যারা জায়গা পেলেন বিজয়ের মন্ত্রিসভায়
দশকব্যাপী দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য ভেঙে তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় বসেছে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে)। রোববার (১০ মে) এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। একইসঙ্গে তার মন্ত্রিসভার ৯ জন সদস্যও শপথ গ্রহণ করেছেন।
বিজয়ের এই নতুন মন্ত্রিসভায় বৈচিত্র্যের ছোঁয়া লক্ষ্য করা গেছে। মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক, সাবেক আইআরএস কর্মকর্তা এবং ২৯ বছর বয়সী সর্বকনিষ্ঠ এক বিধায়ক। তবে প্রথম দফার এই তালিকায় কেবল টিভিকে নেতাদেরই রাখা হয়েছে, কোনও কংগ্রেস নেতা এতে অন্তর্ভুক্ত হননি।
বিজয়ের মন্ত্রিসভায় সবথেকে বেশি আলোচনায় রয়েছেন ২৯ বছর বয়সী অভিনেত্রী এস কীর্তনা। শিবকাশি আসন থেকে নির্বাচিত এই বিধায়ক বিজয়ের মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য। গণিত ও পরিসংখ্যানে উচ্চশিক্ষিত কীর্তনা বাজি শিল্পের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নারীদের সমান মজুরি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তালিকায় আরও রয়েছেন বিজয়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও দলের সাধারণ সম্পাদক এন আনন্দ। চেন্নাইয়ের টি-নগর আসনে ডিএমকে প্রার্থীকে পরাজিত করে তিনি আজ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এছাড়া রয়েছেন সাবেক জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও তুখোড় রাজনৈতিক কৌশলবিদ আধব অর্জুন। গত নির্বাচনে স্টালিনের জয়ে বড় ভূমিকা রাখা এই নেতা এবার ভিল্লিবাক্কাম থেকে বিজয়ী হয়ে বিজয়ের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছেন।
বিজয় তার প্রশাসনে শিক্ষিত ও পেশাজীবীদের প্রাধান্য দিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন চিকিৎসক ও সাবেক আইআরএস কর্মকর্তা ড. কেজি অরুণরাজ এবং দন্তচিকিৎসক ড. টিকে প্রভু।
প্রবীণদের মধ্যে চমক সৃষ্টি করেছেন এআইএডিএমকে-র সাবেক প্রভাবশালী নেতা কেএ সেঙ্গোত্তাইয়ান। পাঁচ দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজয়ের হাত ধরে তিনি এবার মন্ত্রী হয়েছেন। এছাড়া বিজয়ের ২০ বছরের ব্যক্তিগত ম্যানেজার ও দলের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট পি ভেঙ্কটরামানন, আইটি বিশেষজ্ঞ নির্মল কুমার এবং জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান ও অভিনেতা রাজমোহন আরুমুগাম মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে












