঘায়িত করা সমীচীন নয়। বাজেট অনুমোদন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বুধহাটা-পাইথালী সড়কের সংস্কারকাজ অবিলম্বে শুরু করা প্রয়োজন। জনভোগান্তি নিরসন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেÑএটাই প্রত্যাশা।

এনজেড ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মাতিন জমাদ্দারের আরোগ্য কামনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
এনজেড ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মাতিন জমাদ্দারের আরোগ্য কামনা

সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন এনজেড ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. মাতিন জমাদ্দার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর আশু আরোগ্য ও দ্রুত সুস্থতা কামনা করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন এনজেড ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিদাতারা হলেন এনজেড ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সহসভাপতি সুভাষ চন্দ্র সরকার, সাধারণ সম্পাদক মীর মোশাররফ হোসেন (মন্টু), কোষাধ্যক্ষ শেখ হারুনার রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. মহিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাকির হোসেন, সৈয়দ ছাইরুদ্দিন, শেখ আব্দুল মঈন, রাবেয়া খানম ও শাহানা আক্তার। নেতৃবৃন্দ তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি