বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ভ্রমণে যাওয়ার আগে গুগল ম্যাপসের ৩ টিপস জেনে নিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ভ্রমণে যাওয়ার আগে গুগল ম্যাপসের ৩ টিপস জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক: ভ্রমণের আগে ব্যাগ গোছানো শেষ, যাওয়ার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন। গন্তব্যে পৌঁছাতে আমাদের প্রায় সবারই ভরসার নাম গুগল ম্যাপস। নতুন কোনো জায়গা বা রেস্তোরাঁ খোঁজা থেকে শুরু করে রাস্তায় জ্যাম কেমন, সবকিছুর সমাধান এক অ্যাপেই।
তবে আমরা অনেকেই শুধু রাস্তায় বের হওয়ার পরই ম্যাপস চালু করি। কিন্তু আপনি কি জানেন, বাসা থেকে পা বাড়ানোর আগেই গুগল ম্যাপস আপনার ভ্রমণটাকে আরো সহজ ও নিখুঁত করে তুলতে পারে।

আর তাই একটু আগাম প্রস্তুতি নিলেই রাস্তার অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

তো চলুন, আজ জেনে নিই গুগল ম্যাপসের এমন ৩টি দারুণ টিপস, যা ভ্রমণের আগে আপনার ভীষণ কাজে আসবে। বিষয়টি গণমাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন- কমল দাস (প্রাক্তন শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা)

(১) অফলাইন ম্যাপ ডাউনলোড করে রাখুন
আমরা সব সময় ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থাকি ঠিকই, কিন্তু রাস্তায় বের হলে সব জায়গায় যে মোবাইল নেটওয়ার্ক পূর্ণমাত্রায় পাওয়া যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে পাহাড়ি বা দুর্গম কোনো এলাকায় গেলে নেটওয়ার্কের সমস্যা খুবই সাধারণ ব্যাপার। এই বিপদের ত্রাতা হতে পারে গুগল ম্যাপসের অফলাইন ফিচার। ইন্টারনেট না থাকলেও এটি আপনাকে সঠিক রাস্তা দেখাবে।

কীভাবে করবেন?

অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস অ্যাপের ওপরের ডান কোণায় আপনার প্রোফাইল পিকচারে ট্যাপ করুন। এরপর ‘অফলাইন ম্যাপস’ নির্বাচন করে ‘সিলেক্ট ইওর ওন ম্যাপ’ ক্লিক করুন। এবার ম্যাপটি জুম করে বা আঙুল দিয়ে টেনে আপনার গন্তব্যের এলাকাটি স্ক্রিনে আনুন। ম্যাপটি আপনার ফোনে কতটুকু জায়গা নেবে, তা-ও নিচে লেখা থাকবে। সব ঠিক থাকলে ‘ডাউনলোড’ বাটনে ট্যাপ করুন। অফলাইন ম্যাপের সেটিংসে গিয়ে আপনি চাইলে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়ার অপশনও চালু করে রাখতে পারেন।

(২) ভবিষ্যতের যাত্রার পরিকল্পনা করুন এখনই
ধরুন, আপনি আগামীকাল বা আগামী সপ্তাহে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু এখন যদি ম্যাপে রাস্তার খোঁজ নেন, তবে ম্যাপ আপনাকে এই মুহূর্তের জ্যাম বা ট্রাফিকের ওপর ভিত্তি করে সময় দেখাবে। আগামীকাল ঠিক ঐ সময়ে রাস্তায় কেমন জ্যাম থাকবে, তা কিন্তু আপনি এখনকার ম্যাপ দেখে বুঝতে পারবেন না।

এরও দারুণ একটি সমাধান আছে। গন্তব্যের রাস্তা বের করার পর, ওপরের দিকে থাকা ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে আপনি ঠিক কবে এবং কখন রওনা দিতে চান, তা নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন। গুগল ম্যাপস হয়তো ভবিষ্যৎ হুবহু দেখতে পায় না, কিন্তু তাদের কাছে থাকা বিশাল ডেটাবেস ঘেঁটে ঐ দিন এবং ঐ নির্দিষ্ট সময়ে রাস্তায় সাধারণত কেমন জ্যাম থাকে, তার ওপর ভিত্তি করে আপনাকে পৌঁছানোর একটি সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেবে। ফলে আপনি আগেভাগেই যাত্রার নিখুঁত পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারবেন। তবে হ্যাঁ, যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বর্তমান জ্যামের অবস্থা দেখতে সেটিংটি আবার ‘প্রেজেন্ট’-এ ফিরিয়ে আনতে ভুলবেন না।

(৩) গন্তব্যে কেমন ভিড় থাকবে, তা আগে থেকেই জেনে নিন
পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কোনো ক্যাফে বা শপিং মলে যাওয়ার আগে অনেকেই চান অতিরিক্ত ভিড়ভাট্টা বা কোলাহল এড়িয়ে চলতে। আবার কেউ কেউ হয়তো জমজমাট জায়গাই বেশি পছন্দ করেন। আপনার পছন্দ যেমনই হোক না কেন, গন্তব্যের ভিড় সম্পর্কে গুগল ম্যাপস আপনাকে আগে থেকেই চমৎকার ধারণা দিতে পারে।

