সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

বেতনের টাকাটা বৌদির হাতে দিও/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
বেতনের টাকাটা বৌদির হাতে দিও/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির রেখে যাওয়া একটি বাক্য এখন শুধু শোকের নয়, জবাবদিহিরওÑ“বেতনের টাকাটা বৌদির হাতে দিও।” একটি ছোট বাক্য, কিন্তু এর ভেতরে আছে একজন সাংবাদিকের শ্রমের মূল্য, পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং সংবাদমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের বড় প্রশ্ন। পুলক চ্যাটার্জি ছিলেন বরিশালের সাংবাদিকতার পরিচিত মুখ। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালে কাজ করেছেন। একসময় সমকালের বরিশাল ব্যুরোপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করা এই মানুষটির শেষ সময়ে তাঁর প্রাপ্য অর্থের কথা উঠে আসা তাই নিছক ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ১১ সেপ্টেম্বর বরিশালের পারারা রোডে সমকালের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর রেখে যাওয়া একাধিক নোটের কথাও সামনে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। কোনো একটি ঘটনাকে তাঁর মৃত্যুর নিশ্চিত কারণ হিসেবে তুলে ধরা দায়িত্বশীল হবে না। কিন্তু তাঁর বেতন বা বৈধ পাওনার প্রশ্নটি স্পষ্টভাবে সামনে আনা জরুরি। ঠিক কত টাকা, কোন সময়ের বা কোন খাতে তাঁর পাওনা ছিলÑতা সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক হিসাব থেকেই নির্ধারিত হবে।

 

অনুমান করে কোনো অঙ্ক বা সময়কাল বলা ঠিক নয়। তবে যদি কোনো বৈধ পাওনা থেকে থাকে, সেটি তাঁর পরিবারের অধিকার। প্রতিষ্ঠানের অনুগ্রহ নয়। এখানেই আসে প্রাতিষ্ঠানিক দায়ের প্রশ্ন। একজন সাংবাদিক যখন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, তখন তাঁর কাছ থেকে সময়, শ্রম, দক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্ব প্রত্যাশা করা হয়। সেই শ্রমের বিনিময়ে নির্ধারিত পারিশ্রমিক সময়মতো দেওয়া প্রতিষ্ঠানটির মৌলিক দায়িত্ব। চাকরি শেষ হলে হিসাব চুকিয়ে দেওয়া, কর্মী মারা গেলে তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীর কাছে পাওনা পৌঁছে দেওয়াÑএগুলোও সেই দায়িত্বের অংশ।

 

অতএব কোনো কর্মীর পাওনা নিয়ে পরিবারকে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে কেন? কেন একজন কর্মীর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীকে প্রতিষ্ঠানের দরজায় পাওনার হিসাব জানতে দাঁড়াতে হবে? কেন কর্মীর জীবদ্দশায় যে হিসাব পরিষ্কার হওয়ার কথা, তা মৃত্যুর পরও অস্পষ্ট থাকবে? প্রতিষ্ঠান যদি কর্মীর শ্রমের হিসাব রাখে, তবে তাঁর পাওনার হিসাবও রাখতে হবে। এখানে সংবাদমাধ্যমের দায় আরও বেশি। কারণ যে প্রতিষ্ঠান সমাজের কাছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায়ের দাবি তোলে, তার নিজের কর্মীদের ক্ষেত্রেও একই মানদ- প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

 

সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে কর্মীর ন্যায্য পারিশ্রমিকের অধিকারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পুলকের ঘটনায় তাই আবেগের চেয়ে এখন প্রয়োজন স্বচ্ছতা। তাঁর কোনো বৈধ পাওনা থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে হিসাব যাচাই করে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রয়োজন হলে পরিবারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করে প্রাপ্য অর্থ ও অন্যান্য সুবিধার বিষয়টি লিখিতভাবে জানাতে হবে। কোনো প্রশাসনিক জটিলতা থাকলে তার সমাধানের দায়িত্বও প্রতিষ্ঠানেরÑপরিবারের নয়।

 

কর্মীর পাওনা পরিশোধের জন্য পরিবারকে দৌড়াতে হবেÑএমন ব্যবস্থা কোনো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের হতে পারে না। আর এখানেই বিষয়টি ব্যক্তিগত গ-ি ছাড়িয়ে বৃহত্তর সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের অনেক সাংবাদিক, বিশেষ করে মফস্বলের সাংবাদিক, অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে কাজ করেন। কোথাও নিয়োগপত্র নেই, কোথাও নিয়মিত বেতন নেই, কোথাও চাকরি শেষ হওয়ার পর পাওনা নিষ্পত্তির সুস্পষ্ট ব্যবস্থা নেই। অথচ সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাঁদের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশা করা হয়।

 

এই দ্বৈতনীতি বন্ধ করতে হবে।প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের উচিত কর্মীদের জন্য লিখিত নিয়োগ, নির্ধারিত বেতন, সময়মতো পারিশ্রমিক, ছুটি ও অন্যান্য বৈধ সুবিধা নিশ্চিত করা। চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চূড়ান্ত হিসাব নিষ্পত্তির বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে। কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবার কীভাবে পাওনা পাবে, সেটিও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালায় স্পষ্ট থাকা দরকার। আর শুধু নীতিমালা করলেই হবে নাÑতার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।পুলকের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

 

মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো অনুমানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা উচিত নয়। কিন্তু তাঁর বৈধ পাওনার প্রশ্নটি তদন্তের ফলের ওপর নির্ভরশীল নয়। পাওনা থাকলে সেটি হিসাব করে পরিশোধ করা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। তাই এখন প্রয়োজন শোকের আনুষ্ঠানিকতা পেরিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। পুলকের কোনো বেতন বা বৈধ পাওনা থাকলে তা দ্রুত নির্ধারণ ও পরিশোধ করা হোক। পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তি করা হোক।

 

একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা ও কর্ম-পরবর্তী অধিকার নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলা হোক। “বেতনের টাকাটা বৌদির হাতে দিও”Ñএই বাক্যটি যেন শুধু পুলকের শেষ অনুরোধ হয়ে না থাকে। এটি সংবাদমাধ্যমের প্রতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রশ্ন হয়ে থাকুক। যে সাংবাদিকের শ্রম প্রতিষ্ঠানের সংবাদকে সমৃদ্ধ করে, তাঁর শ্রমের মূল্য পরিশোধ করা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

 

আর সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা কোনো সাধারণ দাপ্তরিক ত্রুটি নয়; এটি কর্মীর অধিকার ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির প্রশ্ন। পুলকের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা শুধু তাঁকে স্মরণ করা নয়। তাঁর প্রাপ্য যদি থেকে থাকে, তা তাঁর পরিবারের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিকের পরিবারকে যেন একই প্রশ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠানের দরজায় দাঁড়াতে না হয়Ñসেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে তাঁর শেষ কথার প্রকৃত মর্যাদা।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেনস্তার প্রতিবাদে ব্যাংকার’স এসোসিয়েশানের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেনস্তার প্রতিবাদে ব্যাংকার’স এসোসিয়েশানের মানববন্ধন

আব্দুস সামাদ: সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র গোপালগঞ্জের ঘাঘর শাখার নারী ব্যাংক কর্মকর্তা ফৌজিয়া হককে হেনস্তার প্রতিবাদে এবং হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় ব্যাংকার’স এসোসিয়েশান সাতক্ষীরার আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় শহরের লাবনী মোড় সংলগ্ন নিউ মার্কেটের স ম আলাউদ্দিন চত্বরে ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাতক্ষীরা জেলা শহরের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের প্রায় চার শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার সভাপতি ও জনতা ব্যাংক পিএলসি’র বাঁকাল শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুর রহিম। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক জিএম আবু সায়েম, দপ্তর সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস এবং উপদেষ্টা কাজী মাসুদুল হক, তিতুমীর রহমান, মর্তুজা আহমেদ, শাহাদাৎ হোসেন, জোহর আলী, হোসেন কবীর, আজহারুল ইসলাম ও শামীমা সুলতানা বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়া সোনালী ব্যাংক পিএলসির এজিএম রবিউল ইসলাম, মুজিবুর রহমান ও শেখ সালাউদ্দিন, এসপিও দেবেশ কুমার দাস, কাজল সরকার, নরেশ কুমার বিশ্বাস, আশুতোষ দাস, আব্দুল্লাহ ও আবু সিদ্দিক, জনতা ব্যাংকের মাগফুর রহমান, তন্ময় সরকার, তাপস কুমার রায়, গোপাল চন্দ্র গাইন, বিশ্বনাথ দেবনাথ, মো. কামরুজ্জামান, শংকর বিশ্বাস, আফিয়া ফেরদৌসী, শর্মিলা, মাসুম আহমেদ, সুমন আহমেদ, জমাত আলী ও লিয়ন আঢ্য সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বশীল পেশা। তবে সাংবাদিকতার নামে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হেনন্তা বা হয়রানি করা কাম্য নয়। তারা হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বক্তারা আরও বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিক ও আইনসম্মত উপায়ে সমাধান করতে হবে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পাশাপাশি পেশাগত মর্যাদা ও ব্যক্তির সম্মান রক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকতার নামে হয়রানি ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

 

 

 

 

 

দেবহাটায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানি, সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানি, সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় এক বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে স্থানীয় এক সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আরমান হোসেন (৪৫)। তিনি দেবহাটা গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে এবং দেবহাটা সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিজিবি ক্যাম্পের পেছন থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে পুটুর বাড়ির পাশে নির্জন স্থানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মোটরাসাইকেল থামিয়ে ওই নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। নারীর চিৎকারে পথচারী এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

পত্রদূত রিপোর্ট: মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংসদে কঠোর আইন পাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা মাদকের চালান বন্ধ করার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় প্রস্তাবিত রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অগ্রগতি সম্পর্কেও তিনি আলোকপাত করেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল বাশার, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।