কীভাবে দেখবেন? ম্যাপে স্ক্রল করার সময় আপনি যদি দেখেন নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় মানুষের অনেক জটলা বা ভিড়, তবে সেখানে ‘বিজি এরিয়া’ নামে একটি লেবেল দেখতে পাবেন। সেখানে ট্যাপ করলেই ওই এলাকার ভিড়ের বিস্তারিত তথ্য চলে আসবে। এ ছাড়া আপনি ম্যাপে নির্দিষ্ট কোনো জায়গা সিলেক্ট করে তার ইনফো কার্ডটিও দেখতে পারেন। সেখানে একটি বার চার্ট বা গ্রাফের মাধ্যমে দেখানো হয়, সপ্তাহের কোন দিন বা কোন সময়ে জায়গাটিতে সবচেয়ে বেশি বা কম ভিড় থাকে। এমনকি মানুষ সাধারণত সেখানে গড়ে কতক্ষণ সময় কাটায়, তা-ও জানা যায় এখান থেকে।

সূত্র: পপুলার সায়েন্স

Ads small one

আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তার বিভিন্ন বাজারে সারের দোকান পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তার বিভিন্ন বাজারে সারের দোকান পরিদর্শন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান বিভিন্ন বাজারে সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করেছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারের গাজী এন্টারপ্রাইজ, তৃষা এন্টারপ্রাইজসহ তিন দোকান ও আশাশুনি সদরের দুই দোকানসহ উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। কৃষকদের মাঝে সঠিক মূল্যে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিদর্শন পরিচালনা করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলার বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি সারের দোকান ঘুরে দেখেন, সারের স্টক রেজিস্টার যাচাই করেন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকের মাঝে সার বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় সারের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং কোনো ধরনের অনিয়ম পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় এবং ডিলারদের স্বচ্ছতা বজায় রেখে সার বিতরণে সজাগ থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় সুন্দরবন থিয়েটারের পরিচালক ও কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক রচিত ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সঞ্চয় সমিতি ও ঋণদান প্রকল্পের সহ-সভাপতি গৌরাঙ্গ সরকার।

বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, লেখক ও সৃজনশীল সংগঠক শেখ সিদ্দিকুর রহমান। তিনি ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের বিষয়বস্তু, কবির সাহিত্যচর্চা এবং সাতক্ষীরার সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিমন্ডলে এ ধরনের প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একটি জনপদের নদী, প্রকৃতি, মানুষ, জীবন-সংগ্রাম ও অনুভূতির সঙ্গে সাহিত্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ‘খোলপেটুয়া’ নামের মধ্যেও সাতক্ষীরার নদী-প্রকৃতি ও জনজীবনের একটি নিজস্ব আবহ ফুটে উঠেছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্রের নৃত্যশিল্পী এইচ কে হাসান এবং আরিফুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন এবং ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের সাফল্য কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সমাজের অসংগতি, মানুষের সুখ-দুঃখ এবং জীবনবাস্তবতাকে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের নতুন এই কাব্যগ্রন্থ পাঠকদের মধ্যে সাড়া ফেলবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের পেছনের ভাবনা ও সাহিত্যচর্চার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস। সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় সপ্তাহের ছয় দিনই বন্ধ থাকছে অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রসূতি ও জরুরি অস্ত্রোপচারের রোগীরা। জটিল পরিস্থিতিতে রোগীদের প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দূরে খুলনা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন ডা. জহিরুল ইসলাম। তবে তিনি সংযুক্তিতে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ৪ দিন এবং কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ দিন দায়িত্ব পালন করেন। পাইকগাছায় তিনি সপ্তাহে মাত্র ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ওই দিন ছাড়া অন্য ৬ দিন হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকে। প্রতিদিনই অস্ত্রোপচারের জন্য রোগী আসেন। বিশেষ করে প্রসূতি রোগীদের জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলেও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় তাঁদের অন্যত্র পাঠাতে হচ্ছে।

গত জুলাই মাসে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রসূতি বিভাগে ১৫৫ জন রোগী ভর্তি হন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ১১ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়। চলতি আগস্ট মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত ১২৫ জন প্রসূতি ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ৮ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়েছে। জুলাই মাসে জরুরি বিভাগে ১ হাজার ৬৯৭ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। দৈনিক গড়ে রোগী ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৬৮ জন। আগস্টের ২৪ তারিখ পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪১৫ জন। এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৫৯ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আগে এই হাসপাতালে প্রতি মাসে গড়ে ২০ থেকে ৩০টি অস্ত্রোপচার হতো। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের সংকটে বর্তমানে অস্ত্রোপচারের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) সাকিলা আফরোজ বলেন, এখানে প্রতিদিন অপারেশনের জন্য অনেক রোগী আসেন। কিন্তু অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় আমাদের নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়।

অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি পাইকগাছা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান অসুস্থ। এ কারণে খুলনা শহরের কাছাকাছি থাকার জন্য তিনি পরিচালকের কাছে আবেদন করেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁর আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। এরপরও তাঁকে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ১ দিন করে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম এই হাসপাতালে পদায়িত থাকলেও সংযুক্তিতে ফুলতলা হাসপাতালে ৪ দিন কাজ করছেন। তিনি পাইকগাছায় ১ দিন ও কয়রায় ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালে সার্বক্ষণিক একজন অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শুধু এ উপজেলার মানুষ নয়, আশপাশের কয়রা, দাকোপ, আশাশুনি ও তালা উপজেলার অনেক মানুষও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই দ্রুত একজন নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক পদায়ন করে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।